পাঠ্যপুস্তক ছাপার প্রাক্কলিত দর ফাঁস, সমঝোতায় কাজ ভাগ-বাটোয়ারা, অতিরিক্ত ব্যয় ২৫২ কোটি টাকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাঠ্যপুস্তক ছাপার প্রাক্কলিত দর ফাঁস, সমঝোতায় কাজ ভাগ-বাটোয়ারা, অতিরিক্ত ব্যয় ২৫২ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ |
বিনা মূল্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য পাঠ্যবই ছাপার ঠিকাদারি কাজের বড় একটি অংশ ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দরপত্র আহ্বানের আগেই ঠিকাদারেরা সরকারের নির্ধারিত প্রাক্কলিত দর জেনে যান। পরে ওই দরকে ভিত্তি করে কিছুটা কম-বেশি দর দাখিল করে তারা কাজ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। শুধু দর ফাঁস নয়, দরপত্র প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর ঘটনাও ঘটেছে। শুরুতে সরকার যে দর নির্ধারণ করেছিল, সেটি ফাঁস হওয়ার পর তা বাড়াতে ঠিকাদারদের একটি অংশ চাপ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাক্কলিত দর পুনর্নির্ধারণ করে বাড়িয়ে দেয়। এরপর ঠিকাদারেরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে

দরপত্রে অংশ নিয়ে কাজ ভাগাভাগি করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। প্রাক্কলিত দর ফাঁস হওয়ার বিষয়টি এনসিটিবির একজন সদস্যও স্বীকার করেছেন। তবে সরকারি ক্রয়বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, কোনো অবস্থাতেই প্রাক্কলিত দর ঠিকাদারদের জানার কথা নয়। তাদের মতে, দরপত্র আহ্বানের মাঝপথে প্রাক্কলিত দর বাড়ানোরও নিয়মতান্ত্রিক সুযোগ নেই। এভাবে প্রতিযোগিতা কমে গেলে একদিকে সরকারের ব্যয় বাড়ে, অন্যদিকে কাজের গুণগত মান খারাপ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ বিষয়ে করা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রাক্কলিত মূল্য বৃদ্ধি এবং ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ ভাগাভাগির কারণে শুধু মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপাতেই সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে ২৫২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মুদ্রণশিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান বলেন, এবার অনিয়মের কারণে সরকারের খরচ অনেক বাড়বে। তিনি আরও

বলেন, ‘মনে হয়েছে, এবার আমার কাজ করার মতো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই, তাই অংশ নিইনি।’ সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ করে। ইউনূস আমলেও বই ছাপানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। শত শত কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় তদন্ত কমিটিও গঠিত হয়েছিল। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপানো হবে। এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের সংখ্যা ২২ কোটির বেশি এবং বাকি বইগুলো প্রাথমিক স্তরের। এসব বই ছাপাতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। সে লক্ষ্যে নভেম্বরের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বই পাঠানোর চেষ্টা চলছে। শুরুতে যে দর

নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০২৭ সালের পাঠ্যবই ছাপার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল এনসিটিবির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারীর সময়ে। সে সময় বাজার যাচাই করে প্রাথমিক স্তরের বইয়ের জন্য প্রতি ফর্মা কাগজের দাপ্তরিক প্রাক্কলিত গড় দর নির্ধারণ করা হয় ৩ টাকা ২৬ পয়সা। আর মাধ্যমিক স্তরের জন্য প্রতি ফর্মার দর ধরা হয় ২ টাকা ৮৫ পয়সা। এই প্রাক্কলিত দর অনুসারেই প্রাথমিক স্তরের বই ছাপার দরপত্র ৩ ও ৪ঠা জুন ইলেকট্রনিক দরপত্রব্যবস্থা (ইজিপি) ‘লাইভ’ করা হয়। অর্থাৎ অনলাইনে দরপত্রে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বইয়ের দরপত্রও যথাক্রমে ৭ ও ৯ই জুন ‘লাইভ’ করা হয়। এনসিটিবি ও মুদ্রণশিল্পের মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী,

কাগজের জন্য নির্ধারণ করা প্রাক্কলিত দর এ পর্যায়েই ফাঁস হয়ে যায়। দর ফাঁসের বিষয়টি স্বীকার করেছেন এনসিটিবির সদস্য আবু নাসের। তিনি বলেন, বই ছাপার কাজে সাত-আটটি কমিটি রয়েছে। কোনো পর্যায় থেকে তথ্য বাইরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়ে থাকতে পারে। এটিকে এনসিটিবির দুর্বলতা বলেও স্বীকার করেন তিনি। প্রাক্কলিত কাগজের দরটি আগের বছরের কাছাকাছিই ছিল। ঠিকাদারেরা মনে করেন, ওই দরে দরপত্র জমা দিয়ে কাজ পেলে তাদের মুনাফা কম হবে। তবে এতে সরকারের অর্থ সাশ্রয় হতো। এরপর ছাপাখানার মালিকদের একটি অংশ একজোট হয়ে প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর আবেদন করেন। সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সংস্থার কমিটির মাধ্যমে প্রাক্কলিত দর নির্ধারণ করা হয়। কোনো ঠিকাদার প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ১০ শতাংশ

বেশি দর দাখিল করলে তিনি প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে যান। ফলে প্রাক্কলিত দর আগে থেকে জেনে যাওয়া ঠিকাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত সরকারি কর্মকর্তাদের বড় অঙ্কের ঘুষ দিয়ে ঠিকাদারেরা প্রাক্কলিত দর জানার ব্যবস্থা করেন। এনসিটিবির ৪২৩তম বোর্ড সভার নথিতে বলা হয়েছে, মুদ্রণশিল্পের ৭৫ জন মালিক প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড প্রাক্কলিত দর পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও এই প্রাক্কলিত দর ঠিকাদারদের জানার কথা নয়। দরপত্রের মাঝপথেই প্রাক্কলিত দর পুনর্নির্ধারণ সূত্রের দাবি, অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এনসিটিবির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা মাহবুবুল হক পাটোয়ারীর জায়গায় গত ৮ই জুন নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। তার নাম মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর দরপত্রের কার্যক্রম

চলমান থাকা অবস্থাতেই প্রাক্কলিত দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ফখরুল মাওলা ১১ই সেপ্টেম্বর মুঠোফোনে বলেন, কাগজ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার প্রাক্কলিত দর বাড়ানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইন ভঙ্গ হয়নি। তিনি আরও বলেন, সমঝোতা করে দরপত্রে অংশ নিলে প্রতিযোগিতা কমতে পারে। তবে এটি পুরোপুরি এনসিটিবির নিয়ন্ত্রণে নয়। এনসিটিবির সদস্য আবু নাসেরও দাবি করেন, দরপত্র ‘লাইভ’ হওয়ার পর প্রাক্কলিত দর পুনর্নির্ধারণ আইনের লঙ্ঘন নয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানত বলেও দাবি করেন তিনি। মন্ত্রণালয় আদৌ বিষয়টি জানত কি না, তা জানতে শিক্ষাসচিব আবদুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ৮ই সেপ্টেম্বর তার কার্যালয়ে গিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দরপত্রের কার্যক্রম চলার সময় এভাবে প্রাক্কলিত দর বাড়ানো যায় কি না—এ বিষয়ে সরকারি ক্রয় বিশেষজ্ঞ ও সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) সাবেক মহাপরিচালক ফারুক হোসেন বলেন, দরপত্র আহ্বানের পর প্রাক্কলিত দর পরিবর্তনের সুযোগ নেই। পরিবর্তন করতে হলে আগের দরপত্র বাতিল করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করতে হবে। মাধ্যমিকের বইয়ে প্রতি ফর্মায় দর বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপানোর ক্ষেত্রে প্রতি ফর্মার গড় কার্যাদেশের দর ছিল ২ টাকা ৩১ পয়সা। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৩২ পয়সায়। অর্থাৎ প্রতি ফর্মায় দর বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপাতে কাগজের প্রয়োজন ধরা হয়েছে ২৫ লাখ রিম। এক হাজার ফর্মায় এক রিম হিসেবে হিসাব করা হয়। হিসাব অনুযায়ী, কাগজের প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর কারণে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় ২৫০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে। প্রাথমিক স্তরের বইয়ের ক্ষেত্রেও দর বেড়েছে। ২০২৬ সালে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বইয়ের প্রতি ফর্মার গড় কার্যাদেশের দর ছিল ৩ টাকা ৪৪ পয়সা। ২০২৭ সালে সেটি বেড়ে হয়েছে ৩ টাকা ৫৪ পয়সা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, মূলত মাধ্যমিক স্তরের বই থেকেই অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কৌশল সাজানো হয়েছে। শত শত দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতার চিত্র বই ছাপার কাজ ভাগে ভাগে দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য দরপত্র হয়েছে ৭০০টির বেশি। এর মধ্যে ৪৮৫টি দরপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৩১টিতে একজন করে দরদাতা ছিলেন। পরে ওই একমাত্র দরদাতাই কাজ পেয়েছেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একই মালিকের একাধিক প্রতিষ্ঠান একই দরপত্রে অংশ নিয়েছে। কিছু দরপত্রে একাধিক প্রতিষ্ঠান দরপত্রের কাগজ কিনলেও শেষ পর্যন্ত দর জমা দিয়েছে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান। সপ্তম শ্রেণির ৭১৪ নম্বর দরপত্রের ক্ষেত্রে ১৪টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র কিনেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দর জমা দেয় ‘লেটার এন কালার লিমিটেড’। কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি কাজ পেয়ে যায়। দরপত্রের নথি বিশ্লেষণ করে একই মালিকের একাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশ নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। ষষ্ঠ শ্রেণির ৬৬৯ নম্বর দরপত্রে প্রমা প্রিন্টিং, সীমান্ত প্রেস এবং ব্রাইট প্রিন্টিং কাছাকাছি দর দাখিল করে। তিনটি প্রতিষ্ঠানই একই মালিকের। এই লটে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি। তিন প্রতিষ্ঠানের মালিক এস এম মোহসীন বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আলাদা সত্তা রয়েছে। তাই কাজের মানে সমস্যা হবে না। দরপত্র জমা দেওয়ার আগের দিন, ১৬ই জুন, মুদ্রণশিল্পের মালিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দর নিয়ে আলোচনা হয়। ওই আলোচনার স্ক্রিনশট দেখিয়ে একটি সূত্র দাবি করেছে, কোন শ্রেণির বইয়ে কত দর দিতে হবে, তা সমঝোতায় অংশ নেওয়া মালিকেরাই আগে জানিয়ে দিয়েছিলেন। দুই ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের বড় অংশের কাজ পাওয়ার অভিযোগ এনসিটিবির বই ছাপার কাজের বড় একটি অংশ পেয়েছে অগ্রণী প্রিন্টিং প্রেস ও কর্ণফুলী প্রিন্টার্স। অগ্রণী প্রিন্টিং প্রেসের মালিক হাসানুজ্জামান রুবেল এবং কর্ণফুলী প্রিন্টার্সের মালিক কাউছারুজ্জামান রবিন। তারা আপন ভাই। সূত্রের দাবি, দরপত্রে সমঝোতার ক্ষেত্রে এই দুই ভাই বড় ভূমিকা রেখেছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ৭ই সেপ্টেম্বর হাসানুজ্জামানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্রশ্ন শুনে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কালোতালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানও কাজ পেয়েছে পাঠ্যবই মুদ্রণে অনিয়মের অভিযোগে গতবার সাতটি প্রতিষ্ঠানকে কালোতালিকাভুক্ত করেছিল এনসিটিবি। তবে নতুন চেয়ারম্যান ফখরুল মাওলা দায়িত্ব নেওয়ার পর দরপত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। জানা গেছে, কালোতালিকাভুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্তত দুটি এবারও কাজ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো বর্ণমালা প্রেস ও সোহাগী প্রিন্টিং প্রেস। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের বই সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। ‘তথ্য কীভাবে বাইরে গেল, অনুসন্ধান করে জড়িতদের চিহ্নিত করতে হবে’ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এনসিটিবির বই ছাপার দরপত্রে প্রাক্কলিত দর প্রেসের মালিকদের আগে থেকে জানার সুযোগ তৈরি হওয়া বড় ধরনের দুর্বলতা। তথ্য কীভাবে বাইরে গেল, তা অনুসন্ধান করে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে হবে। ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’। কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না। সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাংলাদেশ দলে আরও তিন প্রবাসী তারকা দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড কেইনের ছেলের সামনে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ডাকাতি, ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিয়ে আরও অর্থ দাবি দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাথে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত পাঠ্যপুস্তক ছাপার প্রাক্কলিত দর ফাঁস, সমঝোতায় কাজ ভাগ-বাটোয়ারা, অতিরিক্ত ব্যয় ২৫২ কোটি টাকা আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে ফিরলেন হৃদয় ও জাকের বিশ্লেষণ: শেখ হাসিনা সরকারের সময় ০.৬ শতাংশ, এখন মেট্রোরেলের নতুন ঋণে সুদ ৩ শতাংশের ওপরে, কঠিন হয়েছে শর্তও পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বন্দি, কারাগারে ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ নাম বদলে ‘উজ্জ্বল’ থেকে ‘আয়াস’: জুলাই চেতনার বড়ি বেচে চাঁদাবাজি-মবের হোতা পরীক্ষার সময় পায়খানায় ফোন ব্যবহারে নকল, ঢাবির হল সংসদের শিবির নেতার সাজা তেজগাঁও কলেজের মসজিদের ভেতরে জঙ্গিদের গোপন বৈঠক থেকে আটক ২৩ মানবতার লজ্জাজনক পরাজয়: ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যার দুই বছর হলেও শুরু হয়নি বিচার সকালে চা খেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা শামীম মোল্লা হত্যা: দুই বছরেও হয়নি তদন্ত, উল্টো আসামি থেকে ছাত্রশক্তির সভাপতি হুথিদের কাছে ‘সেইফ প্যাসেজ’ নিশ্চিত করে সৌদিকে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি: যুক্তরাষ্ট্রের “জিরো-সাম গেইম” যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের বিবৃতি: ক্যাঙ্গারু কোর্টে আওয়ামী লীগের ৭ নেতার রায়ের তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ একইদিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ফাটল হাতবোমা: জড়িত কারা, বুঝতে পারছে না পুলিশ পাকিস্তানে পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৫ পুলিশসহ নিহত অন্তত ২৭ আন্তর্জাতিক ফুটবল চালিয়ে যাবেন রোনালদো, আছেন নেশন্স লীগের পর্তুগাল স্কোয়াডে ফোন ফেরত না পেয়ে আইসিসির কাছে রিজওয়ান