ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
হুথিদের কাছে ‘সেইফ প্যাসেজ’ নিশ্চিত করে সৌদিকে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি: যুক্তরাষ্ট্রের “জিরো-সাম গেইম”
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট সম্প্রতি সৌদি আরবকে প্রায় ২৪.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এই চুক্তি কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এর আগে চলতি বছরেই সৌদিকে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলারের বোমা, নির্ভুল গাইডেন্স কিট ও ট্যাংক ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই অস্ত্র বিক্রির খবর এমন সময়ে এসেছে, যখন ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও লোহিত সাগরের নৌপথে আক্রমণ বাড়িয়েছে। হুথিরা সম্প্রতি বাব আল-মান্দাব প্রণালীর কাছে কৌশলগত অঞ্চল দখলের দাবি করেছে এবং সৌদি বিমান গুলি করে নামানোর দাবিও করেছে।
মার্কিন প্রশাসন সৌদি আরবের অনুরোধ সত্ত্বেও হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ বা
বিমান হামলায় যোগ দিতে রাজি হয়নি। পরিবর্তে গোয়েন্দা তথ্য ও টার্গেটিং সহায়তা দিচ্ছে এবং অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। একই সময়ে মার্কিন কর্মকর্তারা ওমানে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। সেখানে হুথিরা মার্কিন জাহাজ আক্রমণ না করার এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি মানার কথা জানিয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে মার্কিন নৌ-পথ তুলনামূলক নিরাপদ থাকছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র দুই দিক থেকেই লাভবান হচ্ছে। একদিকে হুথিদের সঙ্গে নিরাপদ পথের সমঝোতায় নিজের সামরিক সম্পদ ও নৌ-পথ রক্ষা করছে। অন্যদিকে সৌদি আরবকে আধুনিক যুদ্ধবিমান ও অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি করে অর্থনৈতিক লাভ ও প্রতিরক্ষা শিল্পের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করছে। স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, এই বিক্রি সৌদির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে এবং
মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় উন্নত করবে, তবে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্য নষ্ট করবে না। সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে এফ-৩৫ চাইছিল। ২০২৫ সালেও যুক্তরাষ্ট্র সৌদির সঙ্গে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের বড় অস্ত্র চুক্তির কথা ঘোষণা করেছিল। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-কেন্দ্রিক সংঘাত ও হুথি হামলার পটভূমিতে এই নতুন চুক্তি সৌদির সামরিক শক্তি বাড়াতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে অস্ত্র সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থ রক্ষা করছে, আর সৌদি আরব হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে।
বিমান হামলায় যোগ দিতে রাজি হয়নি। পরিবর্তে গোয়েন্দা তথ্য ও টার্গেটিং সহায়তা দিচ্ছে এবং অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। একই সময়ে মার্কিন কর্মকর্তারা ওমানে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। সেখানে হুথিরা মার্কিন জাহাজ আক্রমণ না করার এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি মানার কথা জানিয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে মার্কিন নৌ-পথ তুলনামূলক নিরাপদ থাকছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র দুই দিক থেকেই লাভবান হচ্ছে। একদিকে হুথিদের সঙ্গে নিরাপদ পথের সমঝোতায় নিজের সামরিক সম্পদ ও নৌ-পথ রক্ষা করছে। অন্যদিকে সৌদি আরবকে আধুনিক যুদ্ধবিমান ও অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি করে অর্থনৈতিক লাভ ও প্রতিরক্ষা শিল্পের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করছে। স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, এই বিক্রি সৌদির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে এবং
মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় উন্নত করবে, তবে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্য নষ্ট করবে না। সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে এফ-৩৫ চাইছিল। ২০২৫ সালেও যুক্তরাষ্ট্র সৌদির সঙ্গে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের বড় অস্ত্র চুক্তির কথা ঘোষণা করেছিল। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-কেন্দ্রিক সংঘাত ও হুথি হামলার পটভূমিতে এই নতুন চুক্তি সৌদির সামরিক শক্তি বাড়াতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে অস্ত্র সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থ রক্ষা করছে, আর সৌদি আরব হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে।





