ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমারে জান্তাকে গ্রাহকদের গোপন তথ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফেঁসে গেল টেলিনর
পেশাদার সন্ত্রাসীরা নিয়ন্ত্রণহীন
মেট্রোরেলে এডিবির চেয়ে দ্বিগুণ খরচ জাপানের
মানবতাবিরোধী অপরাধে জাফর ইকবালসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস ওআইসির
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: কাজ না করেই টাকা উত্তোলন, টিআর-কাবিখার ৩১৮ প্রকল্পে মহা লুটপাট!
জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত নিটওয়্যার খাত: ৫৫% কারখানার রপ্তানি আদেশ বাতিল বা হ্রাস
বন্ধ মিলে ১১৯ টন চালের কারসাজি: অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারের বিপুল অঙ্কের চুক্তি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় সরকারকে চাল সরবরাহ করা হচ্ছে এমন সব চালকল থেকে, যেগুলোর বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই অথবা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ পড়ে আছে। এমন অনিয়ম চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।
অভিযোগ রয়েছে, একটি অসাধু সিন্ডিকেট খাদ্য বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ করে ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে।
এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা এলাকার আনোয়ারা সেমি অটো চালকল, যেটি বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পুরোপুরি বন্ধ। এর চাতাল ও ভবন আগাছায় ভরে গেছে এবং সেখানে হাউজ, বয়লার বা বিদ্যুৎ সংযোগের কোনো অস্তিত্ব নেই।
অবাক করা বিষয় হলো, সরকারের পক্ষ থেকে এ বছর এই অকার্যকর মিলটি থেকেই ১১৯
টন চাল ক্রয় করা হচ্ছে। উপজেলার আরও বেশ কয়েকটি চালকল, যেমন- লুৎফা অটো রাইস মিল, ওমর সেমি অটো রাইস মিল এবং সৌরভ অটো রাইস মিলের চিত্রও হুবহু এক। এসব মিলের কোথাও চাতাল কাঠের গুঁড়া শুকানোর কাজে ভাড়া দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও চলছে মুরগির খামার। এমনকি কোনো কোনো গুদামের ভেতরে গরুর খামারও গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকার বছরের পর বছর ধরে অচল থাকা এসব চালকলের সঙ্গেই অবলীলায় চাল কেনার চুক্তি করে চলেছে। এই অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং তিনি এর দায় চাপিয়েছেন উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের প্রতিনিধির ওপর। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. সিরাজুল
ইসলাম জানান, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। তবে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা খাদ্য পরিদর্শকই সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন।” অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, “এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর রায়গঞ্জ এলাকার পাঁচটি চালকলের লাইসেন্স ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।” উল্লেখ্য, সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে রায়গঞ্জ উপজেলার মোট ১৩৭টি চালকলের সাথে চাল সরবরাহের চুক্তি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮৮ কোটি টাকা।
টন চাল ক্রয় করা হচ্ছে। উপজেলার আরও বেশ কয়েকটি চালকল, যেমন- লুৎফা অটো রাইস মিল, ওমর সেমি অটো রাইস মিল এবং সৌরভ অটো রাইস মিলের চিত্রও হুবহু এক। এসব মিলের কোথাও চাতাল কাঠের গুঁড়া শুকানোর কাজে ভাড়া দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও চলছে মুরগির খামার। এমনকি কোনো কোনো গুদামের ভেতরে গরুর খামারও গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকার বছরের পর বছর ধরে অচল থাকা এসব চালকলের সঙ্গেই অবলীলায় চাল কেনার চুক্তি করে চলেছে। এই অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং তিনি এর দায় চাপিয়েছেন উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের প্রতিনিধির ওপর। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. সিরাজুল
ইসলাম জানান, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। তবে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা খাদ্য পরিদর্শকই সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন।” অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, “এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর রায়গঞ্জ এলাকার পাঁচটি চালকলের লাইসেন্স ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।” উল্লেখ্য, সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে রায়গঞ্জ উপজেলার মোট ১৩৭টি চালকলের সাথে চাল সরবরাহের চুক্তি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮৮ কোটি টাকা।



