ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আয়কর রিটার্ন জমায় যে ৫ ভুল করলে পড়তে হবে প্রশ্নের মুখে
নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারিতে দেরি হচ্ছে কেন?
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সুইস ব্যাংকেও টাকা রাখার অভিযোগ
রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক
ভারতকে টপকে যুক্তরাষ্ট্র এখন আমদানি পণ্যে দ্বিতীয় স্থানে, প্রথমে চীন
আসিফ নজরুলের ছাগল দুইটাই খাওয়া উচিত ছিল: পাটওয়ারী
অনুসন্ধানে দুদক: এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি পাচারের অভিযোগ
“আমাকে টার্গেট করা হয়েছে” — WHO বিতর্কে নীরবতা ভাঙলেন সায়মা ওয়াজেদ
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ দীর্ঘ প্রায় এক বছরের নীরবতা ভেঙে দ্য পাইওনিয়ারকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে টার্গেট করা হয়েছে।
সায়মা ওয়াজেদ জানান, চীনে তাঁর সফর সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে WHO যে তদন্ত পরিচালনা করেছিল, তা ইতিমধ্যে “ভিত্তিহীন” বলে সংস্থাটি নিজেই সমাপ্ত করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি বছরের আগস্ট মাসে এই সিদ্ধান্তের কথা তাঁকে জানানো হয় এবং প্রতিবেদনটি WHO’র মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসুসের কাছে পাঠানো হলেও এরপর তাঁর সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালে তাঁর মা শেখ হাসিনার সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পর জালিয়াতি, শিক্ষাগত
সনদ ও জমি-সংক্রান্ত অভিযোগ তুলে তাঁকে ছুটিতে পাঠানো হয়। ডিসেম্বর ২০২৫-এ তাঁর বেতনসহ ছুটি বেতনবিহীন ছুটিতে রূপান্তরিত করা হয়— যা তিনি “প্রতিহিংসামূলক” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, এই সিদ্ধান্ত কোনো প্রমাণ বা যথাযথ কারণ ছাড়াই এবং WHO’র নিজস্ব নিয়ম-প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে নেওয়া হয়েছিল। সায়মা ওয়াজেদ আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অনুরোধে সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে তাঁকে বেতনসহ ছুটিতে পাঠানো হয়, যা জানুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা ছিল। ছুটি বেতনবিহীন করার মাত্র দশ দিন আগে তিনি ডিরেক্টর-জেনারেলের কার্যালয় থেকে গোপনীয় নথি ফাঁসের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিলেন বলে জানান— যা থেকে তিনি ইঙ্গিত দেন যে দুটি ঘটনার মধ্যে সংযোগ থাকতে পারে। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, পারিবারিক
রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে পদ থেকে বঞ্চিত করা কি সেই ব্যক্তির পেশাগত মানবাধিকার ও পেশা বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা লঙ্ঘনের শামিল নয়— বিশেষ করে যেখানে ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদের মনোনয়নে কোনো বাধা তৈরি হয় না। রয়টার্সের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান, লিংকডইনে সরাসরি জবাব এই সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি, রয়টার্সে প্রকাশিত তাঁর পদত্যাগ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সায়মা ওয়াজেদ সম্প্রতি লিংকডইনে একটি পোস্টের মাধ্যমে কড়া জবাব দেন। তিনি লেখেন, যেকোনো বক্তব্য দেওয়ার আগে WHO’র সঙ্গে তথ্য যাচাই করা উচিত ছিল। তাঁর দাবি— চীনে তিনি আদৌ ভ্রমণ করেননি বলে জালিয়াতির অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, এবং তাঁর শিক্ষাগত সনদ বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি পাঠকদের
তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই তালিকা দেখে শিক্ষাগত তথ্য যাচাই করারও আহ্বান জানান। সায়মা ওয়াজেদ স্পষ্ট করেন যে তিনি নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছেন, কারণ তিনি এমন নেতৃত্বে বিশ্বাসী নন যা মিথ্যা ও গুজব ছড়ায়। তিনি সরাসরি WHO’র মহাপরিচালক তেদ্রোসের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি, অপমান ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলেন এবং জানান, প্রায় এক বছর ধরে আয়হীন অবস্থায় তিনি চরম নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, এখন তিনি মানসিক স্বাস্থ্য, অটিজম ও প্রতিবন্ধী অধিকারের পক্ষে তাঁর পূর্বের কাজে ফিরে যেতে চান, যা তিনি সবসময় করে এসেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ পাঁচ বছর মেয়াদে WHO দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন, বাংলাদেশ থেকে প্রথম ও
দ্বিতীয় নারী হিসেবে এই পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার রেকর্ড গড়েন। WHO এখনো পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে সব তদন্ত অভিযোগবিহীনভাবে সমাপ্ত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি।
সনদ ও জমি-সংক্রান্ত অভিযোগ তুলে তাঁকে ছুটিতে পাঠানো হয়। ডিসেম্বর ২০২৫-এ তাঁর বেতনসহ ছুটি বেতনবিহীন ছুটিতে রূপান্তরিত করা হয়— যা তিনি “প্রতিহিংসামূলক” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, এই সিদ্ধান্ত কোনো প্রমাণ বা যথাযথ কারণ ছাড়াই এবং WHO’র নিজস্ব নিয়ম-প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে নেওয়া হয়েছিল। সায়মা ওয়াজেদ আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অনুরোধে সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে তাঁকে বেতনসহ ছুটিতে পাঠানো হয়, যা জানুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা ছিল। ছুটি বেতনবিহীন করার মাত্র দশ দিন আগে তিনি ডিরেক্টর-জেনারেলের কার্যালয় থেকে গোপনীয় নথি ফাঁসের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিলেন বলে জানান— যা থেকে তিনি ইঙ্গিত দেন যে দুটি ঘটনার মধ্যে সংযোগ থাকতে পারে। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, পারিবারিক
রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে পদ থেকে বঞ্চিত করা কি সেই ব্যক্তির পেশাগত মানবাধিকার ও পেশা বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা লঙ্ঘনের শামিল নয়— বিশেষ করে যেখানে ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদের মনোনয়নে কোনো বাধা তৈরি হয় না। রয়টার্সের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান, লিংকডইনে সরাসরি জবাব এই সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি, রয়টার্সে প্রকাশিত তাঁর পদত্যাগ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সায়মা ওয়াজেদ সম্প্রতি লিংকডইনে একটি পোস্টের মাধ্যমে কড়া জবাব দেন। তিনি লেখেন, যেকোনো বক্তব্য দেওয়ার আগে WHO’র সঙ্গে তথ্য যাচাই করা উচিত ছিল। তাঁর দাবি— চীনে তিনি আদৌ ভ্রমণ করেননি বলে জালিয়াতির অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, এবং তাঁর শিক্ষাগত সনদ বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি পাঠকদের
তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই তালিকা দেখে শিক্ষাগত তথ্য যাচাই করারও আহ্বান জানান। সায়মা ওয়াজেদ স্পষ্ট করেন যে তিনি নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছেন, কারণ তিনি এমন নেতৃত্বে বিশ্বাসী নন যা মিথ্যা ও গুজব ছড়ায়। তিনি সরাসরি WHO’র মহাপরিচালক তেদ্রোসের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি, অপমান ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলেন এবং জানান, প্রায় এক বছর ধরে আয়হীন অবস্থায় তিনি চরম নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, এখন তিনি মানসিক স্বাস্থ্য, অটিজম ও প্রতিবন্ধী অধিকারের পক্ষে তাঁর পূর্বের কাজে ফিরে যেতে চান, যা তিনি সবসময় করে এসেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ পাঁচ বছর মেয়াদে WHO দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন, বাংলাদেশ থেকে প্রথম ও
দ্বিতীয় নারী হিসেবে এই পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার রেকর্ড গড়েন। WHO এখনো পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে সব তদন্ত অভিযোগবিহীনভাবে সমাপ্ত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি।



