ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ
ডিভিসি ও কংসাবতী বাঁধের পানি ছাড়ায় পশ্চিমবঙ্গে বন্যার শঙ্কা
ইরানে ‘যখন খুশি’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের
২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা
ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা,বাড়ছে উত্তেজনা
আল-আকসা মসজিদে ৫,২০৯ জন ইসরাইলি দখলদারের হানা, ২ ফিলিস্তিনি নিহত
নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে কাতারের এলএনজি সরবরাহ স্থগিত
হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা, ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ
উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত আবারও তীব্র রূপ নিয়েছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা হরমুজ প্রণালী থেকে সমুদ্র মাইন অপসারণ করেছে। এরপর রোববার সেন্টকম দাবি করে, ছোট্ট লারাক দ্বীপে ইরানি বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে তারা, কারণ ইরানিরা মিসাইলের মাধ্যমে নতুন করে সমুদ্র মাইন বসানোর চেষ্টা করছিল।
এরপর থেকেই শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতা। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, কং এবং চাবাহারে হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইরান জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়।
উপরিভাগে বিষয়টি সাধারণ পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের মতো মনে হলেও এর ভেতরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক লক্ষ্যণীয়।
প্রথমত, ইরান দাবি করছে তাদের কাছে ফাজর-৫ ধরনের একটি মিসাইল
রয়েছে, যা দিয়ে সমুদ্র মাইন স্থাপন সম্ভব। তবে বেশিরভাগ সামরিক বিশ্লেষক এই দাবি নিয়ে সন্দিহান, কারণ মিসাইলের মাধ্যমে মাইন পাঠানো হলে অবতরণের সময় সেটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে যদি সত্যিই এই সক্ষমতা ইরানের থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রণালী থেকে মাইন সরালেও ইরান আবার সহজেই তা পুনঃস্থাপন করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, লক্ষ্য করা গেছে যে উভয় পক্ষই দ্রুত সামরিক পদক্ষেপে ঝুঁকে পড়ছে। তৃতীয়ত, এই সংঘাত মূলত অসম প্রকৃতির— যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোয় আঘাত হানছে, আর ইরান প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে গোটা অঞ্চল ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলে এমন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো চতুর্থ বিষয়টি— সাংবাদিকদের সূত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সাল
থেকে রাশিয়া ইরানকে র্যামজেট ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। এই ধরনের অত্যাধুনিক ইঞ্জিনযুক্ত মিসাইল শব্দের গতির দুই থেকে তিন গুণ বেগে ছুটতে সক্ষম, যা একে কার্যকর জাহাজ-বিধ্বংসী অস্ত্রে পরিণত করে। ইরান দাবি করেছে, তারা ইতিমধ্যে রাশিয়ার সহায়তায় তৈরি এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে। আগামী বছরের মধ্যে যদি ইরান এই অস্ত্র পুরোদমে মোতায়েন করতে সক্ষম হয়, তাহলে আরব সাগরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবহর, এমনকি বিমানবাহী রণতরীও এর হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধের একটি কৌশলগত বাস্তবতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে— কোনো পক্ষই সামরিকভাবে সম্পূর্ণ পরাজিত হচ্ছে না, তবে কেউই এই সামরিক অজেয়তাকে রাজনৈতিক লাভে রূপান্তরিত করতে পারছে না। ফলে যুদ্ধ
রাজনৈতিকভাবে কীভাবে শেষ হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উভয় পক্ষেরই এখন থামার এবং “বিজয়” বলতে আসলে কী বোঝায়, তা নতুন করে ভেবে দেখার সময় এসেছে।
রয়েছে, যা দিয়ে সমুদ্র মাইন স্থাপন সম্ভব। তবে বেশিরভাগ সামরিক বিশ্লেষক এই দাবি নিয়ে সন্দিহান, কারণ মিসাইলের মাধ্যমে মাইন পাঠানো হলে অবতরণের সময় সেটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে যদি সত্যিই এই সক্ষমতা ইরানের থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রণালী থেকে মাইন সরালেও ইরান আবার সহজেই তা পুনঃস্থাপন করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, লক্ষ্য করা গেছে যে উভয় পক্ষই দ্রুত সামরিক পদক্ষেপে ঝুঁকে পড়ছে। তৃতীয়ত, এই সংঘাত মূলত অসম প্রকৃতির— যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোয় আঘাত হানছে, আর ইরান প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে গোটা অঞ্চল ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলে এমন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো চতুর্থ বিষয়টি— সাংবাদিকদের সূত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সাল
থেকে রাশিয়া ইরানকে র্যামজেট ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। এই ধরনের অত্যাধুনিক ইঞ্জিনযুক্ত মিসাইল শব্দের গতির দুই থেকে তিন গুণ বেগে ছুটতে সক্ষম, যা একে কার্যকর জাহাজ-বিধ্বংসী অস্ত্রে পরিণত করে। ইরান দাবি করেছে, তারা ইতিমধ্যে রাশিয়ার সহায়তায় তৈরি এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে। আগামী বছরের মধ্যে যদি ইরান এই অস্ত্র পুরোদমে মোতায়েন করতে সক্ষম হয়, তাহলে আরব সাগরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবহর, এমনকি বিমানবাহী রণতরীও এর হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধের একটি কৌশলগত বাস্তবতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে— কোনো পক্ষই সামরিকভাবে সম্পূর্ণ পরাজিত হচ্ছে না, তবে কেউই এই সামরিক অজেয়তাকে রাজনৈতিক লাভে রূপান্তরিত করতে পারছে না। ফলে যুদ্ধ
রাজনৈতিকভাবে কীভাবে শেষ হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উভয় পক্ষেরই এখন থামার এবং “বিজয়” বলতে আসলে কী বোঝায়, তা নতুন করে ভেবে দেখার সময় এসেছে।



