ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেপালের সেনাবাহিনীর জেনারেল হলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান
ফিলিপাইনের স্কুলে শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত ৪
ওভাল অফিসে ট্রাম্পের কটাক্ষের মুখে নারী সাংবাদিক
ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ
বাংলাদেশ-পাকিস্তান-আফগানিস্তান এক দিন ভারতের অংশ হবে: রামদেব
হামাসের সঙ্গে বিরল আলোচনা শেষে ইসরাইল কুশনার
নেতানিয়াহুর নির্বাচনি পোস্টারে খামেনি-এরদোয়ান-মামদানি, নেপথ্যে কী?
প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী-সন্তানকে হত্যা করলেন স্ত্রী
ভারতের উত্তর বেঙ্গালুরুর চিক্কাবানাবারা এলাকায় ৩৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তি ও তার পাঁচ বছর বয়সি শিশুপুত্রের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় উন্মোচিত হয়েছে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের চক্রান্ত। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত নারী তার কথিত প্রেমিকের সহায়তায় নিজের স্বামী ও সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন। খবর এনডিটিভির।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির নাম অভিনন্দন (৩৪) এবং তার পাঁচ বছরের শিশুপুত্রের নাম যদুবীর। ঘটনার রাতে শোয়ার ব্যবস্থা নিয়ে দম্পতির মধ্যে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত নারী হারিণী কাঠের হাতা বা চামচ দিয়ে অভিনন্দনকে আঘাত করেন। এরপর তারা পৃথক দুটি কক্ষে শুতে যান।
তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার পর হারিণী তার কথিত প্রেমিক বিনয়কে
বাড়িতে ডেকে পাঠান। পরবর্তীতে তারা দুজন মিলে অভিনন্দনের ওপর হামলা চালান এবং বালিশ চাপা দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এ সময় শিশু যদুবীর ঘুম থেকে জেগে উঠলে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করছে পুলিশ। অপরাধ ঢাকতে অভিযুক্তরা ঘরের রক্তের দাগ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে এবং বাড়ির পাশের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো বন্ধ করে রাখে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ হারিণীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্যসমূহ সামনে আসে। বর্তমানে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় পলাতক রয়েছে। কনকপুরার কাছে হেরোহাল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত
শেষে তাদের পৈতৃক গ্রামে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বিনয়কে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
বাড়িতে ডেকে পাঠান। পরবর্তীতে তারা দুজন মিলে অভিনন্দনের ওপর হামলা চালান এবং বালিশ চাপা দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এ সময় শিশু যদুবীর ঘুম থেকে জেগে উঠলে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করছে পুলিশ। অপরাধ ঢাকতে অভিযুক্তরা ঘরের রক্তের দাগ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে এবং বাড়ির পাশের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো বন্ধ করে রাখে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ হারিণীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্যসমূহ সামনে আসে। বর্তমানে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় পলাতক রয়েছে। কনকপুরার কাছে হেরোহাল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত
শেষে তাদের পৈতৃক গ্রামে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বিনয়কে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।



