ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ”
শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষের মাঝেই ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চাইল বাংলাদেশ
আইসিউতেও হাতকড়া থেকে মুক্তি মেলেনি যার, সেই আওয়ামী লীগ নেতার চিরমুক্তি মিলল মৃত্যুতে
জুলাই কনসার্টে হাসানের ওপর মূত্রভর্তি বোতল নিক্ষেপ, ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান
‘অর্ধেক সাংবাদিক কারাগারে, জামিন নেই, কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে গণমাধ্যমের’—সজীব ওয়াজেদ জয়ের তীব্র ক্ষোভ
‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ কর্মীদের হত্যা করা এখন বৈধ!’— চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জয়ের
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল শেখ হাসিনার নয়াদিল্লির সংবাদ সম্মেলন: বিশ্বব্যাপী বিপুল কভারেজ
তীব্র জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন: ৪ দিনের ছুটি গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা
দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল গাজীপুরে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
এ পরিস্থিতিতে জেলার প্রায় ২০ শতাংশ শিল্পকারখানা সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে টানা চার দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। ফলে একদিকে হাজার হাজার পোশাকশ্রমিক গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন, অন্যদিকে শিল্পমালিকদের মধ্যে উৎপাদন, রপ্তানি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত গ্যাস সংকট কাটিয়ে ওঠা না গেলে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
চার দিনের ছুটিকে ঘিরে মঙ্গলবার রাত থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড়, কোনাবাড়ী, সফিপুর, ভোগড়া এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন
স্থানে ঘরমুখো শ্রমিকদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। উত্তরাঞ্চলগামী বাসগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ তৈরি হয়। ছুটির সুযোগে বহু শ্রমিক পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকার গোমতী টেক্সটাইলের শ্রমিক মারুফ বলেন, কাজ না থাকলে কারখানায় বসে থাকার চেয়ে বাড়ি যাওয়াই ভালো। তবে সংকট দ্রুত সমাধান করে উৎপাদন স্বাভাবিক করা জরুরি, কারণ কারখানা সচল থাকলেই শ্রমিকদের আয় নিশ্চিত হবে। বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কয়েক ঘণ্টা পরপর উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে, আবার কোথাও গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে বয়লার চালানোই সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক শ্রমিক নির্ধারিত সময়ের আগেই কর্মস্থল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, সংকট
দীর্ঘায়িত হলে কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানও হুমকির মুখে পড়বে। গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, সরকারি ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে জেলার প্রায় ২০ শতাংশ কারখানায় চার দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপদ যাতায়াত ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক জাফর আলী বলেন, মঙ্গলবার রাত থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল করছে। ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ রাখা কারখানাগুলোর অধিকাংশই তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, নিটিং, ডাইং ও ওয়াশিং খাতের। এসব শিল্প পুরোপুরি গ্যাসনির্ভর হওয়ায় পর্যাপ্ত
সরবরাহ না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন সীমিত করেছে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। গাজীপুরে কয়েক হাজার তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, স্পিনিং, ডাইং, ওয়াশিং, সিরামিক, প্লাস্টিক, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানা রয়েছে। প্রতিদিন লাখো শ্রমিক এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এই অঞ্চল থেকে। ফলে গ্যাস সংকটের প্রভাব শুধু স্থানীয় শিল্পেই সীমাবদ্ধ নয়; জাতীয় অর্থনীতিতেও এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। শিল্পমালিকরা জানান, এতদিন বিকল্প উপায়ে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এখন অনেক কারখানাই উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। কোথাও উৎপাদন লাইন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও সীমিতসংখ্যক মেশিন চালিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভোগড়া এলাকার স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান
মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে নতুন ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে সরকারি ছুটির মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত উৎপাদন স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কোনাবাড়ীর পিএন কম্পোজিট কারখানার ব্যবস্থাপক তাপস পাল বলেন, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গাজীপুরে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায়
২০০ মিলিয়ন ঘনফুট বা মোট চাহিদার প্রায় ৪৫ শতাংশ গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতির কারণে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় প্রয়োজনীয় চাপ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না এবং দিনের বেলায় উৎপাদন সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে। তিতাস গ্যাসের সিস্টেম অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখার ব্যবস্থাপক মো. সাইফুজ্জামান জানান, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও টঙ্গী বিসিক শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতিবিদ ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত গ্যাস সংকটের সমাধান না হলে উৎপাদন, রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ পরিবেশ একসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ না পেলে বিদেশি ক্রেতারা বিকল্প বাজারে ঝুঁকতে পারেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে
পারে। অন্যদিকে চার দিনের ছুটিতে শ্রমিকরা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের উদ্বেগ কাটেনি। কারখানাগুলো দ্রুত স্বাভাবিকভাবে চালু না হলে আয় কমে যাওয়া, কর্মঘণ্টা হ্রাস এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এই শিল্পখাতকে সচল রাখতে শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় উৎপাদন, রপ্তানি এবং কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানে ঘরমুখো শ্রমিকদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। উত্তরাঞ্চলগামী বাসগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ তৈরি হয়। ছুটির সুযোগে বহু শ্রমিক পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকার গোমতী টেক্সটাইলের শ্রমিক মারুফ বলেন, কাজ না থাকলে কারখানায় বসে থাকার চেয়ে বাড়ি যাওয়াই ভালো। তবে সংকট দ্রুত সমাধান করে উৎপাদন স্বাভাবিক করা জরুরি, কারণ কারখানা সচল থাকলেই শ্রমিকদের আয় নিশ্চিত হবে। বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কয়েক ঘণ্টা পরপর উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে, আবার কোথাও গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে বয়লার চালানোই সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক শ্রমিক নির্ধারিত সময়ের আগেই কর্মস্থল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, সংকট
দীর্ঘায়িত হলে কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানও হুমকির মুখে পড়বে। গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, সরকারি ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে জেলার প্রায় ২০ শতাংশ কারখানায় চার দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপদ যাতায়াত ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক জাফর আলী বলেন, মঙ্গলবার রাত থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল করছে। ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ রাখা কারখানাগুলোর অধিকাংশই তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, নিটিং, ডাইং ও ওয়াশিং খাতের। এসব শিল্প পুরোপুরি গ্যাসনির্ভর হওয়ায় পর্যাপ্ত
সরবরাহ না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন সীমিত করেছে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। গাজীপুরে কয়েক হাজার তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, স্পিনিং, ডাইং, ওয়াশিং, সিরামিক, প্লাস্টিক, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানা রয়েছে। প্রতিদিন লাখো শ্রমিক এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এই অঞ্চল থেকে। ফলে গ্যাস সংকটের প্রভাব শুধু স্থানীয় শিল্পেই সীমাবদ্ধ নয়; জাতীয় অর্থনীতিতেও এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। শিল্পমালিকরা জানান, এতদিন বিকল্প উপায়ে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এখন অনেক কারখানাই উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। কোথাও উৎপাদন লাইন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও সীমিতসংখ্যক মেশিন চালিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভোগড়া এলাকার স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান
মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে নতুন ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে সরকারি ছুটির মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত উৎপাদন স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কোনাবাড়ীর পিএন কম্পোজিট কারখানার ব্যবস্থাপক তাপস পাল বলেন, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গাজীপুরে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায়
২০০ মিলিয়ন ঘনফুট বা মোট চাহিদার প্রায় ৪৫ শতাংশ গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতির কারণে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় প্রয়োজনীয় চাপ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না এবং দিনের বেলায় উৎপাদন সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে। তিতাস গ্যাসের সিস্টেম অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখার ব্যবস্থাপক মো. সাইফুজ্জামান জানান, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও টঙ্গী বিসিক শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতিবিদ ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত গ্যাস সংকটের সমাধান না হলে উৎপাদন, রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ পরিবেশ একসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ না পেলে বিদেশি ক্রেতারা বিকল্প বাজারে ঝুঁকতে পারেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে
পারে। অন্যদিকে চার দিনের ছুটিতে শ্রমিকরা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের উদ্বেগ কাটেনি। কারখানাগুলো দ্রুত স্বাভাবিকভাবে চালু না হলে আয় কমে যাওয়া, কর্মঘণ্টা হ্রাস এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এই শিল্পখাতকে সচল রাখতে শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় উৎপাদন, রপ্তানি এবং কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



