ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ”
তীব্র জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন: ৪ দিনের ছুটি গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা
শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষের মাঝেই ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চাইল বাংলাদেশ
আইসিউতেও হাতকড়া থেকে মুক্তি মেলেনি যার, সেই আওয়ামী লীগ নেতার চিরমুক্তি মিলল মৃত্যুতে
জুলাই কনসার্টে হাসানের ওপর মূত্রভর্তি বোতল নিক্ষেপ, ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান
‘অর্ধেক সাংবাদিক কারাগারে, জামিন নেই, কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে গণমাধ্যমের’—সজীব ওয়াজেদ জয়ের তীব্র ক্ষোভ
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল শেখ হাসিনার নয়াদিল্লির সংবাদ সম্মেলন: বিশ্বব্যাপী বিপুল কভারেজ
‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ কর্মীদের হত্যা করা এখন বৈধ!’— চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জয়ের
দিল্লিতে ফরেন করসপন্ডেন্স ক্লাবে গতকাল সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর চলমান হত্যা, জেল-জুলুম ও পুলিশি নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে হাজার হাজার, এমনকি কয়েক হাজার মানুষকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “এদের বেশিরভাগকেই কোনো বিচার ছাড়া, যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া এবং জামিন ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে। অনেকেরই বয়স ৮০-এর কোঠায়। তাদের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ছে। অনেকেই পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। শুধু তাই নয়, পুলিশ হেফাজতে হত্যা অব্যাহত রয়েছে। আমরা এগুলো নথিভুক্ত করেছি। আমাদের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে পূর্ণ তালিকা দেওয়া
আছে—নাম, কখন, কোন কারাগারে এবং কার হেফাজতে মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, “মৃতদের অধিকাংশই তরুণ ছিলেন। তাদের মৃত্যুর কোনো কারণ ছিল না। তারা সবাই ইউনূস সরকারের হাতে বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হয়েছেন। এই হত্যা এখনো চলছে—কারাগারের বাইরেও। ইউনূস শাসনামলে এবং এখনো আমাদের দলের সদস্যদের শিকার করে হত্যা করা হচ্ছে। প্রতি কয়েক সপ্তাহে কোথাও না কোথাও কেউ না কেউ নিহত হচ্ছেন। কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া নেই। পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। আর সরকার এই হত্যাকারীদের রক্ষা করছে।” সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভাষায়, “২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকে বৈধ করে দেওয়া হয়েছে। এটাই আজকের বাংলাদেশ।” এই বক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর চলমান নিপীড়ন, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
এবং রাজনৈতিক হত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরেছেন। ইতিমধ্যে এই সংবাদ সন্মেলনটি সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ দেখেছেন। রয়টার্স, রয়টার্স ইউকেসহ আন্তর্জাতিক অনেক গণমাধ্যম অনুষ্ঠানটি লাইভ প্রচার করেছে। সংবাদ সন্মেলনে উত্থাপন করা বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে।
আছে—নাম, কখন, কোন কারাগারে এবং কার হেফাজতে মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, “মৃতদের অধিকাংশই তরুণ ছিলেন। তাদের মৃত্যুর কোনো কারণ ছিল না। তারা সবাই ইউনূস সরকারের হাতে বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হয়েছেন। এই হত্যা এখনো চলছে—কারাগারের বাইরেও। ইউনূস শাসনামলে এবং এখনো আমাদের দলের সদস্যদের শিকার করে হত্যা করা হচ্ছে। প্রতি কয়েক সপ্তাহে কোথাও না কোথাও কেউ না কেউ নিহত হচ্ছেন। কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া নেই। পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। আর সরকার এই হত্যাকারীদের রক্ষা করছে।” সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভাষায়, “২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকে বৈধ করে দেওয়া হয়েছে। এটাই আজকের বাংলাদেশ।” এই বক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর চলমান নিপীড়ন, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
এবং রাজনৈতিক হত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরেছেন। ইতিমধ্যে এই সংবাদ সন্মেলনটি সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ দেখেছেন। রয়টার্স, রয়টার্স ইউকেসহ আন্তর্জাতিক অনেক গণমাধ্যম অনুষ্ঠানটি লাইভ প্রচার করেছে। সংবাদ সন্মেলনে উত্থাপন করা বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে।



