ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ”
তীব্র জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন: ৪ দিনের ছুটি গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা
শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষের মাঝেই ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চাইল বাংলাদেশ
জুলাই কনসার্টে হাসানের ওপর মূত্রভর্তি বোতল নিক্ষেপ, ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান
‘অর্ধেক সাংবাদিক কারাগারে, জামিন নেই, কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে গণমাধ্যমের’—সজীব ওয়াজেদ জয়ের তীব্র ক্ষোভ
‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ কর্মীদের হত্যা করা এখন বৈধ!’— চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জয়ের
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল শেখ হাসিনার নয়াদিল্লির সংবাদ সম্মেলন: বিশ্বব্যাপী বিপুল কভারেজ
আইসিউতেও হাতকড়া থেকে মুক্তি মেলেনি যার, সেই আওয়ামী লীগ নেতার চিরমুক্তি মিলল মৃত্যুতে
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মিজানুর রহমান মনির, যিনি মনির খান নামেও পরিচিত।
৫ই আগস্ট, বুধবার বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার হাতে হাতকড়া থাকার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি আবারও আলোচনায় এসেছে।
৪৮ বছর বয়সী মিজানুর রহমান পটুয়াখালী সদর উপজেলার বহালগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
তিনি সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
পাশাপাশি বাংলাদেশ পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় ফেডারেশনের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুনে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে মোট ৮টি মামলা হয়। মৃত্যুর ৭ দিন আগে, ৩০শে জুলাই, সর্বশেষ মামলাতেও তিনি জামিন লাভ করেন। মিজানুর রহমানের ভাগনে সিরাজ মুন্সীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সহিংসতার ভয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে গত বছরের ১৪ই সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিন্টু রোড এলাকা থেকে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ঢাকায় ছয়টি এবং পটুয়াখালী সদরে দুটি—মোট ৮টি মামলায় তাকে আসামি করা হয়। একাধিক মামলায় জামিন পেলেও পরবর্তী মামলাগুলোতে গ্রেপ্তার দেখানো হওয়ায় তিনি প্রায় ১১ মাস কারাগারে ছিলেন। সেখানে তার ওপর চালানো হয়
অকথ্য নির্যাতন। শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানান সিরাজ মুন্সী। পরিবারের ভাষ্য, শারীরিক অবস্থা চরম সংকটে পড়ায় গত ৯ই জুন কারাগারে থাকা অবস্থায় মিজানুর রহমান মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০শে জুলাই জামিন পেলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালেই চিকিৎসা চলতে থাকে। অবস্থার আরও অবনতি হলে ১৪ই জুন ঢামেকের ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিভাগের আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং এর দুদিন পর থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। প্রায় দুই মাস আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার বিকেলে তার জীবনাবসান ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তার হাত থেকে হাতকড়া খোলা হয়নি। ডান
হাতে হাতকড়া পরা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। যদিও দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এ ঘট্না নিয়ে কোনো বিবৃতি বা সাড়াশব্দ শোনা যায়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘পান থেকে চুন খসলেই’ বিবৃতির ঝড় বইয়ে দিতো যেসব দেশি-বিদেশি সংস্থা, তাদের এমন নীরবতায় দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও প্রায় এক মাস তার হাতে হাতকড়া ছিল। মিজানুর রহমানের স্ত্রী সালমা জাহান, যিনি কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তার স্বামী স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং পরিবারের
সদস্যদেরও চিনতে পারতেন না। চিকিৎসকেরা যখন জানান রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ, তখন দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তার হাতকড়া খুলে দেন। তবে ততক্ষণে তার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানায় পরিবার। গত সপ্তাহে আইসিইউর সামনে ছেলেকে দেখতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তার মা মাতোয়ারা বেগম। সে সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে জানান, তার ছেলে তাকে আর চিনতে পারছে না। মিজানুর রহমানের চাচা আবদুল কালাম আজাদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার একটি মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উন্নয়ন ও সমবায় ফেডারেশনের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুনে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে মোট ৮টি মামলা হয়। মৃত্যুর ৭ দিন আগে, ৩০শে জুলাই, সর্বশেষ মামলাতেও তিনি জামিন লাভ করেন। মিজানুর রহমানের ভাগনে সিরাজ মুন্সীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সহিংসতার ভয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে গত বছরের ১৪ই সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিন্টু রোড এলাকা থেকে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ঢাকায় ছয়টি এবং পটুয়াখালী সদরে দুটি—মোট ৮টি মামলায় তাকে আসামি করা হয়। একাধিক মামলায় জামিন পেলেও পরবর্তী মামলাগুলোতে গ্রেপ্তার দেখানো হওয়ায় তিনি প্রায় ১১ মাস কারাগারে ছিলেন। সেখানে তার ওপর চালানো হয়
অকথ্য নির্যাতন। শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানান সিরাজ মুন্সী। পরিবারের ভাষ্য, শারীরিক অবস্থা চরম সংকটে পড়ায় গত ৯ই জুন কারাগারে থাকা অবস্থায় মিজানুর রহমান মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০শে জুলাই জামিন পেলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালেই চিকিৎসা চলতে থাকে। অবস্থার আরও অবনতি হলে ১৪ই জুন ঢামেকের ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিভাগের আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং এর দুদিন পর থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। প্রায় দুই মাস আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার বিকেলে তার জীবনাবসান ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তার হাত থেকে হাতকড়া খোলা হয়নি। ডান
হাতে হাতকড়া পরা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। যদিও দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এ ঘট্না নিয়ে কোনো বিবৃতি বা সাড়াশব্দ শোনা যায়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘পান থেকে চুন খসলেই’ বিবৃতির ঝড় বইয়ে দিতো যেসব দেশি-বিদেশি সংস্থা, তাদের এমন নীরবতায় দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও প্রায় এক মাস তার হাতে হাতকড়া ছিল। মিজানুর রহমানের স্ত্রী সালমা জাহান, যিনি কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তার স্বামী স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং পরিবারের
সদস্যদেরও চিনতে পারতেন না। চিকিৎসকেরা যখন জানান রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ, তখন দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তার হাতকড়া খুলে দেন। তবে ততক্ষণে তার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানায় পরিবার। গত সপ্তাহে আইসিইউর সামনে ছেলেকে দেখতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তার মা মাতোয়ারা বেগম। সে সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে জানান, তার ছেলে তাকে আর চিনতে পারছে না। মিজানুর রহমানের চাচা আবদুল কালাম আজাদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার একটি মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।



