ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ”
তীব্র জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন: ৪ দিনের ছুটি গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা
শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষের মাঝেই ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চাইল বাংলাদেশ
আইসিউতেও হাতকড়া থেকে মুক্তি মেলেনি যার, সেই আওয়ামী লীগ নেতার চিরমুক্তি মিলল মৃত্যুতে
জুলাই কনসার্টে হাসানের ওপর মূত্রভর্তি বোতল নিক্ষেপ, ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান
‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ কর্মীদের হত্যা করা এখন বৈধ!’— চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জয়ের
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল শেখ হাসিনার নয়াদিল্লির সংবাদ সম্মেলন: বিশ্বব্যাপী বিপুল কভারেজ
‘অর্ধেক সাংবাদিক কারাগারে, জামিন নেই, কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে গণমাধ্যমের’—সজীব ওয়াজেদ জয়ের তীব্র ক্ষোভ
শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় দিল্লিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশে সাংবাদিক-সম্পাদক, সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলের মালিকদের ওপর চলমান নিপীড়নের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সাল থেকে শুধু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীই নয়, আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল যে কেউ—বিশেষ করে সাংবাদিক, সম্পাদক এবং সংবাদমাধ্যমের মালিকরা—দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় প্রেস ক্লাবের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “কল্পনা করুন, আপনাদের অর্ধেক সদস্য, সাংবাদিক, সম্পাদক ও মিডিয়া মালিকরা জামিন ছাড়া, যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া, অভিযোগ ছাড়া, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের জন্য কারাগারে আটক। কোনো দেশে কি এমনটা কল্পনা করা যায়? কোনো দেশে কি এটা সম্ভব? এটা কি কোনোভাবেই বৈধ? এটা
মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন।” তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সম্প্রদায়কে উদ্বিগ্ন করা উচিত। বাংলাদেশে এখন যা ঘটছে তা মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত। তার ভাষায়, “বাংলাদেশ আজ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এটি ব্যর্থ হচ্ছে না—ইতোমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এখানে কোনো মানবাধিকার নেই, কোনো বাকস্বাধীনতা নেই।” সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই বক্তব্যে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার ওপর চলমান দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জোরালো কণ্ঠস্বর উঠে এসেছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই পরিস্থিতিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন।” তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সম্প্রদায়কে উদ্বিগ্ন করা উচিত। বাংলাদেশে এখন যা ঘটছে তা মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত। তার ভাষায়, “বাংলাদেশ আজ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এটি ব্যর্থ হচ্ছে না—ইতোমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এখানে কোনো মানবাধিকার নেই, কোনো বাকস্বাধীনতা নেই।” সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই বক্তব্যে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার ওপর চলমান দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জোরালো কণ্ঠস্বর উঠে এসেছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই পরিস্থিতিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।



