ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাকরি হারানোর শঙ্কায় কর্মচারীরা
জুলাই খাতে আরেক মহাদুর্নীতি: ৩৬ জুলাই আবাসন প্রকল্পে নির্মাণ-কেনাকাটায় ব্যয় ৪৫ গুণ বেশি!
দেশের মানুষের নিরাপত্তা, শান্তি, সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দেশে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা হুমকিতে— দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা
শফিকুর: দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, তা হবে না
আদালতে এনসিপি নেতা সালাউদ্দিনের ওপর ছাত্রদলের ডিম নিক্ষেপ
মেজর জিয়াকে ‘ঘোষক’ বানানো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: তারেক রহমানকে “১ দফার ঘোষক” দাবি বিএনপির
শান্তা-মেহেদীসহ ৬ জন কারাগারে
ঢাকার শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন-দলের ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরী সরকার।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মনিরুল ইসলাম তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
শান্তা ফারজানা ও মোমিন মেহেদীর নামে একাধিক ওকালতনামা থাকায় তাদের জামিন শুনানি হয়নি। অপর চার আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবী মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিন চেয়ে
শুনানি করেন। তিনি বলেন, শান্তা ফারজানাকে আয়াস নামে একটি ছেলে চড় মারে। এ কারণে তারা প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করে। সেখানে তাদেরকে মারধর করে। পরে হাসপাতালে গেলে সেখানেও মারধর করে। এই চার জন ঘটনার সাথে জড়িত নয়, তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদের জামিন প্রার্থনা করছি। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, এরা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ভিন্ন একটা দল তৈরি করে। সেখানে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা বলে। এর প্রতিবাদ করলে আয়াসকে মারধর করে। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। তবে আসামিদের এজলাসে তোলা হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি মামলা
দায়ের করেন। মামলায় এই ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহতরা চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে গেলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা দেড় ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকে। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তায় রাত ১১টার দিকে তাদের শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।
শুনানি করেন। তিনি বলেন, শান্তা ফারজানাকে আয়াস নামে একটি ছেলে চড় মারে। এ কারণে তারা প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করে। সেখানে তাদেরকে মারধর করে। পরে হাসপাতালে গেলে সেখানেও মারধর করে। এই চার জন ঘটনার সাথে জড়িত নয়, তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদের জামিন প্রার্থনা করছি। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, এরা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ভিন্ন একটা দল তৈরি করে। সেখানে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা বলে। এর প্রতিবাদ করলে আয়াসকে মারধর করে। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। তবে আসামিদের এজলাসে তোলা হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি মামলা
দায়ের করেন। মামলায় এই ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহতরা চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে গেলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা দেড় ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকে। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তায় রাত ১১টার দিকে তাদের শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।



