ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার পাঁচ মাসেই ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক
বাংলাদেশে ইয়াবা আসক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভয়ঙ্কর তথ্য
টাকায় মেলে বিচারকের স্বাক্ষর
কোটা সংস্কারের পর বিসিএসে নারীদের নিয়োগে বড় পতন, প্রশ্নের মুখে সংস্কার
ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাননি দাবি করে আম্মার- ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি’
জঙ্গল সলিমপুরে নাশকতা: যৌথ বাহিনীর পানির পাইপ কেটে ঢালা হয় বিষ, ঝুঁকিতে স্কুলশিশুরাও
ঢাকায় বিদ্যুৎ বিলের ভয়াবহ বৃদ্ধি: একই ব্যবহারে আগের মাসের চেয়ে আসছে দ্বিগুণ-তিনগুণ বিল!
আন্ডারওয়ার্ল্ডে ভাড়াটে খুনিদের দাপট
আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে রাজধানীর আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংঘাত। আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ইত্যাদি কারণে একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটছে। এক্ষেত্রে ভাড়া করা হচ্ছে শুটার। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিকল্পিতভাবে পেশাদার খুনিদের ব্যবহার করা হচ্ছে। চলতি বছর আলোচিত হত্যাকাণ্ডগুলোর তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে বর্তমানে প্রায় ৪০১ ভাড়াটে শুটার সক্রিয়। অপরাধ জগতের পুরোনো এই ‘কন্ট্রাক্ট কিলিং’ সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সবশেষ ২৪ জুলাই রাতে মিরপুরের কাফরুলে গুলিতে নিহত হন যুবদলকর্মী মো. ইউসুফ আলী। ডিবির তদন্তে জানা গেছে, প্রকৃত টার্গেট অন্য ব্যক্তি হলেও ঘটনাস্থলে বাগবিতণ্ডার জেরে শুটারদের গুলিতে ইউসুফ নিহত হন। স্থানীয় আধিপত্য,
টেন্ডার ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে মাগুরা ও ঝিনাইদহ থেকে চারজন পেশাদার শুটার ভাড়া করে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় প্রধান শুটার চঞ্চল মোল্যাসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে ১২ জুন পশ্চিম রামপুরায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশকে। ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তার এবং পুরোনো বিরোধের বিষয়টি সামনে আসে। এছাড়া ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডে ভাড়াটে শুটার ব্যবহারের তথ্য পেয়েছে ডিবি। তদন্তে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি আন্ডারওয়ার্ল্ডের অভ্যন্তরীণ কোন্দলই হত্যার মূল কারণ হিসাবে উঠে এসেছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি কাওরান
বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে জানা যায়, কাওরান বাজারের চাঁদাবাজি ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের বিরোধে ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ভাড়াটে শুটার দিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এছাড়া গুলশান-বাড্ডা এলাকায় ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে সুমন হত্যা এবং গুদারাঘাটে বিএনপি নেতা সাধন হত্যাকাণ্ডে বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাদের নির্দেশেই কন্ট্রাক্ট কিলিং মিশন পরিচালিত হয়। ডিএমপির গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর আটটি অপরাধ বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাড়াটে শুটার সক্রিয় মতিঝিল বিভাগে; যেখানে তালিকাভুক্ত শুটারের সংখ্যা ১১৮। এর মধ্যে শুধু মতিঝিল থানাতেই ১০৬ জন। ওয়ারী বিভাগে ৭৩, তেজগাঁওয়ে ৬১, মিরপুরে ৬০, রমনায়
৩৬, লালবাগে ২৪, গুলশানে ১৬ এবং উত্তরায় ১৩ ভাড়াটে শুটারের তথ্য রয়েছে। সম্প্রতি এই তালিকা নতুন করে হালনাগাদ করছে ডিএমপি। পুলিশের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে রাজধানীতে ১২২টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অন্তত ৯টি ছিল পরিকল্পিত কন্ট্রাক্ট কিলিং বা আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংঘাতকে কেন্দ্র করে। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল চাঁদাবাজি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং অপরাধ জগতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই। অপরাধের এই ধরন নিয়ে কথা হয় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং সংঘবদ্ধ অপরাধ (অরগানাইজড ক্রাইম), যার সঙ্গে রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। সরকার জানে কারা এসব করছে। রাষ্ট্রও অবগত। কিন্তু কার্যকর প্রতিকার নেওয়া হচ্ছে না। কারণ এতে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক সুবিধা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে দুর্বল ও দমন করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, যা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’ অধ্যাপক উমর ফারুক আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র দীর্ঘদিন ধরে এভাবে সক্রিয় থাকতে পারে না। সরকারের বাইরে গিয়ে এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই। রাষ্ট্র সুস্পষ্টভাবেই জানে কারা কী করছে, তবুও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিক স্বার্থে এসব অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।’ ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ডিবিপ্রধান
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ভাড়াটে শুটার ও পেশাদার খুনিদের তালিকা প্রতিনিয়ত আপডেট করা হচ্ছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘রাজধানীসহ সারা দেশের তালিকাভুক্ত অপরাধীদের নিবিড় নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে।’ আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, শুধু শুটারদের গ্রেফতার করলেই হত্যা বা আধিপত্যে বিস্তার বন্ধ হবে না। কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের অর্থদাতা, পরিকল্পনাকারী এবং তাদের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে
দিতে না পারলে রাজধানীর আন্ডারওয়ার্ল্ডে ভাড়াটে খুনিদের দাপট আরও বাড়তে পারে।
টেন্ডার ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে মাগুরা ও ঝিনাইদহ থেকে চারজন পেশাদার শুটার ভাড়া করে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় প্রধান শুটার চঞ্চল মোল্যাসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে ১২ জুন পশ্চিম রামপুরায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশকে। ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তার এবং পুরোনো বিরোধের বিষয়টি সামনে আসে। এছাড়া ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডে ভাড়াটে শুটার ব্যবহারের তথ্য পেয়েছে ডিবি। তদন্তে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি আন্ডারওয়ার্ল্ডের অভ্যন্তরীণ কোন্দলই হত্যার মূল কারণ হিসাবে উঠে এসেছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি কাওরান
বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে জানা যায়, কাওরান বাজারের চাঁদাবাজি ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের বিরোধে ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ভাড়াটে শুটার দিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এছাড়া গুলশান-বাড্ডা এলাকায় ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে সুমন হত্যা এবং গুদারাঘাটে বিএনপি নেতা সাধন হত্যাকাণ্ডে বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাদের নির্দেশেই কন্ট্রাক্ট কিলিং মিশন পরিচালিত হয়। ডিএমপির গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর আটটি অপরাধ বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাড়াটে শুটার সক্রিয় মতিঝিল বিভাগে; যেখানে তালিকাভুক্ত শুটারের সংখ্যা ১১৮। এর মধ্যে শুধু মতিঝিল থানাতেই ১০৬ জন। ওয়ারী বিভাগে ৭৩, তেজগাঁওয়ে ৬১, মিরপুরে ৬০, রমনায়
৩৬, লালবাগে ২৪, গুলশানে ১৬ এবং উত্তরায় ১৩ ভাড়াটে শুটারের তথ্য রয়েছে। সম্প্রতি এই তালিকা নতুন করে হালনাগাদ করছে ডিএমপি। পুলিশের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে রাজধানীতে ১২২টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অন্তত ৯টি ছিল পরিকল্পিত কন্ট্রাক্ট কিলিং বা আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংঘাতকে কেন্দ্র করে। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল চাঁদাবাজি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং অপরাধ জগতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই। অপরাধের এই ধরন নিয়ে কথা হয় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং সংঘবদ্ধ অপরাধ (অরগানাইজড ক্রাইম), যার সঙ্গে রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। সরকার জানে কারা এসব করছে। রাষ্ট্রও অবগত। কিন্তু কার্যকর প্রতিকার নেওয়া হচ্ছে না। কারণ এতে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক সুবিধা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে দুর্বল ও দমন করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, যা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’ অধ্যাপক উমর ফারুক আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র দীর্ঘদিন ধরে এভাবে সক্রিয় থাকতে পারে না। সরকারের বাইরে গিয়ে এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই। রাষ্ট্র সুস্পষ্টভাবেই জানে কারা কী করছে, তবুও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিক স্বার্থে এসব অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।’ ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ডিবিপ্রধান
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ভাড়াটে শুটার ও পেশাদার খুনিদের তালিকা প্রতিনিয়ত আপডেট করা হচ্ছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘রাজধানীসহ সারা দেশের তালিকাভুক্ত অপরাধীদের নিবিড় নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে।’ আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, শুধু শুটারদের গ্রেফতার করলেই হত্যা বা আধিপত্যে বিস্তার বন্ধ হবে না। কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের অর্থদাতা, পরিকল্পনাকারী এবং তাদের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে
দিতে না পারলে রাজধানীর আন্ডারওয়ার্ল্ডে ভাড়াটে খুনিদের দাপট আরও বাড়তে পারে।



