ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কমল জিডিপির গতি, শিল্প খাতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি
স্বর্ণের বাজারে হইচই, দাম কি আরও কমবে?
৬ সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস
এলডিসি উত্তরণে নতুন শঙ্কা, সংকট আরও বাড়তে পারে
এখন কি স্বর্ণে বিনিয়োগের সময়?
দাম বেড়েছে ফার্মের মুরগির
ব্যাংক থেকে মাসে ৩ বারের বেশি টাকা উত্তোলনে অতিরিক্ত চার্জ, ১৪ সেবায় নতুন ফি!
টার্মিনাল বন্ধ, সারা দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট
ত্রুটির কারণে হঠাৎ করে এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারা দেশে ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমেছে। ফলে সারা দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আজ বুধবার সকালের মধ্যে বন্ধ হওয়া এফএসআরইউটি চালু হওয়ার কথা। তবে তিতাস গ্যাস কোম্পানির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে একটি এফএসআরইউ বন্ধ হওয়ায় পাইপে জমে থাকা সব গ্যাস সোমবারের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। তাই আসল সংকট শুরু হবে আজ বুধবার থেকে এবং এফএসআরইউ চালু হলেও এই সংকট শুক্রবারের আগে কাটবে না। এদিকে সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে
সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার সকালে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলেটর এনার্জির এফএসআরইউ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ কমে যায় দৈনিক ৪৫ কোটি ঘনফুট। সাধারণত দেশে দৈনিক ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। এখন এই গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ওই ৪৫ কোটি ঘনফুট কম সরবরাহের কারণে পিডিবিকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ কমানো হয়েছে। ফলে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ
কেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাবে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট থেকে ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। এর বাইরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গতকাল আবারও কয়লাভিত্তিক রামপাল কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ কমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের মতো। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন রাতে ১৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, গ্যাস সংকট এবং রামপাল কেন্দ্র বন্ধ থাকার কারণে রাতে সারা দেশে লোডশেডিং হয়েছে ২৫০ মেগাওয়াটের বেশি। তারা জানান, বৃষ্টির কারণে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা অনেক কম। এর মধ্যেও লোডশেডিং হচ্ছে। এদিকে তিতাসের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস সংকটের কারণে গতকাল আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এমনকি রাজধানীর বাসাবাড়িতেও ঠিকমতো
গ্যাস সরবরাহ দেওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর বাইরে সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ অনেক কমে গেছে। আজ সকালের মধ্যে এফএসআরইউটি চালু হলে গ্যাস সংকট কিছুটা হলেও কাটবে। দেশে দৈনিক ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি এফএসআরইউ’র মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয় দৈনিক ১১০ কোটি ঘনফুটের মতো। ৩০ জুলাই সিএনজি স্টেশনে ধর্মঘটের ডাক : গ্যাস বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এরপরও দাবি পূরণ না হলে ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সিএনজি
ফিলিং স্টেশন বন্ধেরও ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনটির স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বাড়ানো না হলে ৩০ জুলাই দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলবে। দাবি পূরণ না হলে ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হবে। নেতারা বলেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রাংশের দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জমির ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স
ফি বহুগুণ বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৮ থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৫ টাকা ৯৬ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বাড়লে কমিশনও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করতে হবে।
সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার সকালে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলেটর এনার্জির এফএসআরইউ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ কমে যায় দৈনিক ৪৫ কোটি ঘনফুট। সাধারণত দেশে দৈনিক ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। এখন এই গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ওই ৪৫ কোটি ঘনফুট কম সরবরাহের কারণে পিডিবিকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ কমানো হয়েছে। ফলে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ
কেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাবে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট থেকে ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। এর বাইরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গতকাল আবারও কয়লাভিত্তিক রামপাল কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ কমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের মতো। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন রাতে ১৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, গ্যাস সংকট এবং রামপাল কেন্দ্র বন্ধ থাকার কারণে রাতে সারা দেশে লোডশেডিং হয়েছে ২৫০ মেগাওয়াটের বেশি। তারা জানান, বৃষ্টির কারণে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা অনেক কম। এর মধ্যেও লোডশেডিং হচ্ছে। এদিকে তিতাসের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস সংকটের কারণে গতকাল আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এমনকি রাজধানীর বাসাবাড়িতেও ঠিকমতো
গ্যাস সরবরাহ দেওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর বাইরে সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ অনেক কমে গেছে। আজ সকালের মধ্যে এফএসআরইউটি চালু হলে গ্যাস সংকট কিছুটা হলেও কাটবে। দেশে দৈনিক ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি এফএসআরইউ’র মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয় দৈনিক ১১০ কোটি ঘনফুটের মতো। ৩০ জুলাই সিএনজি স্টেশনে ধর্মঘটের ডাক : গ্যাস বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এরপরও দাবি পূরণ না হলে ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সিএনজি
ফিলিং স্টেশন বন্ধেরও ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনটির স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বাড়ানো না হলে ৩০ জুলাই দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলবে। দাবি পূরণ না হলে ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হবে। নেতারা বলেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রাংশের দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জমির ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স
ফি বহুগুণ বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৮ থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৫ টাকা ৯৬ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বাড়লে কমিশনও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করতে হবে।



