ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টেকনাফে রোহিঙ্গা ১০০ পরিবারকে নেয়া হলো নিরাপদ স্থানে
কৃষকের কষ্টের ধানে মিলারের চড়া মুনাফা
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সেনাবাহিনী ও পুলিশের স্কটে ফিরছেন সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ পর্যটক
খাগড়াছড়িতে সার্বিক বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। জেলার প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। এদিকে, সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন পর্যটককে সেনাবাহিনী ও পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা স্কটে নিরাপদে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে কাজ করছে প্রশাসন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন পর্যটক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা স্কটে বাঘাইহাট হয়ে খাগড়াছড়ির পথে রওনা হয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টায় পর্যটকদের বহনকারী গাড়িগুলো সাজেক ছাড়ে। প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্বস্তি ফিরেছে আটকে পড়া পর্যটক ও তাদের পরিবারের মাঝে।
চেঙ্গী নদী
ও আশপাশের ছড়া-খালের পানি নেমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সবকটি নিচু এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। অন্যদিকে, দীঘিনালা উপজেলাতেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। মাইনী নদীর পানি কমে যাওয়ায় উপজেলার কবাখালী ও বাবুছড়ার নিচু এলাকা, বসতবাড়ি এবং সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। এর ফলে এসব এলাকায় পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়েছে। উপজেলার অন্যান্য এলাকায় পানি কমলেও মেরুং ইউনিয়নের পরিস্থিতি এখনও বেশ উদ্বেগজনক। উপজেলার সবচেয়ে নিচু এলাকা ছোট মেরুং ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি তীব্র বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানকার রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি এখনও পানিতে ডুবে থাকায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এদিকে কয়েক ঘণ্টার বিরতির পর গতকাল রাত থেকে আজ সকাল
পর্যন্ত খাগড়াছড়িতে আবারও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নতুন করে ভারী বর্ষণ হলে পরিস্থিতি আবারও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ও আশপাশের ছড়া-খালের পানি নেমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সবকটি নিচু এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। অন্যদিকে, দীঘিনালা উপজেলাতেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। মাইনী নদীর পানি কমে যাওয়ায় উপজেলার কবাখালী ও বাবুছড়ার নিচু এলাকা, বসতবাড়ি এবং সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। এর ফলে এসব এলাকায় পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়েছে। উপজেলার অন্যান্য এলাকায় পানি কমলেও মেরুং ইউনিয়নের পরিস্থিতি এখনও বেশ উদ্বেগজনক। উপজেলার সবচেয়ে নিচু এলাকা ছোট মেরুং ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি তীব্র বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানকার রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি এখনও পানিতে ডুবে থাকায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এদিকে কয়েক ঘণ্টার বিরতির পর গতকাল রাত থেকে আজ সকাল
পর্যন্ত খাগড়াছড়িতে আবারও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নতুন করে ভারী বর্ষণ হলে পরিস্থিতি আবারও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।



