ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফরিদগঞ্জে দেয়ালে দেয়ালে ছাত্রলীগের পোস্টারিং: নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৮ জনের মৃত্যু
উলিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে রাতভর ধর্ষণ
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
মা-মেয়েকে ধর্ষণ: দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গুলিস্তান
পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩
পাহাড়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মধ্যকার পুরনো বিরোধ আবারও রূপ নিয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র কর্মীদের মধ্যে এক ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়েছেন।
আজ ৬ই জুলাই, সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের দুর্গম মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে আকস্মিকভাবেই মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। আকস্মিক এই বন্দুকযুদ্ধে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, ওই এলাকায় নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষ এই সশস্ত্র
সংঘাতের পথ বেছে নেয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ বিকেলে জানান, বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং এতে তিনজন নিহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, “নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পাওয়ার পরপরই মরদেহ উদ্ধার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।” ভয়াবহ এই সংঘর্ষ এবং তিনজনের মৃত্যুর ঘটনার পর বিকেল পর্যন্ত অভিযুক্ত দুই আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ কিংবা জেএসএস-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিনের এই গোষ্ঠীগত সংঘাত ও লাশের রাজনীতি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ এবং ওই এলাকায় বাড়তি
নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ স্থানীয় বাসিন্দারা।
সংঘাতের পথ বেছে নেয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ বিকেলে জানান, বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং এতে তিনজন নিহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, “নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পাওয়ার পরপরই মরদেহ উদ্ধার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।” ভয়াবহ এই সংঘর্ষ এবং তিনজনের মৃত্যুর ঘটনার পর বিকেল পর্যন্ত অভিযুক্ত দুই আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ কিংবা জেএসএস-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিনের এই গোষ্ঠীগত সংঘাত ও লাশের রাজনীতি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ এবং ওই এলাকায় বাড়তি
নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ স্থানীয় বাসিন্দারা।



