ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘মানুষ চেয়েছিল ম্যারাডোনার মাথা ভেঙে দিই’
৪০ বছর পর মেক্সিকোয় খেলতে নামছে ইংল্যান্ড। শেষ বার খেলেছিল ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ। যেবার দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলে হেরেছিল। সেই ইংল্যান্ড দলের গোলকিপার পিটার শিলটন জানালেন, ওই ঘটনা তিনি ভুলে গিয়েছেন। তবে এটুকু বলে মনে আছে, সেই ম্যাচের পর লোকে প্রশ্ন করেছিল, কেন তিনি ম্যারাডোনার মাথা ভেঙে দেননি?
মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রি-কোয়ার্টারের ম্যাচে ইংল্যান্ড নামার আগে ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন শিলটন। তার কথায়, ‘আমি ব্যাপারটা খাটের তলায় ঢুকিয়ে দিয়েছি। ৪০ বছর হয়ে গিয়েছে। গত কয়েক বছরে অনেক বার বুয়েনোস আইরেস গিয়েছি। ওখানকার লোকেরা খুব ভালো ব্যবহার করেছে আমার সঙ্গে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে এগিয়ে যাওয়াই ঠিক মনে করেছি। ম্যারাডোনাও আজ
আমাদের সঙ্গে নেই।’ ইংল্যান্ডের হয়ে ১২৫টি ম্যাচ খেললেও ওই একটি ঘটনা শিলটনের জীবনে কলঙ্কের সমান। তিনি বলেছেন, ‘এখনও লোকে আমাকে বলে, কেন সেদিন ম্যারাডোনার মাথা আমি ভেঙে দেইনি। ওরা আসলে পরিস্থিতি বুঝতে পারে না। ওটা করলে আমরা পেনাল্টি হজম করতাম এবং আমাকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হত। আমি আগে বল লোফার চেষ্টা করেছিলাম। তাই ম্যারাডোনা ঘুষি মেরে বল গোলে ঢুকিয়ে দেয়। না হলে হেডই করত।’ শিলটনের মতে, তাকে যেভাবে সমালোচনা করা হয়েছিল তার কোনও দরকার ছিল না। কারণ ওই পরিস্থিতিতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। শিলটনের কথায়, ‘গোল বাঁচাতে গিয়ে যদি কারও সঙ্গে ধাক্কা লাগে তা নিয়ে ভাবি না। কিন্তু সেই
পরিস্থিতিতে যদি কাউকে ফাউল করে বাইরে চলে যেতাম তাহলে খুব খারাপ গোলকিপিং হত। রেফারি এবং লাইন্সম্যান ছাড়া গোটা স্টেডিয়াম সেদিন হ্যান্ডবলটা দেখতে পেয়েছিল। আসলে জিততে দেওয়া হয়নি। সকলেই সত্যিটা জানে।”
আমাদের সঙ্গে নেই।’ ইংল্যান্ডের হয়ে ১২৫টি ম্যাচ খেললেও ওই একটি ঘটনা শিলটনের জীবনে কলঙ্কের সমান। তিনি বলেছেন, ‘এখনও লোকে আমাকে বলে, কেন সেদিন ম্যারাডোনার মাথা আমি ভেঙে দেইনি। ওরা আসলে পরিস্থিতি বুঝতে পারে না। ওটা করলে আমরা পেনাল্টি হজম করতাম এবং আমাকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হত। আমি আগে বল লোফার চেষ্টা করেছিলাম। তাই ম্যারাডোনা ঘুষি মেরে বল গোলে ঢুকিয়ে দেয়। না হলে হেডই করত।’ শিলটনের মতে, তাকে যেভাবে সমালোচনা করা হয়েছিল তার কোনও দরকার ছিল না। কারণ ওই পরিস্থিতিতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। শিলটনের কথায়, ‘গোল বাঁচাতে গিয়ে যদি কারও সঙ্গে ধাক্কা লাগে তা নিয়ে ভাবি না। কিন্তু সেই
পরিস্থিতিতে যদি কাউকে ফাউল করে বাইরে চলে যেতাম তাহলে খুব খারাপ গোলকিপিং হত। রেফারি এবং লাইন্সম্যান ছাড়া গোটা স্টেডিয়াম সেদিন হ্যান্ডবলটা দেখতে পেয়েছিল। আসলে জিততে দেওয়া হয়নি। সকলেই সত্যিটা জানে।”



