ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
মহাকাশে নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল চীন
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের কঠোর জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করা সম্ভব হলেও মানুষের ভেতরের আদর্শকে কখনোই বুলেট বা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করা যায় না।
এই বাকযুদ্ধ শুরু হয় মূলত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর কাছে দেওয়া ট্রাম্পের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। ট্রাম্প জানান, তিনি খামেনির জানাজার ওপর কড়া নজর রাখছিলেন এবং সেখানে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা সবাই সেখানে উপস্থিত ছিল। মাত্র একটি আঘাতেই আমরা সবাইকে একবারে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা তা করব না, কারণ তাহলে পরবর্তীতে আলোচনা
করার মতো আমাদের আর কেউ থাকবে না। ট্রাম্পের এই পরোক্ষ হুমকির জবাবে ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এই ঔদ্ধত্যের সমালোচনা করে বলেন, মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনারা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন সত্য, কিন্তু বাস্তবে আপনারা একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙে ফেলেছেন—যার ফলে সেই সুবাস এখন চারদিকে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সমালোচনা করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ট্রাম্প বা তার প্রশাসনের পক্ষে এই গভীর তাত্ত্বিক বিষয়টি অনুধাবন করা সম্ভব নয়। কারণ হিসেবে ইরান দাবি করে, মার্কিন নেতৃত্বের না আছে কোনো প্রাচীন সভ্যতা, না আছে কোনো সমৃদ্ধ ইতিহাস বা নৈতিক মর্যাদা। এই
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক ও আদর্শিক সংঘাত আরও একবার প্রকাশ্যে এলো।
করার মতো আমাদের আর কেউ থাকবে না। ট্রাম্পের এই পরোক্ষ হুমকির জবাবে ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এই ঔদ্ধত্যের সমালোচনা করে বলেন, মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনারা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন সত্য, কিন্তু বাস্তবে আপনারা একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙে ফেলেছেন—যার ফলে সেই সুবাস এখন চারদিকে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সমালোচনা করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ট্রাম্প বা তার প্রশাসনের পক্ষে এই গভীর তাত্ত্বিক বিষয়টি অনুধাবন করা সম্ভব নয়। কারণ হিসেবে ইরান দাবি করে, মার্কিন নেতৃত্বের না আছে কোনো প্রাচীন সভ্যতা, না আছে কোনো সমৃদ্ধ ইতিহাস বা নৈতিক মর্যাদা। এই
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক ও আদর্শিক সংঘাত আরও একবার প্রকাশ্যে এলো।



