ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গুলিস্তান
১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ২ লাশ: আনোয়ারায় গৃহবধূ ও জেলের রহস্যজনক মৃত্যু
মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি
ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক
সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই
মা-মেয়েকে ধর্ষণ: দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
ফেনীর দাগনভূঞায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শাশুড়িকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন এবং অপর এক আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ জুলাই) বিকালে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান মামলার শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।
একই সঙ্গে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত দুই আসামিকে এক লাখ টাকা করে এবং অপর আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহীগুনী গ্রামের মনু কাজী বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, একই বাড়ির মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে আজাদ এবং একই এলাকার জেলে বাড়ির প্রভাত কুমার দাসের ছেলে নিপু কুমার দাস। রায় ঘোষণার
সময় আজাদ ও নিপু কুমার দাস আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদীপাড়ের একটি বাড়িতে কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ঢুকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল ইসলাম। এ সময় বাধা দিতে গেলে তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে একটি সেতুর ওপর ধর্ষণ করেন আজাদ ও নিপু কুমার দাস। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১১ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন উপ-পরিদর্শক আবদুর রহীম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)
অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ জানান, মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
সময় আজাদ ও নিপু কুমার দাস আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদীপাড়ের একটি বাড়িতে কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ঢুকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল ইসলাম। এ সময় বাধা দিতে গেলে তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে একটি সেতুর ওপর ধর্ষণ করেন আজাদ ও নিপু কুমার দাস। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১১ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন উপ-পরিদর্শক আবদুর রহীম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)
অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ জানান, মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।



