ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গুলিস্তান
১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ২ লাশ: আনোয়ারায় গৃহবধূ ও জেলের রহস্যজনক মৃত্যু
মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি
ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক
সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই
রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪
গভীর রাতে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল সভাপতিকে উত্তম-মধ্যম, দল থেকেও বহিষ্কার
বিচারকের বাড়ি থেকে ১৯ লাখ টাকার সোনাসহ মামালাল চুরি: বিএনপির ২ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
জামালপুরে এক বিচারক দম্পতির বাসভবনে চুরির ঘটনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক দুই নেতাসহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
২রা জুলাই, বৃহস্পতিবার রাতে শহরের আমলাপাড়া ও হাই স্কুল মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মেলান্দহ উপজেলার চর পলিশা গ্রামের আলেক মিয়ার স্ত্রী নিলুফা আক্তার (৩২), জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা সরদার পাড়া এলাকার মনির হোসেনের স্ত্রী হাওয়া বেগম (৩০), আমলাপাড়া এলাকার সুমুতুল্লাহের ছেলে কালা চান (৫০), নয়াপাড়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে সুমন মিয়া (৩৯) এবং কলেজ রোড এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে নাজমুল ইবনে হোসেন বিপ্লব (৩৯)।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সুমন মিয়া জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক
দলের সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এবং নাজমুল ইবনে হোসেন বিপ্লব দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০শে জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জামালপুর পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকায় জামালপুরের মেলান্দহ সিভিল জজ আদালতের বিচারক আহমাদুল কবির সাকিল এবং তার স্ত্রী দেওয়ানগঞ্জ সিভিল জজ আদালতের বিচারক নুসরাত জেরিন জেনির বাসভবনে এই চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা বাসার জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ৫টি স্বর্ণের আংটি, ১টি ডায়মন্ডের আংটি, ২টি স্বর্ণের চেইন, ১ জোড়া স্বর্ণের ঝুমকা, ১টি স্বর্ণের ব্রেসলেট, ১ সেট স্বর্ণের মালা এবং নগদ এক লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। চুরি যাওয়া এসব মালামালের
সর্বমোট বাজারমূল্য ১৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৮৫ টাকা বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর বিচারক আহমাদুল কবির নিজে বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, মামলার বাদী ও বিভিন্ন সোর্সের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একই ভবনে কর্মরত গৃহকর্মী নিলুফাকে আমলাপাড়া এলাকা থেকে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হয়। রাত আনুমানিক ২টার দিকে হাই স্কুল মোড় এলাকা থেকে সুমন মিয়া, নাজমুল ইবনে হোসেন বিপ্লব ও কালা চানকে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং রাত সাড়ে ৩টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয় হাওয়া বেগমকে। পরদিন শুক্রবার দুপুরে
পাঁচজনকেই আদালতে সোপর্দ করা হয়। জামালপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক সাইফুর রহমান তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মঞ্জুরুল করিম সুমন বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া সুমন ও নাজমুল দলের আগের কমিটির নেতা ছিলেন এবং তারা বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পৃক্ত নন। একই প্রসঙ্গে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নুরুল মোমিন আকন্দ কাওসার বলেন, আগের কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে এবং বর্তমান কমিটিতে তারা কেউ নেই, তাই তাদের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে পারবেন না।
দলের সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এবং নাজমুল ইবনে হোসেন বিপ্লব দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০শে জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জামালপুর পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকায় জামালপুরের মেলান্দহ সিভিল জজ আদালতের বিচারক আহমাদুল কবির সাকিল এবং তার স্ত্রী দেওয়ানগঞ্জ সিভিল জজ আদালতের বিচারক নুসরাত জেরিন জেনির বাসভবনে এই চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা বাসার জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ৫টি স্বর্ণের আংটি, ১টি ডায়মন্ডের আংটি, ২টি স্বর্ণের চেইন, ১ জোড়া স্বর্ণের ঝুমকা, ১টি স্বর্ণের ব্রেসলেট, ১ সেট স্বর্ণের মালা এবং নগদ এক লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। চুরি যাওয়া এসব মালামালের
সর্বমোট বাজারমূল্য ১৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৮৫ টাকা বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর বিচারক আহমাদুল কবির নিজে বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, মামলার বাদী ও বিভিন্ন সোর্সের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একই ভবনে কর্মরত গৃহকর্মী নিলুফাকে আমলাপাড়া এলাকা থেকে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হয়। রাত আনুমানিক ২টার দিকে হাই স্কুল মোড় এলাকা থেকে সুমন মিয়া, নাজমুল ইবনে হোসেন বিপ্লব ও কালা চানকে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং রাত সাড়ে ৩টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয় হাওয়া বেগমকে। পরদিন শুক্রবার দুপুরে
পাঁচজনকেই আদালতে সোপর্দ করা হয়। জামালপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক সাইফুর রহমান তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মঞ্জুরুল করিম সুমন বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া সুমন ও নাজমুল দলের আগের কমিটির নেতা ছিলেন এবং তারা বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পৃক্ত নন। একই প্রসঙ্গে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নুরুল মোমিন আকন্দ কাওসার বলেন, আগের কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে এবং বর্তমান কমিটিতে তারা কেউ নেই, তাই তাদের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে পারবেন না।



