ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোনালদো ও রামোসের গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল
বিশ্বকাপে রোনালদোর ১১ গোলের ৪টিই পেনাল্টি থেকে
মেসির পেনাল্টি ঠেকানোর স্বপ্ন কি আজ সত্যি হবে ভোজিনিয়ার
ঘানার অদম্য লড়াই, কলম্বিয়ার স্বপ্ন
নরওয়ে ম্যাচের আগে ব্রাজিলের বড় ধাক্কা: ইনজুরিতে পাকেতা
বিশ্বকাপে এমবাপ্পের নতুন রেকর্ড
নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা
আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে: কিছু জরুরি তথ্য
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশন এখন পর্যন্ত বেশ ভালোই চলছে। শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় শেষ বত্রিশের ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের নতুন দল কেপ ভার্দে।
২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ জিতেই নকআউট পর্বে এসেছে। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে তারা মাঠে নামবে ‘ব্লু শার্কস’ খ্যাত কেপ ভার্দের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বে যে তিনটি দল অপরাজিত ছিল, আর্জেন্টিনা তার একটি। অন্যদিকে কেপ ভার্দে চমক দেখিয়েছে তাদের রক্ষণ দিয়ে। ৩ ম্যাচের ২টিতেই তারা কোনো গোল খায়নি।
ম্যাচের মূল আকর্ষণগুলো একনজরে:
আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে এবারই প্রথম মুখোমুখি হচ্ছে। বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ওঠার লড়াই হওয়ায় দুই দলের জন্যই ম্যাচটি বাঁচা-মরার।
মায়ামির এই ম্যাচটি আর্জেন্টিনার কোচ
লিওনেল স্কালোনির জন্য ভীষণ স্পেশাল। কোচ হিসেবে এটি হতে যাচ্ছে তার ১০০তম ম্যাচ। দায়িত্ব নেওয়ার পর লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে একের পর এক ট্রফি জিতিয়েছেন স্কালোনি। তার অধীনে দল জিতেছে দুটি কোপা আমেরিকা (২০২১ ও ২০২৪), ২০২২ সালের ফিনালিসিমা এবং সবচেয়ে বড় অর্জন—২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে সোনালী ট্রফি জয়। স্কালোনির অধীনে ৯৯ ম্যাচের মধ্যে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৭২টিতে, ড্র করেছে ১৮টি আর হেরেছে মাত্র ৯টি ম্যাচে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৩৬ ম্যাচে অপরাজিত থাকার দুর্দান্ত রেকর্ডও আছে। “আমরা ওদের খেলা দেখেছি। শুধু প্রতিপক্ষ বলেই নয়, সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আগে থেকেই ওদের বিশ্লেষণ করছিলাম। ওরা যখন
কোয়ালিফাই করল, আমরা অবাক হইনি। সত্যি বলতে, ওরা বেশ ভালো দল এবং ভাগ্য বা কাকতালীয়ভাবে এখানে আসেনি। ওদের আমাদের সম্মান করতেই হবে এবং আমরা সেটাই করব।” — লিওনেল স্কালোনি, আর্জেন্টিনা কোচ যেকোনো টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনা শেষবার হেরেছিল সাত বছর আগে। ২০১৯ কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে বেলো হরাইজন্তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের কাছে হেরেছিল তারা। নকআউট ম্যাচ ও সব মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপের নতুন দল কেপ ভার্দের জন্য এটি মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। স্কালোনির অধীনে মেসি যেন আরও বেশি গোলমুখী হয়ে উঠেছেন। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা স্কালোনির অধীনে ৭৪ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল (ম্যাচ প্রতি ০.৭৮ গোল)। অথচ এর
আগের ১২৮ ম্যাচে তার গোল ছিল ৬৫টি (ম্যাচ প্রতি ০.৫১ গোল)। ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেও ৬ গোল নিয়ে চলতি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি। নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই সাবেক চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়েকে ড্রয়ে আটকে দিয়ে চমক দেখিয়েছে কেপ ভার্দে। সৌদি আরবের সঙ্গেও ড্র করে তারা নকআউট নিশ্চিত করে। তবে শেষ বত্রিশে ওঠা দলগুলোর মধ্যে তারাই সবচেয়ে কম গোল করেছে। তাদের করা মাত্র দুটি গোলই এসেছিল উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটিতে।
লিওনেল স্কালোনির জন্য ভীষণ স্পেশাল। কোচ হিসেবে এটি হতে যাচ্ছে তার ১০০তম ম্যাচ। দায়িত্ব নেওয়ার পর লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে একের পর এক ট্রফি জিতিয়েছেন স্কালোনি। তার অধীনে দল জিতেছে দুটি কোপা আমেরিকা (২০২১ ও ২০২৪), ২০২২ সালের ফিনালিসিমা এবং সবচেয়ে বড় অর্জন—২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে সোনালী ট্রফি জয়। স্কালোনির অধীনে ৯৯ ম্যাচের মধ্যে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৭২টিতে, ড্র করেছে ১৮টি আর হেরেছে মাত্র ৯টি ম্যাচে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৩৬ ম্যাচে অপরাজিত থাকার দুর্দান্ত রেকর্ডও আছে। “আমরা ওদের খেলা দেখেছি। শুধু প্রতিপক্ষ বলেই নয়, সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আগে থেকেই ওদের বিশ্লেষণ করছিলাম। ওরা যখন
কোয়ালিফাই করল, আমরা অবাক হইনি। সত্যি বলতে, ওরা বেশ ভালো দল এবং ভাগ্য বা কাকতালীয়ভাবে এখানে আসেনি। ওদের আমাদের সম্মান করতেই হবে এবং আমরা সেটাই করব।” — লিওনেল স্কালোনি, আর্জেন্টিনা কোচ যেকোনো টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনা শেষবার হেরেছিল সাত বছর আগে। ২০১৯ কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে বেলো হরাইজন্তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের কাছে হেরেছিল তারা। নকআউট ম্যাচ ও সব মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপের নতুন দল কেপ ভার্দের জন্য এটি মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। স্কালোনির অধীনে মেসি যেন আরও বেশি গোলমুখী হয়ে উঠেছেন। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা স্কালোনির অধীনে ৭৪ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল (ম্যাচ প্রতি ০.৭৮ গোল)। অথচ এর
আগের ১২৮ ম্যাচে তার গোল ছিল ৬৫টি (ম্যাচ প্রতি ০.৫১ গোল)। ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেও ৬ গোল নিয়ে চলতি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি। নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই সাবেক চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়েকে ড্রয়ে আটকে দিয়ে চমক দেখিয়েছে কেপ ভার্দে। সৌদি আরবের সঙ্গেও ড্র করে তারা নকআউট নিশ্চিত করে। তবে শেষ বত্রিশে ওঠা দলগুলোর মধ্যে তারাই সবচেয়ে কম গোল করেছে। তাদের করা মাত্র দুটি গোলই এসেছিল উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটিতে।



