ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাইয়ে অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানির দাম
বুধবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা: এক বছরেই ১৪৫ কোটি ইউরোর বাজার হারাল বাংলাদেশ
কৃষি ঋণের ৩২ শতাংশই খেলাপি
১১ মাসে সংশােধিত এডিপির অর্ধেকও বাস্তবায়ন হয়নি
ব্যাংক নোট কেন বাতিল করা হয়?
সম্প্রতি ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন সরকারদলীয় এক সংসদ সদস্য। তবে এ বিষয়ে সরকার এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। নোট দুটি আগের মতোই বৈধ রয়েছে। এ প্রস্তাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাংক নোট বাতিলের ইতিহাস রয়েছে। এমনকি বাংলাদেশেও অতীতে মুদ্রা বাতিলের নজির আছে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, ‘সেটা কোনো স্বাভাবিক সময়ের ঘটনা নয়। সাধারণত অস্বাভাবিক সময় বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।’
তাহলে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এবং কেন ব্যাংক নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়? এ ধরনের
সিদ্ধান্ত অর্থনীতির ওপর কোন ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে? অর্থনীতিবিদরা বলছেন, একটি দেশের সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা কারণে ব্যাংক নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি কারণ হলো কালো টাকার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে সেটাকে ব্যাংকিংখাতে যুক্ত করা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিস) গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর বলেছেন, ‘সরকার যদি মনে করে যে, দেশে কালো টাকার পরিমাণ অনেক বেশি এবং মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশের মানুষের কাছে নগদ অর্থ আছে, তখন কালো টাকার প্রভাব কমিয়ে সেটাকে ব্যাংকে ঢোকানোর জন্য নোট বাতিল করতে দেখা যায়।’ কালো টাকা বলতে মূলত আয়করের হিসেবে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কর ফাঁকি দেওয়া
টাকাকে বোঝায়। মাহফুজ কবীর বলেন, ‘ঘুস-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকাকে যেমন অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তেমনই কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সৎ পথে অর্থ উপার্জন করার পরও যদি আয়ের হিসেবে সেটা না দেখান বা কর না দেন, সেটাও একইভাবে অর্থনীতিতে কালো টাকা হিসেবে বিবেচিত হয়।’ কালো টাকার পাশাপাশি জাল নোটের প্রসার ঠেকাতেও অনেক সময় ব্যাংক নোট বা মুদ্রা বাতিল করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সারা দেশে জাল টাকার দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় সেটি নিয়ন্ত্রণে ১৯৭৩ সালে জলছাপবিহীন একাধিক ব্যাংক নোট বাতিল ঘোষণা করেছিল তৎকালীন সরকার। দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনেও অনেক সময় সরকার মুদ্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি
বলেছেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন বন্ধ করতে ব্যাংক নোট বাতিল করার নজির আছে। ২০১৬ সালে ভারত সরকার যে পাঁচশ ও এক হাজার রুপির নোট বাতিল করেছিল, সেটার পেছনেও এ দুটি কারণ কাজ করেছিল বলে জানা যায়। এর বাইরে, একটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটলেও আগের মুদ্রা বাতিল করে নতুন মুদ্রা প্রচলনের ঘটনা ঘটতে দেখা যায় বলে জানান অর্থনীতিবিদরা। এক্ষেত্রে বাতিল হতে যাওয়া ব্যাংক নোট বা মুদ্রা ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অর্থনীতির ওপর কোন ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে? অর্থনীতিবিদরা বলছেন, একটি দেশের সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা কারণে ব্যাংক নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি কারণ হলো কালো টাকার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে সেটাকে ব্যাংকিংখাতে যুক্ত করা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিস) গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর বলেছেন, ‘সরকার যদি মনে করে যে, দেশে কালো টাকার পরিমাণ অনেক বেশি এবং মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশের মানুষের কাছে নগদ অর্থ আছে, তখন কালো টাকার প্রভাব কমিয়ে সেটাকে ব্যাংকে ঢোকানোর জন্য নোট বাতিল করতে দেখা যায়।’ কালো টাকা বলতে মূলত আয়করের হিসেবে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কর ফাঁকি দেওয়া
টাকাকে বোঝায়। মাহফুজ কবীর বলেন, ‘ঘুস-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকাকে যেমন অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তেমনই কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সৎ পথে অর্থ উপার্জন করার পরও যদি আয়ের হিসেবে সেটা না দেখান বা কর না দেন, সেটাও একইভাবে অর্থনীতিতে কালো টাকা হিসেবে বিবেচিত হয়।’ কালো টাকার পাশাপাশি জাল নোটের প্রসার ঠেকাতেও অনেক সময় ব্যাংক নোট বা মুদ্রা বাতিল করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সারা দেশে জাল টাকার দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় সেটি নিয়ন্ত্রণে ১৯৭৩ সালে জলছাপবিহীন একাধিক ব্যাংক নোট বাতিল ঘোষণা করেছিল তৎকালীন সরকার। দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনেও অনেক সময় সরকার মুদ্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি
বলেছেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন বন্ধ করতে ব্যাংক নোট বাতিল করার নজির আছে। ২০১৬ সালে ভারত সরকার যে পাঁচশ ও এক হাজার রুপির নোট বাতিল করেছিল, সেটার পেছনেও এ দুটি কারণ কাজ করেছিল বলে জানা যায়। এর বাইরে, একটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটলেও আগের মুদ্রা বাতিল করে নতুন মুদ্রা প্রচলনের ঘটনা ঘটতে দেখা যায় বলে জানান অর্থনীতিবিদরা। এক্ষেত্রে বাতিল হতে যাওয়া ব্যাংক নোট বা মুদ্রা ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়।



