ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তায় বস্তায় পেঁয়াজ নদীতে ফেলছেন কৃষক, এমপি ব্যস্ত সংসদে ‘তারেক বন্দনায়’
নিপীড়নের মুখে দেশছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক ডা. প্রাণ গোপাল অর্জিত মেধা-প্রজ্ঞা দান করছেন বিদেশি শিক্ষার্থীদের
রাষ্ট্রের স্বাধীনতাবিরোধীরা আমার ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে হত্যা করেছে: ছাত্রলীগ নেতা প্রান্তর মা
পুলিশে বড় রদবদল
চুরির টাকায় বিলাসী জীবন! রাম মন্দির চুরিকাণ্ডে নয়া মোড়
৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, দেখুন ফল
করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের
‘ভাইয়া কার্ড বেচে’ স্লোগান: ২ মাস ধরে দিনে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের সড়ক অবরোধ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান তীব্র লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত প্রায় দুই মাস ধরে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে ২৮শে জুন, রোববার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার জামুর্কি এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেন কয়েক শতাধিক গ্রাহক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দা। অবরোধ চলাকালে মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে উপস্থিত
জনতার একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় একটি গানের লাইনের অনুকরণে—”ভাইয়া কার্ড বেচে”—স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তবে স্লোগানটি কাকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছিল, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। মহাসড়ক অবরোধের পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ জনতা জামুর্কি পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন ও অফিস ঘেরাও করেন। এ সময় সেখানে ভাঙচুরের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তীব্র গরম ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১০ হাজার পরীক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছেন না। আগামী ১লা জুলাই থেকে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০
হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেবে। একই সঙ্গে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে পড়াশোনায় সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মির্জাপুরের শিল্পাঞ্চলেও বিদ্যুৎ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে অনেক মিল ও কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের দুর্ভোগ কমবে না। তারা দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ উন্নত করার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন
এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এসময় বিএনপির স্থানীয়দের নেতারাও বিক্ষুব্ধদেরকে “আওয়ামী লীগের দোসর” আখ্যা দিয়ে তাদের ওপর খবরদারি করতে শুরু করেন। কিন্তু স্থানীয়দের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন। ২ নম্বর জামুর্কি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডি এ মতিন বলেন, “বিভিন্ন এলাকায় ১৬-১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করিয়েছি।” মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “মহাসড়কের অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।” পরীক্ষার আগে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান
এবং প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তারা বলেন, “আগামী ১ জুলাই থেকে উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। কিন্তু দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারছে না।” অন্যদিকে, মির্জাপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাদের বক্তব্য, জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। টাঙ্গাইল জেলা পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন এবং মির্জাপুর ও গোড়াই জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মোকলেছুর রহমান ও খালিদ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, মির্জাপুর উপজেলার দুটি জোনাল অফিসের আওতায় প্রায় এক
লাখ ৮০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। কিন্তু ময়মনসিংহ জোন থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তারা আরও জানান, গোড়াই শিল্পাঞ্চলসহ মির্জাপুরে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। বিদ্যুৎ ঘাটতির বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, আসন্ন পরীক্ষা এবং চলমান তাপপ্রবাহের কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং শিল্পকারখানা দীর্ঘমেয়াদি সংকট থেকে মুক্তি পেতে পারে।
জনতার একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় একটি গানের লাইনের অনুকরণে—”ভাইয়া কার্ড বেচে”—স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তবে স্লোগানটি কাকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছিল, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। মহাসড়ক অবরোধের পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ জনতা জামুর্কি পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন ও অফিস ঘেরাও করেন। এ সময় সেখানে ভাঙচুরের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তীব্র গরম ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১০ হাজার পরীক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছেন না। আগামী ১লা জুলাই থেকে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০
হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেবে। একই সঙ্গে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে পড়াশোনায় সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মির্জাপুরের শিল্পাঞ্চলেও বিদ্যুৎ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে অনেক মিল ও কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের দুর্ভোগ কমবে না। তারা দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ উন্নত করার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন
এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এসময় বিএনপির স্থানীয়দের নেতারাও বিক্ষুব্ধদেরকে “আওয়ামী লীগের দোসর” আখ্যা দিয়ে তাদের ওপর খবরদারি করতে শুরু করেন। কিন্তু স্থানীয়দের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন। ২ নম্বর জামুর্কি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডি এ মতিন বলেন, “বিভিন্ন এলাকায় ১৬-১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করিয়েছি।” মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “মহাসড়কের অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।” পরীক্ষার আগে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান
এবং প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তারা বলেন, “আগামী ১ জুলাই থেকে উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। কিন্তু দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারছে না।” অন্যদিকে, মির্জাপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাদের বক্তব্য, জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। টাঙ্গাইল জেলা পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন এবং মির্জাপুর ও গোড়াই জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মোকলেছুর রহমান ও খালিদ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, মির্জাপুর উপজেলার দুটি জোনাল অফিসের আওতায় প্রায় এক
লাখ ৮০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। কিন্তু ময়মনসিংহ জোন থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তারা আরও জানান, গোড়াই শিল্পাঞ্চলসহ মির্জাপুরে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। বিদ্যুৎ ঘাটতির বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, আসন্ন পরীক্ষা এবং চলমান তাপপ্রবাহের কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং শিল্পকারখানা দীর্ঘমেয়াদি সংকট থেকে মুক্তি পেতে পারে।



