ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন শেষে ফেরার পথে গুলিবর্ষণ, রক্তাক্ত ৭ জন
মসজিদকে দলীয় কার্যালয় বানিয়ে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে জামায়াতের সভা, তীব্র সমালোচনা আলেমদের
চট্টগ্রামে চলমান কোরিয়ান প্রকল্প শিখতে ওয়াসার কর্মকর্তাদের চীনে বিলাসী সফর!
মাছ ও বরফ ফেলে সড়ক অবরোধ: চট্টগ্রামে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জেলেদের নজিরবিহীন বিক্ষোভ
সুনামগঞ্জে সেতুতে আইএস জঙ্গি ধারার পতাকা টানালো উগ্রবাদীরা, শঙ্কিত স্থানীয়রা
স্কুলছাত্র প্রেমের পিঠ দিয়ে গুলি ঢুকে গেছে, ঢামেকে অস্ত্রোপচার
বাঁচানো গেল না সায়মাকে, গণপিটুনির শিকার যুবকেরও মৃত্যু
বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ওপর কোটি টাকার থাবা: সিটি কর্পোরেশন ও মালিক সমিতির যৌথ সিন্ডিকেটের চাঁদা উৎসব!
২০২৩ সালের সেই ভয়াবহ এপ্রিলের অগ্নিকাণ্ড কেড়ে নিয়েছিল বঙ্গবাজারের ৫ হাজার ব্যবসায়ীর স্বপ্ন আর হাজারো কর্মচারীর জীবিকা। ছাইপাশ সরিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেখানে মাথা তুলছে ১০ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ‘বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণিবিতান’। কিন্তু দৃশ্যমান ৩ তলার এই কংক্রিটের কাঠামোর আড়ালেই এখন চলছে অন্য এক অদৃশ্য ‘লুটপাট’।
অভিযোগ উঠেছে, আগুনে সর্বস্বান্ত হওয়া ২ হাজার ৯৬১ জন ব্যবসায়ীকে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নাম করে কিস্তির টাকার বাইরেও আদায় করা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা—যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অফিস খরচ’ ও ‘সিস্টেম’!
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অধীনে প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই বিপণিবিতানে দোকান পেতে কমবেশি ২০ লাখ টাকা দিতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। ৫টি
কিস্তিতে এই টাকা পরিশোধের নিয়ম। তবে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কিস্তির স্লিপ সরাসরি সিটি কর্পোরেশনে জমা নেওয়া হচ্ছে না। মালিক সমিতির অফিস ঘুরে যাওয়ার বাধ্যবাধকতায় সেখানে চলছে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তৃতীয় কিস্তির ৩ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা নগদ নেওয়া হচ্ছে। আর এই ১০ হাজার টাকার রশিদ ধরিয়ে দিয়ে সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্তরা মুচকি হেসে বলছেন, “এটা সবাই জানে, নতুন করে বলার কিছু নেই!” হিসাবের মারপ্যাঁচ প্রথম কিস্তি: বাড়তি কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। দ্বিতীয় কিস্তি: ৩ লাখ টাকার সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল ১,৫০০ টাকা করে (মোট প্রায় ৪৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা)। তৃতীয় কিস্তি: ৩ লাখ টাকার সঙ্গে
নেওয়া হচ্ছে ১০,০০০ টাকা করে (মোট ২ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার টাকা)। টাকা না দিলে বরাদ্দ বাতিলের হুমকি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ক্ষোভ ও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “ধারদেনা করে কিস্তির টাকা জোগাড় করছি। তার ওপর এই বাড়তি টাকা দেওয়া আমাদের পিঠে কুড়ালের আঘাতের মতো। কিন্তু প্রশ্ন করার সাহস নেই। প্রশ্ন করলেই যদি দোকানের বরাদ্দ বাতিল করে দেয়!” ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই টাকার একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তার ‘৮ টেবিলে’। ১০৬ কাঠা জমির ওপর নির্মিতব্য এই নতুন ভবনে থাকবে বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোর এবং ৮টি ফ্লোর। গ্রাউন্ড থেকে সপ্তম তলা পর্যন্ত মোট ৩,০৪২টি দোকান থাকবে (যার মধ্যে
সাধারণ দোকান ৩,০২০টি)। প্রতিটি দোকানের আয়তন হবে ৮০ থেকে ১০০ স্কয়ার ফিট। পূর্বের ৪টি মার্কেটের (বঙ্গবাজার হকার, গুলিস্তান হকার্স, মহানগর হকার্স ও আদর্শ হকার্স) ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের এখানে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আতাহার আলী খান বলেন, “কিস্তির টাকা ছাড়া বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। আমি খোঁজখবর নেব এবং কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এদিকে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স (গুলিস্তান ইউনিট) এর সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বাসেত এই বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।” অন্যদিকে মূল অভিযুক্তদের একজন, সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজুর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা
হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
কিস্তিতে এই টাকা পরিশোধের নিয়ম। তবে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কিস্তির স্লিপ সরাসরি সিটি কর্পোরেশনে জমা নেওয়া হচ্ছে না। মালিক সমিতির অফিস ঘুরে যাওয়ার বাধ্যবাধকতায় সেখানে চলছে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তৃতীয় কিস্তির ৩ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা নগদ নেওয়া হচ্ছে। আর এই ১০ হাজার টাকার রশিদ ধরিয়ে দিয়ে সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্তরা মুচকি হেসে বলছেন, “এটা সবাই জানে, নতুন করে বলার কিছু নেই!” হিসাবের মারপ্যাঁচ প্রথম কিস্তি: বাড়তি কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। দ্বিতীয় কিস্তি: ৩ লাখ টাকার সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল ১,৫০০ টাকা করে (মোট প্রায় ৪৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা)। তৃতীয় কিস্তি: ৩ লাখ টাকার সঙ্গে
নেওয়া হচ্ছে ১০,০০০ টাকা করে (মোট ২ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার টাকা)। টাকা না দিলে বরাদ্দ বাতিলের হুমকি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ক্ষোভ ও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “ধারদেনা করে কিস্তির টাকা জোগাড় করছি। তার ওপর এই বাড়তি টাকা দেওয়া আমাদের পিঠে কুড়ালের আঘাতের মতো। কিন্তু প্রশ্ন করার সাহস নেই। প্রশ্ন করলেই যদি দোকানের বরাদ্দ বাতিল করে দেয়!” ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই টাকার একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তার ‘৮ টেবিলে’। ১০৬ কাঠা জমির ওপর নির্মিতব্য এই নতুন ভবনে থাকবে বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোর এবং ৮টি ফ্লোর। গ্রাউন্ড থেকে সপ্তম তলা পর্যন্ত মোট ৩,০৪২টি দোকান থাকবে (যার মধ্যে
সাধারণ দোকান ৩,০২০টি)। প্রতিটি দোকানের আয়তন হবে ৮০ থেকে ১০০ স্কয়ার ফিট। পূর্বের ৪টি মার্কেটের (বঙ্গবাজার হকার, গুলিস্তান হকার্স, মহানগর হকার্স ও আদর্শ হকার্স) ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের এখানে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আতাহার আলী খান বলেন, “কিস্তির টাকা ছাড়া বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। আমি খোঁজখবর নেব এবং কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এদিকে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স (গুলিস্তান ইউনিট) এর সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বাসেত এই বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।” অন্যদিকে মূল অভিযুক্তদের একজন, সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজুর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা
হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।



