ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ’র নির্দেশ
হলরুম ভাড়া নিয়ে ব্যক্তিগত আয়োজনকে ‘অক্সফোর্ডের আমন্ত্রণ’ দাবিতে শিবির-এনসিপির মিথ্যাচার
মহাখালী থেকে বাস ডিপো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
তিন মামলায় জামিন পেলেন মমতাজ
ইন্টারপোলের রেড নোটিশে নেই বেনজীর আহমেদের নাম, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন
খুলনায় মসজিদে সশস্ত্র হামলা: চাঁদাবাজি নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতা? তদন্তে পুলিশ
মৌলবাদীদের পথেই হাটলেন মন্ত্রী পরিষদঃ প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রীপরিষদের অসন্মতি
সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। পরে উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অনুমতি মিললেও তিনি ভারতে প্রবেশ না করে শ্রীলঙ্কার কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
প্রথম আলোসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান জাহেদ উর রহমান। আইওআরএ-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার। সংস্থাটি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২৩টি সদস্যরাষ্ট্রের একটি আন্তঃসরকারি ফোরাম, যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সমুদ্র অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাকাল
থেকেই সক্রিয় সদস্য এবং একসময় চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছে। ঘটনার মূল কারন তবে বিমানবন্দরে জটিলতা দেখা দেয় যখন জাহেদ উর রহমান ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্টের পরিবর্তে সাধারণ নাগরিক পাসপোর্ট ব্যবহার করেন। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ভারতীয় সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে জাহেদ উর রহমানের ইউটিউব চ্যানেলে ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য এবং অপপ্রচারের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তার চ্যানেল ভারতে নিষিদ্ধ এবং তাকে ইমিগ্রেশন ওয়াচলিস্টে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভূমিকা বিমানবন্দরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত থাকলেও জটিলতা নিরসনে তেমন কোনো ভূমিকা রাখেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপে তাকে প্রবেশের
অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু জাহেদ উর রহমান ভারতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। এ ঘটনা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কেন একজন সরকারি উপদেষ্টা অফিসিয়াল সফরে সাধারণ পাসপোর্ট ব্যবহার করলেন? হাইকমিশনারের নীরবতার পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না—এমন সন্দেহও তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, জাহেদ উর রহমানের অতীত বক্তব্য ও ভারত-বিরোধী অবস্থানের কারণে তার সফরের সৎ উদ্দেশ্য নিয়েও আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
থেকেই সক্রিয় সদস্য এবং একসময় চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছে। ঘটনার মূল কারন তবে বিমানবন্দরে জটিলতা দেখা দেয় যখন জাহেদ উর রহমান ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্টের পরিবর্তে সাধারণ নাগরিক পাসপোর্ট ব্যবহার করেন। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ভারতীয় সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে জাহেদ উর রহমানের ইউটিউব চ্যানেলে ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য এবং অপপ্রচারের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তার চ্যানেল ভারতে নিষিদ্ধ এবং তাকে ইমিগ্রেশন ওয়াচলিস্টে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভূমিকা বিমানবন্দরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত থাকলেও জটিলতা নিরসনে তেমন কোনো ভূমিকা রাখেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপে তাকে প্রবেশের
অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু জাহেদ উর রহমান ভারতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। এ ঘটনা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কেন একজন সরকারি উপদেষ্টা অফিসিয়াল সফরে সাধারণ পাসপোর্ট ব্যবহার করলেন? হাইকমিশনারের নীরবতার পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না—এমন সন্দেহও তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, জাহেদ উর রহমানের অতীত বক্তব্য ও ভারত-বিরোধী অবস্থানের কারণে তার সফরের সৎ উদ্দেশ্য নিয়েও আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



