ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮
“কসম কেটে বলছি, খুব নার্ভাস হয়ে গেছি, দুর্বল হয়ে পড়েছি”, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও সাত শিশুর, মোট মৃত্যু ৬২০
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইউনূস-নুরজাহানের বিচারের দাবিতে জনবিক্ষোভ
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা
ঢাকা দক্ষিণের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে আরও পাঁচ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ জন, রাজশাহী ১ ও ময়মনসিংহে ১ একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত একদিনে সারা দেশে আরও ৭৯৬ শিশুর শরীরে হাম ও হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪২ জনে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ৫৫৬ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার
পর মারা গেছে আরও ৯২ শিশু। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৮৪ হাজার ৮৯৯ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯ হাজার ৬০৬ শিশু। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬৫ হাজার ৮৫২ শিশু। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। শিশুর টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি বলেও উল্লেখ করেছেন তারা। অভিভাবকদের সতর্ক থাকার এবং শিশুকে নির্ধারিত টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও। এর আগে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত এপ্রিলে উদ্বেগ জানিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সে প্রতিবেদনে
বাংলাদেশে চলমান হামের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত হাম পরিস্থিতি নিয়ে এপ্রিলের শুরুর দিকে বাংলাদেশের ‘ন্যাশনাল আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট’ যেসব তথ্য সরবরাহ করেছিল, সেগুলোর ভিত্তিতেই প্রতিবেদন তৈরি করেছিল জাতিসংঘের সংস্থাটি। সে সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছিল, ঢাকায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এমন স্থানের মধ্যে রয়েছে ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বস্তি এলাকা।
পর মারা গেছে আরও ৯২ শিশু। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৮৪ হাজার ৮৯৯ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯ হাজার ৬০৬ শিশু। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬৫ হাজার ৮৫২ শিশু। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। শিশুর টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি বলেও উল্লেখ করেছেন তারা। অভিভাবকদের সতর্ক থাকার এবং শিশুকে নির্ধারিত টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও। এর আগে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত এপ্রিলে উদ্বেগ জানিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সে প্রতিবেদনে
বাংলাদেশে চলমান হামের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত হাম পরিস্থিতি নিয়ে এপ্রিলের শুরুর দিকে বাংলাদেশের ‘ন্যাশনাল আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট’ যেসব তথ্য সরবরাহ করেছিল, সেগুলোর ভিত্তিতেই প্রতিবেদন তৈরি করেছিল জাতিসংঘের সংস্থাটি। সে সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছিল, ঢাকায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এমন স্থানের মধ্যে রয়েছে ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বস্তি এলাকা।



