ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী
বিশ্বকাপের মাঝেই চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ব্রিতো
মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধন
পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া
কানাডার ফুটবল সাফল্যকে অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ: শমিত
জাপানের বড় ধাক্কা, অবসরের ঘোষণা এন্দোর
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়
৩ লাল কার্ডের নাটকীয় উদ্বোধনী ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো
আইকনিক এস্তাদিও আসতেকায় বৃহস্পতিবার ৩টি লাল কার্ডের চরম নাটকীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। এর মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরটি মাঠে গড়াল। দাপুটে এই জয়ে মেক্সিকো তাদের বিশ্বকাপ উদযাপনের চমৎকার সূচনা করলেও, ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় কার্ডের লড়াইয়ে।
যৌথ আয়োজকদের গ্রুপ ‘এ’ থেকে পরবর্তী পর্বে যাওয়ার অভিযানটি বেশ মসৃণভাবেই শুরু হয়েছে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী গোলটি করেন হুলিয়ান কুইনোনেস এবং ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল জিমেনেজ।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কখনোই উদ্বোধনী দিনের উৎসব মাটি করার মতো অবস্থায় দেখা আসেনি। উল্টো একের পর এক ফাউল করে শেষ পর্যন্ত নয়জন নিয়ে খেলা শেষ করতে হয়েছে তাদের। দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ
ফুটবলার স্ফেফেলো সিথোল এবং থেম্বা জোয়ানে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। মেক্সিকোও অবশ্য ম্যাচটি পুরো ১১ জন নিয়ে শেষ করতে পারেনি, শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখেন তাদের ডিফেন্ডার সিজার মন্তেস। খেলা শুরুর আগের আতশবাজি থেকে উৎপন্ন মেক্সিকান পতাকার রঙের লাল, সবুজ এবং সাদা ধোঁয়া পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই, ম্যাচের ৯ মিনিটে কুইনোনেস স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক ও অধিনায়ক রনউয়েন উইলিয়ামসের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে নিচু শটে বল জালে জড়ান তিনি। আসতেকার গ্যালারি থেকে তখন এক কানফাটানো গর্জন নেমে আসে। এই ফুটবল তীর্থই একমাত্র স্টেডিয়াম যা তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ম্যাচ আয়োজনের গৌরব অর্জন করল। দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রোস এই বিশাল কংক্রিটের
স্টেডিয়ামে ৮০,৮২৪ জন দর্শকের তৈরি করা ভীতিকর পরিবেশের জন্য তার খেলোয়াড়দের প্রস্তুত থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু শুরুর মিনিটগুলোতে মেক্সিকোর সমর্থকদের প্রতিটি সফল পাসের সঙ্গে চিৎকার করে ‘ওলে!’ বলাতে দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়দের ওপর যেন প্রবল মনস্তাত্ত্বিক চাপ ভর করেছিল। সিথোল সম্ভবত সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন। নিজের রক্ষণভাগ থেকে বল বের করে খেলার সময় তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ হারান, যা থেকে কুইনোনেস উদ্বোধনী গোলটি করেন। সিথোলের এই দুর্ভাগ্যজনক বিকেলের সমাপ্তি ঘটে ম্যাচের ৪৯ মিনিটে, যখন মেক্সিকোর ব্রায়ান গুটিয়ারেজকে গোল করার মতো ফাঁকা জায়গায় ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন তিনি। এক ফুটবলার কম নিয়ে খেলা দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর মেক্সিকো তাদের আধিপত্য আরও জোরালো করে ৬৭
মিনিটে। একটি চমৎকার প্রতি-আক্রমণ থেকে রবার্তো আলভারাডোর ক্রসে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের ফরোয়ার্ড জিমেনেজ দূরের পোস্টে হেডের সাহায্যে গোল করেন। ৮৪ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, যখন আলভারাডোর মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করার কারণে ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর জোয়ানে লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও নাটকীয়তা বাকি ছিল, যখন পেনাল্টি বক্সের প্রান্তে খুলিসা মুদাওকে ফাউল করার অপরাধে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার সিজার মন্তেসকেও লাল কার্ড দেখানো হয়। ফলে দুই দল মিলিয়ে মোট ৩টি লাল কার্ডের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী ম্যাচ।
ফুটবলার স্ফেফেলো সিথোল এবং থেম্বা জোয়ানে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। মেক্সিকোও অবশ্য ম্যাচটি পুরো ১১ জন নিয়ে শেষ করতে পারেনি, শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখেন তাদের ডিফেন্ডার সিজার মন্তেস। খেলা শুরুর আগের আতশবাজি থেকে উৎপন্ন মেক্সিকান পতাকার রঙের লাল, সবুজ এবং সাদা ধোঁয়া পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই, ম্যাচের ৯ মিনিটে কুইনোনেস স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক ও অধিনায়ক রনউয়েন উইলিয়ামসের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে নিচু শটে বল জালে জড়ান তিনি। আসতেকার গ্যালারি থেকে তখন এক কানফাটানো গর্জন নেমে আসে। এই ফুটবল তীর্থই একমাত্র স্টেডিয়াম যা তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ম্যাচ আয়োজনের গৌরব অর্জন করল। দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রোস এই বিশাল কংক্রিটের
স্টেডিয়ামে ৮০,৮২৪ জন দর্শকের তৈরি করা ভীতিকর পরিবেশের জন্য তার খেলোয়াড়দের প্রস্তুত থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু শুরুর মিনিটগুলোতে মেক্সিকোর সমর্থকদের প্রতিটি সফল পাসের সঙ্গে চিৎকার করে ‘ওলে!’ বলাতে দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়দের ওপর যেন প্রবল মনস্তাত্ত্বিক চাপ ভর করেছিল। সিথোল সম্ভবত সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন। নিজের রক্ষণভাগ থেকে বল বের করে খেলার সময় তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ হারান, যা থেকে কুইনোনেস উদ্বোধনী গোলটি করেন। সিথোলের এই দুর্ভাগ্যজনক বিকেলের সমাপ্তি ঘটে ম্যাচের ৪৯ মিনিটে, যখন মেক্সিকোর ব্রায়ান গুটিয়ারেজকে গোল করার মতো ফাঁকা জায়গায় ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন তিনি। এক ফুটবলার কম নিয়ে খেলা দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর মেক্সিকো তাদের আধিপত্য আরও জোরালো করে ৬৭
মিনিটে। একটি চমৎকার প্রতি-আক্রমণ থেকে রবার্তো আলভারাডোর ক্রসে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের ফরোয়ার্ড জিমেনেজ দূরের পোস্টে হেডের সাহায্যে গোল করেন। ৮৪ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, যখন আলভারাডোর মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করার কারণে ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর জোয়ানে লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও নাটকীয়তা বাকি ছিল, যখন পেনাল্টি বক্সের প্রান্তে খুলিসা মুদাওকে ফাউল করার অপরাধে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার সিজার মন্তেসকেও লাল কার্ড দেখানো হয়। ফলে দুই দল মিলিয়ে মোট ৩টি লাল কার্ডের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী ম্যাচ।



