দুদকের মামলা নিষ্পত্তির বিনিময়ে ওয়াদা পত্রিকায় বিনিয়োগ, চক্রের মূল হোতা প্রেস উইংয়ের তিন কর্মকর্তা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ মে, ২০২৬

দুদকের মামলা নিষ্পত্তির বিনিময়ে ওয়াদা পত্রিকায় বিনিয়োগ, চক্রের মূল হোতা প্রেস উইংয়ের তিন কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ মে, ২০২৬ |
এমজিএইচ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলার নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইংয়ের তিন কর্মকর্তাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র সক্রিয় ছিল বলে অনুসন্ধান ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম, উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ মামলার গতিপথ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখেন। এই তিনজনের মধ্যে শফিকুল আলম আগে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির ব্যুরো প্রধান ছিলেন। অন্যদিকে আজাদ ও ফয়েজ নিউ এজ পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। ফয়েজ ওই পত্রিকায় দুদক বিটের

প্রতিবেদক এবং সাংবাদিক সংগঠনের দায়িত্বশীল পদেও ছিলেন বলে জানা গেছে। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও সূত্রের দাবি অনুযায়ী, মামলাটি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় এমজিএইচ গ্রুপের কাছ থেকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি একটি পত্রিকায় বিনিয়োগের বিষয়ও সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার নিষ্পত্তির শর্ত হিসেবে ওই বিনিয়োগে এমজিএইচ গ্রুপকে যুক্ত করা হয়। সূত্র আরও জানায়, ‘ওয়াদা’ নামের একটি পত্রিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় ওই তিন কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পত্রিকাটির সম্পাদক হিসেবে শফিকুল আলম এবং শীর্ষ পদে আজাদ মজুমদারের নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফয়েজ আহম্মদ মালিকানায় যুক্ত থাকলেও তিনি নিউ এজ পত্রিকায় চাকরি চালিয়ে যান বলে জানা যায়। অন্যদিকে, দুদক সূত্রে জানা যায়,

এমজিএইচ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মামলা করা হয়। মামলায় বলা হয়, তিনি অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের মার্চে দুদক তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনে মোট ১৩৬ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১১৮ কোটি টাকার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেলেও প্রায় ১৭ কোটি টাকার কোনো গ্রহণযোগ্য উৎস পাওয়া যায়নি বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়। তদন্তে ওই অংশকে অবৈধ সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে মামলার অগ্রগতি পরে পরিবর্তিত হয়। অভিযোগপত্র অনুমোদনের

প্রায় সাত মাস পর, ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করে। আবেদনে বলা হয়, সরকার মামলাটি আর চালাতে চায় না। পরে ঢাকার একটি বিশেষ আদালত আবেদন গ্রহণ করে আনিস আহমেদ গোর্কিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে জব্দ করা আলামত ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয় এবং আনিস আহমেদ গোর্কি আইনগতভাবে মামলা থেকে মুক্তি পান। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি ঘিরে আর্থিক লেনদেন, বিনিয়োগ চাপ এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সামনে এসেছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার! কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি চুয়াত্তরেও সেই জাদু রুনা লায়লার কণ্ঠে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮ কোরআনের দৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত যারা মানুষ কেন নাক খোঁটে জানেন? বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির: দেশের জ্বালানি সংকটের দ্রুত কোনো সমাধান নেই চরম গ্যাস সংকটে উৎপাদনে ধস: সংকটে শিল্প, শঙ্কায় রপ্তানি ও কর্মসংস্থান অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল ঘোষণা: ফিরলেন সৌম্য ও জাকের, বাদ জয় ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ৪২% খেলাপি, বাড়ছে বড় ঋণের ঝুঁকি বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা ‘লীগ নেতা’ ট্যাগে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে ব্যবসায়ীকে আয়নাঘরে নির্যাতনের পর পুলিশে দিল বিএনপি নেতা জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ডিগবাজি দেওয়া নেতা চাঁদাবাজির দায়ে গ্রেপ্তার অস্ত্রের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বাড়ছে জঙ্গি আতঙ্ক