ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবিরের হাতাহাতি
একাদশের ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করতে কমিটি
ববিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত: ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি
বাঘায় ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করেনি
একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ১২ নভেম্বর
তিন ধাক্কায় নাজুক এসএসসির ফল
আন্দোলন-বিপ্লবে পড়াশোনায় ভাটা: ১৫ বছরের সর্বনিম্নে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাশের হার
ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বৈছা নেতাদের বৈষম্যমূলক গণমামলা: শত শত মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকিতে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নামে একের পর এক মামলা দায়ের করে ছাত্রত্ব বাতিলের আবেদন করায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, এই যথেচ্ছ নামের তালিকায় তাদের শিক্ষাজীবন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
শাহবাগ থানায় প্রথম এজাহার দায়ের করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী এমডি মাহিন সরকার। তিনি ৩৯১ জনের নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন এবং অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় এক হাজার জনকে আসামি করেন। অভিযোগ রয়েছে, যেখান থেকে যেভাবে নাম এসেছে, সেভাবেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে নামধারী ব্যক্তিদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয়নি বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে মাহিন সরকার নিজেই স্বীকার করেছেন যে, অনেক নিরপরাধ
শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি অপরাধবোধে ভুগছেন এবং মামলা প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। তবে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের অনেকেই এখনো মামলার ঝামেলায় পড়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছেন না। একজন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “আমার কখনো ছাত্রলীগে কোনো পদ-পদবি ছিল না, ভবিষ্যতেও ছাত্রলীগের রাজনীতি করার কোনো সম্ভাবনা নেই। অথচ এই মামলার কারণে আমি হয়রানির শিকার হয়েছি।” তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযোগ অনেক শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে এবং কেউ কেউ হয়তো বাধ্য হয়ে ছাত্রলীগের দিকে ঝুঁকতে পারেন। উল্লেখ্য, এরপর আরেকজন আরমান হোসাইনও অনুরূপ মামলা দায়ের করেছেন। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাহিন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কেউ কেউ নাম বাদ দেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি
সে বিষয়ে চেষ্টা করছেন। অতীতের আন্দোলনের সঙ্গে বৈপরীত্য উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, গত ১৭ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য আন্দোলন-প্রতিবাদ হয়েছে। কোনো আন্দোলনেই এভাবে শত শত শিক্ষার্থীর নামে গণমামলা দিয়ে ছাত্রত্ব বাতিলের আবেদন করা হয়নি। এবারের ঘটনাকে ‘যথেচ্ছ’ ও ‘বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা, ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে।বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এই পদক্ষেপ নিয়ে বর্তমানে ক্যাম্পাসে তীব্র সমালোচনা চলছে। অনেকে এটিকে ‘প্রতিশোধমূলক’ ও ‘অন্যায় হয়রানি’ হিসেবে দেখছেন। মাহিন সরকারের অপরাধবোধ স্বীকারের পরও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দ্রুত মামলা প্রত্যাহার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি অপরাধবোধে ভুগছেন এবং মামলা প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। তবে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের অনেকেই এখনো মামলার ঝামেলায় পড়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছেন না। একজন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “আমার কখনো ছাত্রলীগে কোনো পদ-পদবি ছিল না, ভবিষ্যতেও ছাত্রলীগের রাজনীতি করার কোনো সম্ভাবনা নেই। অথচ এই মামলার কারণে আমি হয়রানির শিকার হয়েছি।” তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযোগ অনেক শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে এবং কেউ কেউ হয়তো বাধ্য হয়ে ছাত্রলীগের দিকে ঝুঁকতে পারেন। উল্লেখ্য, এরপর আরেকজন আরমান হোসাইনও অনুরূপ মামলা দায়ের করেছেন। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাহিন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কেউ কেউ নাম বাদ দেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি
সে বিষয়ে চেষ্টা করছেন। অতীতের আন্দোলনের সঙ্গে বৈপরীত্য উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, গত ১৭ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য আন্দোলন-প্রতিবাদ হয়েছে। কোনো আন্দোলনেই এভাবে শত শত শিক্ষার্থীর নামে গণমামলা দিয়ে ছাত্রত্ব বাতিলের আবেদন করা হয়নি। এবারের ঘটনাকে ‘যথেচ্ছ’ ও ‘বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা, ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে।বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এই পদক্ষেপ নিয়ে বর্তমানে ক্যাম্পাসে তীব্র সমালোচনা চলছে। অনেকে এটিকে ‘প্রতিশোধমূলক’ ও ‘অন্যায় হয়রানি’ হিসেবে দেখছেন। মাহিন সরকারের অপরাধবোধ স্বীকারের পরও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দ্রুত মামলা প্রত্যাহার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।



