ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা
স্বর্ণবাজারে ১৩ বছরের সবচেয়ে বড় ধস!
জুলাইয়ে অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানির দাম
বুধবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
ব্যাংক নোট কেন বাতিল করা হয়?
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ফের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ
চলতি বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৯ শতাংশের নিচে নামলেও ফের বেড়েছে। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গেল ২০২৫—এর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এলেও নভেম্বর থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। তবে দেশে দ্রব্যমূল্যর উর্ধ্বগতির মাঝেও মার্চে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে এসেছিল।
বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এর আগে গেল বছরের ডিসেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ, নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, অক্টোবরে ছিল ৮ দশমিক ১৭
শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে। ২০২৫ সালের এপ্রিল এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুসারে শহর ও গ্রামে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এপ্রিলে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ২
শতাংশ। মার্চে যা ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। একইসঙ্গে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরির হার। মার্চে মজুরির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।
শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে। ২০২৫ সালের এপ্রিল এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুসারে শহর ও গ্রামে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এপ্রিলে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ২
শতাংশ। মার্চে যা ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। একইসঙ্গে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরির হার। মার্চে মজুরির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।



