ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের
খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ট্রাম্পের বক্তব্যজুড়ে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’
‘১০ ঘণ্টার অপেক্ষাও কিছু নয়’, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
নিজের এআই ছবি নিয়ে বিপাকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কিছু ছবি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এই ছবি ইস্যুতে তিনি সমর্থকদের সতর্ক করেছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) মেলোনি জানিয়েছেন, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলো এআই দিয়ে বানানো। তিনি এর পেছনে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দোষ দিয়েছেন।
মেলোনি এক বিবৃতিতে জানান, তার একাধিক ভুয়া ছবি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। সেগুলোকে বাস্তব ছবি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ছড়াচ্ছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী একটি ছবি শেয়ারও করেন, যেখানে তাকে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় বিছানায় বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। মূল পোস্টে ছবিটিকে ‘লজ্জাজনক’ ও ইতালির প্রধানমন্ত্রীর জন্য ‘অনুপযুক্ত’ বলে মন্তব্য করা হয়েছিল।
মেলোনি বলেন, স্বীকার করতেই হবে, যারা এগুলো
তৈরি করেছে, অন্তত এই ছবির ক্ষেত্রে তারা আমাকে কিছুটা ‘উন্নত’ও করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে মানুষকে আক্রমণ ও মিথ্যা ছড়াতে এখন ‘যেকোনো কিছুই’ ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু আমাকে নিয়ে নয়। ডিপফেক একটি বিপজ্জনক হাতিয়ার। কারণ এটি প্রতারণা করতে পারে, মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে এবং যেকাউকে আঘাত করতে পারে। আমি নিজেকে রক্ষা করতে পারি, কিন্তু অনেকেই তা পারেন না। মেলোনি জনগণকে অনলাইনে কোনো তথ্য গ্রহণ বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান। এবারই প্রথম নয়। দুই বছর আগে মেলোনি সার্ডিনিয়ার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি মেলোনির মুখ ব্যবহার করে
ডিপফেক পর্নোগ্রাফিক ছবি তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেন। মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
তৈরি করেছে, অন্তত এই ছবির ক্ষেত্রে তারা আমাকে কিছুটা ‘উন্নত’ও করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে মানুষকে আক্রমণ ও মিথ্যা ছড়াতে এখন ‘যেকোনো কিছুই’ ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু আমাকে নিয়ে নয়। ডিপফেক একটি বিপজ্জনক হাতিয়ার। কারণ এটি প্রতারণা করতে পারে, মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে এবং যেকাউকে আঘাত করতে পারে। আমি নিজেকে রক্ষা করতে পারি, কিন্তু অনেকেই তা পারেন না। মেলোনি জনগণকে অনলাইনে কোনো তথ্য গ্রহণ বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান। এবারই প্রথম নয়। দুই বছর আগে মেলোনি সার্ডিনিয়ার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি মেলোনির মুখ ব্যবহার করে
ডিপফেক পর্নোগ্রাফিক ছবি তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেন। মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।



