ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা
স্বর্ণবাজারে ১৩ বছরের সবচেয়ে বড় ধস!
জুলাইয়ে অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানির দাম
বুধবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
ব্যাংক নোট কেন বাতিল করা হয়?
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ঈদ ঘিরে চামড়া ব্যবসায়ীদের অনুকূলে ঋণ বিতরণের নির্দেশ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে চামড়া ব্যবসায়ীদের অনুকূলে ঋণ বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৫ মে) জারি করা এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, চামড়া শিল্প দেশীয় কাঁচামালনির্ভর একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাত, যা জাতীয় প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও সাশ্রয় এবং মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রতি বছর এ শিল্পে ব্যবহৃত মোট কাঁচামালের একটি বড় অংশই আসে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর চামড়া থেকে। ফলে এই সময়ে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, এ সময়ে যদি কাঁচা চামড়া
ব্যবসায়ীদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থের জোগান নিশ্চিত করা যায়, তাহলে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত চামড়া ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিপণন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যেই ব্যাংকসমূহকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অনুকূলে চলতি মূলধন ঋণ সীমা মঞ্জুর ও দ্রুত বিতরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়, এ ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে শুধু অনুমোদনেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। যাতে তৃণমূল পর্যায়ে চামড়া ক্রয় কার্যক্রমে জড়িত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরাও সহজে এ সুবিধা পেতে পারেন। চামড়া সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত সব পর্যায়ে অর্থায়নের প্রবাহ নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, যেসব চামড়া
ব্যবসায়ীর পূর্বে পুনঃতপশিল করা ঋণ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন ঋণ সুবিধা প্রদানের সময় পুনঃতপশিল করা ঋণের বিপরীতে কম্প্রোমাইজড অর্থ আদায়ের বাধ্যবাধকতা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে। এ শিথিলতা ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে, যাতে ব্যবসায়ীরা সহজে নতুন ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন এবং কাঁচা চামড়া ক্রয় কার্যক্রমে অংশ নিতে সক্ষম হন। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোকে ২০২৬ সালে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া ক্রয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা ২০২৫ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম নির্ধারণ করা যাবে না। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং বাস্তবায়িত ঋণ বিতরণের তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে আগামী ৩১ জুলাই তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ
ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে পাঠাতে হবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়, এ নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের চামড়া খাতের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রমে গতি আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে এ খাতে জড়িত বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এ নির্দেশনা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ব্যবসায়ীদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থের জোগান নিশ্চিত করা যায়, তাহলে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত চামড়া ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিপণন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যেই ব্যাংকসমূহকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অনুকূলে চলতি মূলধন ঋণ সীমা মঞ্জুর ও দ্রুত বিতরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়, এ ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে শুধু অনুমোদনেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। যাতে তৃণমূল পর্যায়ে চামড়া ক্রয় কার্যক্রমে জড়িত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরাও সহজে এ সুবিধা পেতে পারেন। চামড়া সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত সব পর্যায়ে অর্থায়নের প্রবাহ নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, যেসব চামড়া
ব্যবসায়ীর পূর্বে পুনঃতপশিল করা ঋণ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন ঋণ সুবিধা প্রদানের সময় পুনঃতপশিল করা ঋণের বিপরীতে কম্প্রোমাইজড অর্থ আদায়ের বাধ্যবাধকতা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে। এ শিথিলতা ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে, যাতে ব্যবসায়ীরা সহজে নতুন ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন এবং কাঁচা চামড়া ক্রয় কার্যক্রমে অংশ নিতে সক্ষম হন। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোকে ২০২৬ সালে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া ক্রয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা ২০২৫ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম নির্ধারণ করা যাবে না। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং বাস্তবায়িত ঋণ বিতরণের তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে আগামী ৩১ জুলাই তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ
ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে পাঠাতে হবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়, এ নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের চামড়া খাতের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রমে গতি আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে এ খাতে জড়িত বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এ নির্দেশনা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।



