ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের
খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ট্রাম্পের বক্তব্যজুড়ে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’
‘১০ ঘণ্টার অপেক্ষাও কিছু নয়’, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
নেতানিয়াহু নয়, ইসরাইলের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ট্রাম্প!
বর্তমানে ইসরাইলের যুদ্ধ সংক্রান্ত যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে সরাসরি ওয়াশিংটন থেকে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ধারণা নিয়ে বেশ উৎসাহিত ছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অংশীদার হিসেবে নিয়ে তিনি ইরানের মতো একটি আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে বড় ধরনের যুদ্ধ পরিচালনা করছেন।
তবে সময়ের সাথে সাথে যুদ্ধের মোড় ঘুরে যাওয়ায় এখন পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিয়েছে। বর্তমানে ইসরাইলি মহলে এই বিতর্ক জোরালো হচ্ছে যে যুদ্ধের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর একক কোনো কর্তৃত্ব নেই। যেমন, লেবাননে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ইচ্ছায় ঘটেনি।
এই সিদ্ধান্তটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে এবং ইসরাইল তা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলোতে এখন এই শঙ্কা
প্রকাশ পাচ্ছে যে এই সংঘাত একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। অন্যদিকে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। জনমত জরিপগুলোতে তার অবস্থান আশঙ্কাজনকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ওয়াশিংটনের সংকেতের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই, কারণ যুদ্ধের চাবিকাঠি এখন পুরোপুরি মার্কিন প্রশাসনের হাতে।
প্রকাশ পাচ্ছে যে এই সংঘাত একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। অন্যদিকে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। জনমত জরিপগুলোতে তার অবস্থান আশঙ্কাজনকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ওয়াশিংটনের সংকেতের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই, কারণ যুদ্ধের চাবিকাঠি এখন পুরোপুরি মার্কিন প্রশাসনের হাতে।



