ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২ দিন বন্ধ থাকবে স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি
প্রাইজবন্ডের ড্র আজ, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা
ধাপে ধাপে মাশুল-ভাড়া বৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানিতে ব্যয়বৃদ্ধি: ভোক্তার নাভিশ্বাস চরমে
অস্থিরতার শঙ্কার মধ্যে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কী করছে
লভ্যাংশ দিতে পারেনি অর্ধেকের বেশি ব্যাংক
পুরোনো ভোজ্যতেল নতুন দামে বিক্রি
উচ্চসুদে বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী থেকে ১.৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময় নিয়ে যা জানা গেল
গত ২১ এপ্রিল জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশনের সুপারিশ প্রণয়নে গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করে সরকার। সম্প্রতি ওই কমিটিগুলো তাদের মতামত জমা দিয়েছে।
সুপারিশ অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হতে পারে। আর আগামী ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর হতে পারে।
কমিটির মতামতের ভিত্তিতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বাজারদর- জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটি তাদের প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আর্থিক চাপ বিবেচনায় নিয়ে নবম পে স্কেল
ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। আগামী জুলাই থেকে প্রথম ধাপ হিসেবে মূল বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি কার্যকর হতে পারে। আরও জানা গেছে, সচিব কমিটির প্রস্তাবগুলো বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। আসন্ন বাজেটে এ জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূল বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, পরবর্তীতে চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য ভাতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেই আসবে। জানা গেছে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ ৮ম পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ১১ বছর অতিবাহিত হলেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নবম পে স্কেলের সুপারিশ প্রণয়নে পে
কমিশন গঠন করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে পে কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়। প্রস্তাবিত পে স্কেলে বলা হয়েছে, বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা ও বাড়িভাড়া ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা মিলিয়ে সর্বমোট বেতন-ভাতা হয় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। প্রস্তাবিত বেতনস্কেল অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের উল্লিখিত কর্মচারীর মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা। ভাতা মিলে সর্বমোট বেতন-ভাতা হবে ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা।
ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। আগামী জুলাই থেকে প্রথম ধাপ হিসেবে মূল বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি কার্যকর হতে পারে। আরও জানা গেছে, সচিব কমিটির প্রস্তাবগুলো বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। আসন্ন বাজেটে এ জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূল বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, পরবর্তীতে চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য ভাতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেই আসবে। জানা গেছে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ ৮ম পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ১১ বছর অতিবাহিত হলেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নবম পে স্কেলের সুপারিশ প্রণয়নে পে
কমিশন গঠন করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে পে কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়। প্রস্তাবিত পে স্কেলে বলা হয়েছে, বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা ও বাড়িভাড়া ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা মিলিয়ে সর্বমোট বেতন-ভাতা হয় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। প্রস্তাবিত বেতনস্কেল অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের উল্লিখিত কর্মচারীর মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা। ভাতা মিলে সর্বমোট বেতন-ভাতা হবে ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা।



