ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে তনু হত্যা মামলার জট খুলছে
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর জলাশয়ে মিলল রোহিঙ্গা গৃহবধূর নিথর দেহ
ছিনতাইয়ের তদন্তে গিয়ে পুলিশের শর্টগান ছিনতাই
মোহাম্মদপুর থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, যে কারণ দেখানো হলো
১২ দিন পার হলেও মেলেনি হদিস: বাঁশখালীতে একই মাদ্রাসার দুই ছাত্রের অন্তর্ধান নিয়ে জনমনে আতঙ্ক
বিভিন্ন জেলায় বন্ধ থাকা বিমানবন্দর নিয়ে সুখবর
বিএনপি সন্ত্রাসীর হাজার কোটির চাঁদা ও দখল মিশন
অভিনব কায়দায় চোরের চাঁদা দাবি!
রাজশাহীর বাগমারায় এক রাতে ৬৫টি গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক মিটার ও ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির পর সাদা কাগজে মোবাইল নাম্বার লিখে রেখে ভুক্তভোগীদের কাছে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১ মে ) ও মঙ্গলবার ( ২৮ এপ্রিল ) রাতে উপজেলার গোবিন্দপাড়া, আউচপাড়া, বাসুপাড়া, শুভডাঙ্গা, সোনাডাঙ্গা, নরদাশ, গনিপুর ও মাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব মিটার ও ট্রান্সফরমার চুরি হয়। অপরাধীরা ঘটনাস্থলে মোবাইল নাম্বার লিখে রেখে যায়।
পরে ওই নাম্বারে যোগাযোগ করলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতি মিটারের জন্য সাত
হাজার টাকা এবং ট্রান্সফরমারের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ টাকা পরিশোধ করে খড়ের পালা বা ঝোপঝাড় থেকে তাদের মিটার উদ্ধার করেছেন। শালজোড় গ্রামের সাইদুর রহমান, তেলিপুকুরের আসাদুল ইসলাম ও গনিপুরের বজলুর রশিদ জানান, নির্ধারিত টাকা দেওয়ার পর চোরদের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা মিটার ফিরে পেয়েছেন। অন্যদিকে, পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবুল কাসেম ও ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ করেন, এ ধরনের চুরির সঙ্গে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী জড়িত থাকতে পারে। বাগমারা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুল ইসলাম জানান, মিটার ও ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় গ্রাহকদের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হচ্ছে। অথচ চোর শনাক্ত
হচ্ছে না। চোরদের লিখে দেওয়া মোবাইল নাম্বরাগুলো ট্র্যাকিং করলেই তাদের শনাক্ত করা যাবে। বাগমারা থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, চোরদের লিখে দেওয়া নাম্বারগুলো ট্র্যাকিং করলে দেখা গেছে, তারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোক। তবে মিটার চুরির ঘটনায় বাইরের লোকদের সঙ্গে বাগমারা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কেউ জড়িত আছে কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাজার টাকা এবং ট্রান্সফরমারের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ টাকা পরিশোধ করে খড়ের পালা বা ঝোপঝাড় থেকে তাদের মিটার উদ্ধার করেছেন। শালজোড় গ্রামের সাইদুর রহমান, তেলিপুকুরের আসাদুল ইসলাম ও গনিপুরের বজলুর রশিদ জানান, নির্ধারিত টাকা দেওয়ার পর চোরদের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা মিটার ফিরে পেয়েছেন। অন্যদিকে, পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবুল কাসেম ও ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ করেন, এ ধরনের চুরির সঙ্গে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী জড়িত থাকতে পারে। বাগমারা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুল ইসলাম জানান, মিটার ও ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় গ্রাহকদের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হচ্ছে। অথচ চোর শনাক্ত
হচ্ছে না। চোরদের লিখে দেওয়া মোবাইল নাম্বরাগুলো ট্র্যাকিং করলেই তাদের শনাক্ত করা যাবে। বাগমারা থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, চোরদের লিখে দেওয়া নাম্বারগুলো ট্র্যাকিং করলে দেখা গেছে, তারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোক। তবে মিটার চুরির ঘটনায় বাইরের লোকদের সঙ্গে বাগমারা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কেউ জড়িত আছে কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



