ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল
ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি
মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক
ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা”
গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য
আওয়ামী লীগ সরকার পতন: ইউএসএইডের ২৯ মিলিয়ন ডলারের একাংশ পেয়েছিল সমকাল, বিটনিক ও দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট
যতদিন বেঁচে থাকবেন, একা হাঁটতে পারবেন না’— ড. ইউনূসকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের কড়া হুঁশিয়ারি
বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় চার দিনের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। কারণটা লজ্জাজনক রকম সাধারণ, বিদ্যুৎ নেই। একটানা এক ঘণ্টাও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ মিলছে না এলাকায়। ফলে ক্লাস নেই, পরীক্ষা নেই, হলে থাকা ছাত্রছাত্রীরা বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। হাসপাতাল কোনোমতে চালু রাখা হয়েছে কারণ সেখানে মানুষের জীবন আটকে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়টা বন্ধ করে দেওয়া অনেক সহজ ছিল, সেটাই করা হয়েছে।
এই ঘটনাটাকে নিছক একটা প্রশাসনিক বিজ্ঞপ্তি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটা আসলে একটা অবৈধ দখলদার সরকারের অক্ষমতার দলিল।
বিএনপি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় এসেছে এমন একটা নির্বাচনের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, সাধারণ মানুষ ভোট কেন্দ্রে যায়নি, এবং ফলাফল মাঠে
নামার আগেই অনেকটা স্থির ছিল। সেই নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা এখন আর রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়, এটা নিছক বাস্তবতার বর্ণনা। কিন্তু সেই প্রশ্নটা এখন একটু অন্যভাবে করা দরকার। নির্বাচন করে ক্ষমতায় বসা গেছে ঠিকই, কিন্তু দেশ চালানোর সক্ষমতা কোথায়? বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট কোনো নতুন সমস্যা নয়। দশকের পর দশক ধরে এই সংকট চলছে, বিভিন্ন সরকার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির গল্প শোনানো হয়েছে, কিন্তু গরমকাল এলেই তাঁত শিল্পের এলাকায় বিদ্যুৎ উধাও হয়ে যায়। এনায়েতপুর এমন একটি এলাকা যেখানে শিল্প আছে, চাহিদা আছে, মানুষ আছে। সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, এটা ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু না। বিএনপি ক্ষমতার
বাইরে থাকার সময় বিদ্যুৎ সংকটকে তৎকালীন সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে উপস্থাপন করত। কিন্তু এখন নিজেরা ক্ষমতায়, মন্ত্রীরা দপ্তরে বসে আছেন, সচিবালয় চলছে, বক্তৃতা হচ্ছে, অথচ সিরাজগঞ্জে একটা বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের তরফ থেকে কোনো ব্যাখ্যা নেই, কোনো সমাধানের টাইমলাইন নেই, কোনো দায় স্বীকার নেই। যে মন্ত্রিসভা এখন চলছে সেটাকে "তথাকথিত" বলার কারণ শুধু নির্বাচনের প্রশ্নে নয়। একটা মন্ত্রিসভার বৈধতা শুধু ব্যালটে নির্ধারিত হয় না, কাজেও নির্ধারিত হয়। যে সরকার মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে পারে না, ছাত্রদের ক্লাসে পাঠাতে পারে না, সেই সরকার যত বড় দাবিই করুক না কেন, জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয় না। ক্ষমতা নেওয়া একটা কাজ।
ক্ষমতা চালানো সম্পূর্ণ আলাদা একটা কাজ। দ্বিতীয়টায় এই সরকার এখন পর্যন্ত কার্যত অনুপস্থিত।
নামার আগেই অনেকটা স্থির ছিল। সেই নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা এখন আর রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়, এটা নিছক বাস্তবতার বর্ণনা। কিন্তু সেই প্রশ্নটা এখন একটু অন্যভাবে করা দরকার। নির্বাচন করে ক্ষমতায় বসা গেছে ঠিকই, কিন্তু দেশ চালানোর সক্ষমতা কোথায়? বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট কোনো নতুন সমস্যা নয়। দশকের পর দশক ধরে এই সংকট চলছে, বিভিন্ন সরকার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির গল্প শোনানো হয়েছে, কিন্তু গরমকাল এলেই তাঁত শিল্পের এলাকায় বিদ্যুৎ উধাও হয়ে যায়। এনায়েতপুর এমন একটি এলাকা যেখানে শিল্প আছে, চাহিদা আছে, মানুষ আছে। সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, এটা ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু না। বিএনপি ক্ষমতার
বাইরে থাকার সময় বিদ্যুৎ সংকটকে তৎকালীন সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে উপস্থাপন করত। কিন্তু এখন নিজেরা ক্ষমতায়, মন্ত্রীরা দপ্তরে বসে আছেন, সচিবালয় চলছে, বক্তৃতা হচ্ছে, অথচ সিরাজগঞ্জে একটা বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের তরফ থেকে কোনো ব্যাখ্যা নেই, কোনো সমাধানের টাইমলাইন নেই, কোনো দায় স্বীকার নেই। যে মন্ত্রিসভা এখন চলছে সেটাকে "তথাকথিত" বলার কারণ শুধু নির্বাচনের প্রশ্নে নয়। একটা মন্ত্রিসভার বৈধতা শুধু ব্যালটে নির্ধারিত হয় না, কাজেও নির্ধারিত হয়। যে সরকার মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে পারে না, ছাত্রদের ক্লাসে পাঠাতে পারে না, সেই সরকার যত বড় দাবিই করুক না কেন, জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয় না। ক্ষমতা নেওয়া একটা কাজ।
ক্ষমতা চালানো সম্পূর্ণ আলাদা একটা কাজ। দ্বিতীয়টায় এই সরকার এখন পর্যন্ত কার্যত অনুপস্থিত।



