ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের
খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ট্রাম্পের বক্তব্যজুড়ে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’
‘১০ ঘণ্টার অপেক্ষাও কিছু নয়’, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
মেট অপেরাকে ২০ কোটি ডলার দেবে না সৌদি
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার রেশ ব্যাপকভাবে পড়েছে সৌদি আরবের অর্থনীতিতে। চাপ বেড়ে যাওয়ায় নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটন অপেরা হাউসকে দিতে চাওয়া ২০ কোটি ডলারের চুক্তি থেকে সরে এসেছে রিয়াদ।
গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এমন তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
সৌদি আরবের প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ তহবিলের তুলনায় ২০ কোটি ডলার ছোট অঙ্ক হলেও, সাম্প্রতিক বিবেচনায় সেটি বড় প্রভাব ফেলছে। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতিতে প্রভাব ফেলছে। যার প্রভাব পড়ছে দেশটির অর্থনীতিতে।
মেট অপেরার জেনারেল ম্যানেজার পিটার গেল্ব নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল চলাচলে অবরোধ সৌদি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলায় রিয়াদ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গেল্ব বলেন, সৌদি কর্মকর্তারা তাকে
জানিয়েছেন, এখন তারা শুধু অত্যাবশ্যক প্রকল্পগুলোই চালু রাখছে। মেট অপেরা অর্থায়ন ‘অত্যাবশ্যক প্রকল্পের বাইরে’ রেখেছে রিয়াদ। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আর্থিক সংকটে পড়ে মেট অপেরা সৌদি আরবের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। সে সময় পরিচালন ব্যয় চালাতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের এনডাওমেন্ট ফান্ড থেকে প্রায় ১২ কোটি ডলার, অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ব্যবহার করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, সৌদি আরব অর্থায়ন দেবে এবং বিনিময়ে মেট অপেরা প্রতি শীতে তিন সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবে পরিবেশনা করবে। তেলনির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে সৌদি আরব ক্রীড়া, শিল্প ও বিনোদনে ইতোমধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। তবে ধাক্কা এসেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্যটনেও ধাক্কা লেগেছে। চলতি মাসের শুরুতে পর্যটক কমে
যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দুবাইয়ের বিখ্যাত বুর্জ আল আরব হোটেল ১৮ মাসের সংস্কারকাজে বন্ধের ঘোষণা দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পর্যটন বুমের বড় সুবিধাভোগী হলেও সৌদি আরবও নিজস্ব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে অবস্থান গড়ার চেষ্টা করছিল। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সৌদির আরেক বড় বিনিয়োগ প্রকল্পেও। ফিন্যানশিয়াল টাইমস এপ্রিল মাসে জানায়, পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড প্রতিদ্বন্দ্বী গলফ ট্যুর লিভ গলফকে দেওয়া ৫ বিলিয়ন ডলারের সমর্থন কমানোর পথে রয়েছে। তবে যুদ্ধ শুরুর আগেই সৌদি আরব কিছু উচ্চাভিলাষী প্রকল্প পুনর্মূল্যায়ন করছিল। ডিসেম্বরে অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছিলেন, রিয়াদ প্রকল্প পুনর্বিবেচনা থেকে বিরত থাকবে না। এরই মধ্যে রাজধানী রিয়াদে নির্মাণাধীন বিশাল ঘনকাকৃতি প্রকল্প মুকাব স্থগিত করা হয়েছে। মরুভূমিতে স্কি রিসোর্ট এবং কৃত্রিম
হ্রদের জন্য বড় বাঁধ নির্মাণ পরিকল্পনাও বাতিল হয়েছে। সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন থাকায় দেশটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি করতে পারে। ফলে যুদ্ধের মধ্যেও তেল রপ্তানি চালিয়ে যাওয়া প্রায় একমাত্র উপসাগরীয় রাষ্ট্র সৌদি আরব এবং উচ্চ তেলের দাম থেকেও তারা লাভবান হচ্ছে। তবুও সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য নিজেদের নিরাপদ ব্যবসা ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা কঠিন করে তুলেছে। পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড গভর্নর ইয়াসির আল-রুমাইয়ান আল আরাবিয়া বিজনেসকে বলেন, ইরান যুদ্ধ পিআইএফের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণে চাপ তৈরি করছে।
জানিয়েছেন, এখন তারা শুধু অত্যাবশ্যক প্রকল্পগুলোই চালু রাখছে। মেট অপেরা অর্থায়ন ‘অত্যাবশ্যক প্রকল্পের বাইরে’ রেখেছে রিয়াদ। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আর্থিক সংকটে পড়ে মেট অপেরা সৌদি আরবের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। সে সময় পরিচালন ব্যয় চালাতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের এনডাওমেন্ট ফান্ড থেকে প্রায় ১২ কোটি ডলার, অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ব্যবহার করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, সৌদি আরব অর্থায়ন দেবে এবং বিনিময়ে মেট অপেরা প্রতি শীতে তিন সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবে পরিবেশনা করবে। তেলনির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে সৌদি আরব ক্রীড়া, শিল্প ও বিনোদনে ইতোমধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। তবে ধাক্কা এসেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্যটনেও ধাক্কা লেগেছে। চলতি মাসের শুরুতে পর্যটক কমে
যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দুবাইয়ের বিখ্যাত বুর্জ আল আরব হোটেল ১৮ মাসের সংস্কারকাজে বন্ধের ঘোষণা দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পর্যটন বুমের বড় সুবিধাভোগী হলেও সৌদি আরবও নিজস্ব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে অবস্থান গড়ার চেষ্টা করছিল। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সৌদির আরেক বড় বিনিয়োগ প্রকল্পেও। ফিন্যানশিয়াল টাইমস এপ্রিল মাসে জানায়, পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড প্রতিদ্বন্দ্বী গলফ ট্যুর লিভ গলফকে দেওয়া ৫ বিলিয়ন ডলারের সমর্থন কমানোর পথে রয়েছে। তবে যুদ্ধ শুরুর আগেই সৌদি আরব কিছু উচ্চাভিলাষী প্রকল্প পুনর্মূল্যায়ন করছিল। ডিসেম্বরে অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছিলেন, রিয়াদ প্রকল্প পুনর্বিবেচনা থেকে বিরত থাকবে না। এরই মধ্যে রাজধানী রিয়াদে নির্মাণাধীন বিশাল ঘনকাকৃতি প্রকল্প মুকাব স্থগিত করা হয়েছে। মরুভূমিতে স্কি রিসোর্ট এবং কৃত্রিম
হ্রদের জন্য বড় বাঁধ নির্মাণ পরিকল্পনাও বাতিল হয়েছে। সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন থাকায় দেশটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি করতে পারে। ফলে যুদ্ধের মধ্যেও তেল রপ্তানি চালিয়ে যাওয়া প্রায় একমাত্র উপসাগরীয় রাষ্ট্র সৌদি আরব এবং উচ্চ তেলের দাম থেকেও তারা লাভবান হচ্ছে। তবুও সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য নিজেদের নিরাপদ ব্যবসা ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা কঠিন করে তুলেছে। পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড গভর্নর ইয়াসির আল-রুমাইয়ান আল আরাবিয়া বিজনেসকে বলেন, ইরান যুদ্ধ পিআইএফের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণে চাপ তৈরি করছে।



