ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মসজিদে নববীর পরিচ্ছন্নতা ও কার্পেট পরিচর্যায় চমকপ্রদ তথ্য
যে নবী আমাদের জন্য কেঁদেছেন, আমরা কি কখনও তার জন্য কেঁদেছি?
হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেশে ফিরছেন হাজিরা
রাতেই শুরু হচ্ছে হজ যাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট
মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ
খুতবা শেষে আরাফার ময়দানে নামাজ আদায়
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু
হজে বিধি লঙ্ঘন করলেই গুনতে হবে বড় জরিমানা
আসন্ন ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমকে সামনে রেখে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। পবিত্র হজের মর্যাদা রক্ষা ও হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অনুমতি ছাড়া হজ পালনকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হজের নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ জিলকদ (১৯ এপ্রিল) থেকে ১৪ জিলহজ পর্যন্ত ভ্রমণ বা ভিজিট ভিসাধারীদের মক্কা-য় প্রবেশ ও অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ সময় কেউ ভ্রমণ ভিসা নিয়ে হজ পালনের চেষ্টা করলে বা মক্কায় অবস্থান করলে তাকে ২০ হাজার রিয়াল
জরিমানা করা হবে। সবচেয়ে বড় জরিমানার মুখে পড়বেন তারা, যারা অবৈধভাবে কাউকে মক্কায় নিয়ে যাবেন। পরিবহনকারী বা দালালদের ক্ষেত্রে ১ লাখ রিয়াল জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট যানবাহন বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। এমনকি জড়িত ব্যক্তির সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। মক্কার পবিত্র স্থানগুলোতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে আবাসন খাতেও কঠোর নজরদারি আরোপ করা হয়েছে। হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট বা ব্যক্তিগত বাসায় অনুমতি ছাড়া কাউকে আশ্রয় দিলে সংশ্লিষ্ট মালিক বা কর্তৃপক্ষকেও ১ লাখ রিয়াল জরিমানা করা হবে। এছাড়া, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ বা অবৈধভাবে অবস্থানরত প্রবাসীরা যদি হজে অংশ নেন, তবে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা
হবে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ৩০ দিনের মধ্যে প্রশাসনিক আদালতে আপিল করতে পারবেন। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনের তথ্য ৯১১ নম্বরে জানাতে নাগরিক ও প্রবাসীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখ লাখ হাজির নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হজ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনুমোদন বা পারমিট ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা না করার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
জরিমানা করা হবে। সবচেয়ে বড় জরিমানার মুখে পড়বেন তারা, যারা অবৈধভাবে কাউকে মক্কায় নিয়ে যাবেন। পরিবহনকারী বা দালালদের ক্ষেত্রে ১ লাখ রিয়াল জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট যানবাহন বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। এমনকি জড়িত ব্যক্তির সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। মক্কার পবিত্র স্থানগুলোতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে আবাসন খাতেও কঠোর নজরদারি আরোপ করা হয়েছে। হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট বা ব্যক্তিগত বাসায় অনুমতি ছাড়া কাউকে আশ্রয় দিলে সংশ্লিষ্ট মালিক বা কর্তৃপক্ষকেও ১ লাখ রিয়াল জরিমানা করা হবে। এছাড়া, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ বা অবৈধভাবে অবস্থানরত প্রবাসীরা যদি হজে অংশ নেন, তবে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা
হবে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ৩০ দিনের মধ্যে প্রশাসনিক আদালতে আপিল করতে পারবেন। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনের তথ্য ৯১১ নম্বরে জানাতে নাগরিক ও প্রবাসীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখ লাখ হাজির নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হজ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনুমোদন বা পারমিট ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা না করার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।



