ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবারও বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করল কানাডা
আওয়ামী লীগ আমলের চুক্তি: ভারত থেকে আসছে নতুন প্রজন্মের রেলকোচের প্রথম চালান
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তির অভিঘাত: বাংলাদেশ সরকারের কেনাকাটার সকল তথ্য দাখিলের চাপ
৫০% চাঁদা না পেয়ে পুলিশের সামনেই ঠিকাদার ও সাংবাদিকের উপর কর্ণফুলী যুবদল নেতার হামলা
একইসাথে বাসাবাড়ি ও শপিংমলে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না: রাত ৮টার পর বন্ধ মল-মার্কেট
কী দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা ভারতকে, যা ভারত চিরকাল মনে রাখবে?
হোটেল অলিও অভিযানে আটক- ইউনূস আমলে খালাস, জেএমবির ‘বোমারু মামুন’ এখন পুলিশের খাতায় ‘নাটের গুরু’
প্রেসার কুকার বোমা: আইএস/আলকায়দা’র উদ্ভাবিত ও বহুল ব্যবহৃত বোমা এখন বাংলাদেশে
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে একাধিক স্থানে প্রেসার কুকার বোমা উদ্ধারের খবর নতুন করে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই ধরনের বোমা বিশ্বজুড়ে একাধিক ভয়াবহ হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাব্য প্রভাব বোঝা বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
একটি পুরনো কৌশল, নতুন প্রেক্ষাপট
অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (ওআরএফ) একটি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দৈনন্দিন গৃহস্থালি পণ্য প্রেসার কুকারকে বিস্ফোরক বহনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার কৌশল কয়েক দশক ধরে চলে আসছে। আফগানিস্তান, নেপাল, পাকিস্তান ও ভারতে বিভিন্ন বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে। পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু প্রশিক্ষণ শিবিরকে এ ধরনের বোমা তৈরি ও ব্যবহারের প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবেও চিহ্নিত
করা হয়েছে। ২০১০ সালে আলকায়েদা তাদের ইংরেজি প্রচারপত্র “ইনস্পায়ার”-এ এই পদ্ধতিকে হামলার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরে, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর জন্য একটি রেফারেন্স হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করা হয়। লস্কর-ই-তৈয়বা, হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামি, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মতো গোষ্ঠীগুলোও পূর্বে এই কৌশল ব্যবহার করেছে বলে নথিভুক্ত রয়েছে। জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) ও এর মতো স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোও একই ধরনের নিম্ন-প্রযুক্তির উপকরণ-নির্ভর বিস্ফোরক কৌশলের সঙ্গে পরিচিত বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন। কেন এই বোমা নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় মাথাব্যথা সামরিক মানের বিস্ফোরক আরডিএক্সের তুলনায় প্রেসার কুকার বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা কম হলেও, নিরাপত্তা দৃষ্টিকোণ থেকে এটি বরং বেশি জটিল সমস্যা তৈরি
করে। ওআরএফ-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী এর পেছনে তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে— প্রথমত, এই বোমা তৈরির মূল উপাদান একটি সাধারণ প্রেসার কুকার এবং দৈনন্দিন সহজলভ্য উপকরণ, যা কেনাবেচার ওপর নজরদারি চালানো কার্যত অসম্ভব। দ্বিতীয়ত, সাধারণ ব্যাগ বা ব্যাকপ্যাকে সহজেই লুকিয়ে রাখা যাওয়ায় প্রচলিত তল্লাশি পদ্ধতি বা স্নিফার ডগের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তৃতীয়ত, অনলাইন ও অফলাইনে এ সংক্রান্ত তথ্য সহজলভ্য থাকায় সংগঠিত কোনো বড় নেটওয়ার্ক ছাড়াই বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি বা ছোট দল এ ধরনের হামলা চালাতে সক্ষম হয়—যা গোয়েন্দা নজরদারির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বৈশ্বিক দৃষ্টান্ত: ইতিহাস যা সতর্ক করে বিশ্বজুড়ে একাধিক ভয়াবহ হামলায় এই কৌশল ব্যবহৃত হয়েছে। ২০০৬ সালের মুম্বাই ট্রেন
সিরিজ বিস্ফোরণ, ২০০৮ সালের দিল্লি সিরিজ বিস্ফোরণ, ২০১০ সালের বারাণসী বিস্ফোরণ এবং ২০১৩ সালের হায়দরাবাদ বিস্ফোরণ—এই সবকটি ঘটনায় প্রেসার কুকার বা অনুরূপ গৃহস্থালি পাত্র ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০১০ সালে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ফয়সাল শাহজাদের ব্যর্থ বোমা হামলার চেষ্টাতেও একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল ২০১৩ সালের বোস্টন ম্যারাথন হামলা, যেখানে দুটি প্রেসার কুকার বোমার বিস্ফোরণে তিনজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়। তদন্তে জানা যায়, ধাতব বল-বিয়ারিং ও ধারালো ধাতব টুকরা ভরে বোমা দুটিকে সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টির উপযোগী করে তোলা হয়েছিল। ওই হামলার পর মার্কিন কর্তৃপক্ষের সামনে বড় প্রশ্ন দাঁড়ায়—ভবিষ্যতে অনুরূপ “কপিক্যাট” হামলা কীভাবে ঠেকানো
যাবে, যেহেতু প্রেসার কুকার বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা বাস্তবে সম্ভব নয়। ২০১৩ সালের ২রা জুলাই কানাডার ভিক্টোরিয়া শহরের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে ‘কানাডা ডে’র ছুটির দিনে তিনটি প্রেশার-কুকার বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে হামলার আল-কায়েদা-অনুপ্রাণিত একটি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়েছিল। “নিজ উদ্যোগে উগ্রবাদী হয়ে ওঠার এই আচরণের উদ্দেশ্য ছিল কোনো জাতীয় ছুটির দিনে সর্বোচ্চ প্রভাব ফেলা,” ঘটনার পরে বলেছিলেন রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সহকারী কমিশনার ওয়েইন রাইডআউট। বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের কারণ বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক প্রেসার কুকার বোমা উদ্ধারের খবর সামনে আসার প্রেক্ষাপটে এসব বৈশ্বিক দৃষ্টান্ত বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। জনবহুল স্থান—যেমন বাজার, গণপরিবহন, উপাসনালয় বা রাজনৈতিক সমাবেশস্থল—এ ধরনের বোমা ব্যবহারের লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে, যেখানে
স্বল্প শক্তির বিস্ফোরণেও ব্যাপক প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটতে পারে। এর বাইরে এ ধরনের হামলার একটি বড় প্রভাব হলো মনস্তাত্ত্বিক—জনমনে দীর্ঘস্থায়ী ভীতি ও অনিরাপত্তাবোধ তৈরি করা, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় শুধু প্রচলিত তল্লাশি বা শনাক্তকরণ প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়। বরং বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ সরবরাহ চেইন পর্যবেক্ষণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তির চলাফেরা ও অনলাইন কার্যকলাপের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা বৃদ্ধি—এই সম্মিলিত পদক্ষেপই অধিক কার্যকর হতে পারে। প্রেসার কুকার বোমা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল কোনো অস্ত্র নয়, কিন্তু ঠিক এই সরলতাই একে বিপজ্জনক করে তুলেছে। সহজলভ্য উপকরণ, শনাক্তকরণের
জটিলতা এবং বৈশ্বিকভাবে বহুল ব্যবহৃত হওয়ার ইতিহাস বিবেচনায় নিলে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক উদ্ধারের ঘটনাগুলোকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এই প্রবণতা রোধে দীর্ঘমেয়াদী ও সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। তথ্যসূত্র: অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ORF), “Pressure cooker bombs: Low-intensity but greater headache than RDX,” এপ্রিল ২০১৩। Al-Qaeda pressure cooker bomb plot thwarted in Canada
করা হয়েছে। ২০১০ সালে আলকায়েদা তাদের ইংরেজি প্রচারপত্র “ইনস্পায়ার”-এ এই পদ্ধতিকে হামলার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরে, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর জন্য একটি রেফারেন্স হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করা হয়। লস্কর-ই-তৈয়বা, হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামি, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মতো গোষ্ঠীগুলোও পূর্বে এই কৌশল ব্যবহার করেছে বলে নথিভুক্ত রয়েছে। জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) ও এর মতো স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোও একই ধরনের নিম্ন-প্রযুক্তির উপকরণ-নির্ভর বিস্ফোরক কৌশলের সঙ্গে পরিচিত বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন। কেন এই বোমা নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় মাথাব্যথা সামরিক মানের বিস্ফোরক আরডিএক্সের তুলনায় প্রেসার কুকার বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা কম হলেও, নিরাপত্তা দৃষ্টিকোণ থেকে এটি বরং বেশি জটিল সমস্যা তৈরি
করে। ওআরএফ-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী এর পেছনে তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে— প্রথমত, এই বোমা তৈরির মূল উপাদান একটি সাধারণ প্রেসার কুকার এবং দৈনন্দিন সহজলভ্য উপকরণ, যা কেনাবেচার ওপর নজরদারি চালানো কার্যত অসম্ভব। দ্বিতীয়ত, সাধারণ ব্যাগ বা ব্যাকপ্যাকে সহজেই লুকিয়ে রাখা যাওয়ায় প্রচলিত তল্লাশি পদ্ধতি বা স্নিফার ডগের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তৃতীয়ত, অনলাইন ও অফলাইনে এ সংক্রান্ত তথ্য সহজলভ্য থাকায় সংগঠিত কোনো বড় নেটওয়ার্ক ছাড়াই বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি বা ছোট দল এ ধরনের হামলা চালাতে সক্ষম হয়—যা গোয়েন্দা নজরদারির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বৈশ্বিক দৃষ্টান্ত: ইতিহাস যা সতর্ক করে বিশ্বজুড়ে একাধিক ভয়াবহ হামলায় এই কৌশল ব্যবহৃত হয়েছে। ২০০৬ সালের মুম্বাই ট্রেন
সিরিজ বিস্ফোরণ, ২০০৮ সালের দিল্লি সিরিজ বিস্ফোরণ, ২০১০ সালের বারাণসী বিস্ফোরণ এবং ২০১৩ সালের হায়দরাবাদ বিস্ফোরণ—এই সবকটি ঘটনায় প্রেসার কুকার বা অনুরূপ গৃহস্থালি পাত্র ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০১০ সালে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ফয়সাল শাহজাদের ব্যর্থ বোমা হামলার চেষ্টাতেও একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল ২০১৩ সালের বোস্টন ম্যারাথন হামলা, যেখানে দুটি প্রেসার কুকার বোমার বিস্ফোরণে তিনজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়। তদন্তে জানা যায়, ধাতব বল-বিয়ারিং ও ধারালো ধাতব টুকরা ভরে বোমা দুটিকে সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টির উপযোগী করে তোলা হয়েছিল। ওই হামলার পর মার্কিন কর্তৃপক্ষের সামনে বড় প্রশ্ন দাঁড়ায়—ভবিষ্যতে অনুরূপ “কপিক্যাট” হামলা কীভাবে ঠেকানো
যাবে, যেহেতু প্রেসার কুকার বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা বাস্তবে সম্ভব নয়। ২০১৩ সালের ২রা জুলাই কানাডার ভিক্টোরিয়া শহরের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে ‘কানাডা ডে’র ছুটির দিনে তিনটি প্রেশার-কুকার বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে হামলার আল-কায়েদা-অনুপ্রাণিত একটি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়েছিল। “নিজ উদ্যোগে উগ্রবাদী হয়ে ওঠার এই আচরণের উদ্দেশ্য ছিল কোনো জাতীয় ছুটির দিনে সর্বোচ্চ প্রভাব ফেলা,” ঘটনার পরে বলেছিলেন রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সহকারী কমিশনার ওয়েইন রাইডআউট। বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের কারণ বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক প্রেসার কুকার বোমা উদ্ধারের খবর সামনে আসার প্রেক্ষাপটে এসব বৈশ্বিক দৃষ্টান্ত বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। জনবহুল স্থান—যেমন বাজার, গণপরিবহন, উপাসনালয় বা রাজনৈতিক সমাবেশস্থল—এ ধরনের বোমা ব্যবহারের লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে, যেখানে
স্বল্প শক্তির বিস্ফোরণেও ব্যাপক প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটতে পারে। এর বাইরে এ ধরনের হামলার একটি বড় প্রভাব হলো মনস্তাত্ত্বিক—জনমনে দীর্ঘস্থায়ী ভীতি ও অনিরাপত্তাবোধ তৈরি করা, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় শুধু প্রচলিত তল্লাশি বা শনাক্তকরণ প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়। বরং বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ সরবরাহ চেইন পর্যবেক্ষণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তির চলাফেরা ও অনলাইন কার্যকলাপের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা বৃদ্ধি—এই সম্মিলিত পদক্ষেপই অধিক কার্যকর হতে পারে। প্রেসার কুকার বোমা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল কোনো অস্ত্র নয়, কিন্তু ঠিক এই সরলতাই একে বিপজ্জনক করে তুলেছে। সহজলভ্য উপকরণ, শনাক্তকরণের
জটিলতা এবং বৈশ্বিকভাবে বহুল ব্যবহৃত হওয়ার ইতিহাস বিবেচনায় নিলে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক উদ্ধারের ঘটনাগুলোকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এই প্রবণতা রোধে দীর্ঘমেয়াদী ও সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। তথ্যসূত্র: অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ORF), “Pressure cooker bombs: Low-intensity but greater headache than RDX,” এপ্রিল ২০১৩। Al-Qaeda pressure cooker bomb plot thwarted in Canada



