ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জয় বাংলা বললে গ্রেপ্তার হতে হবে এমন বাস্তবতা কখনো কল্পনা করিনি: মুক্তিযোদ্ধা লুতফা হাসীন রোজী
জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে ডিপ স্টেটের সাথে যোগাযোগ ছিল, তাদের গাইডলাইন অনুসরণ করেই কাজ হয়েছে-আসিফ মাহমুদ
ব্রেক চাপলেও থামেনি পদ্মায় ডোবা বাসটি
আসছে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ
গোয়েন্দা প্রতিবেদন, ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি
বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পাবে : ইরান
‘২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পুরো স্ট্রাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল ডিপ স্টেট’
মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর কোন অবদান ছিলো না বলায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ; জমিয়তে উলামায়ে নেতাকে গলাধাক্কা
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান ছিল না’ বলে মন্তব্য করায় জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক কাওসারীকে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পটুয়াখালীতে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মাওলানা কাওসারীর এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ করেন। তাঁদের ক্ষোভ ও হট্টগোলের মুখে জেলা প্রশাসন তাঁকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দিতে বাধ্য হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, “এ ধরনের আপত্তিকর ও ইতিহাসবিরোধী বক্তব্য স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করার অপচেষ্টা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানই এ দেশের স্বাধীনতার স্থপতি। তাঁর নেতৃত্ব ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ সম্ভব ছিল না।” প্রতিবাদের একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, অনুষ্ঠানটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে। সেখানে এমন বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়ায় উপস্থিত সবার অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। অনেকে বলছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিরা এখনও ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ বিষয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জেলা শাখার পক্ষ থেকে এখনও
কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মহান স্বাধীনতা দিবসের মতো জাতীয় দিবসে এ ধরনের ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
রহমানই এ দেশের স্বাধীনতার স্থপতি। তাঁর নেতৃত্ব ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ সম্ভব ছিল না।” প্রতিবাদের একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, অনুষ্ঠানটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে। সেখানে এমন বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়ায় উপস্থিত সবার অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। অনেকে বলছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিরা এখনও ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ বিষয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জেলা শাখার পক্ষ থেকে এখনও
কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মহান স্বাধীনতা দিবসের মতো জাতীয় দিবসে এ ধরনের ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।



