ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা
মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’
থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
‘২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পুরো স্ট্রাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল ডিপ স্টেট’
‘ডিপ স্টেট’ স্ট্রাটেজি সাজিয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, “আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদের বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদের আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়। তাদের থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল, আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত আপনারা শেষ করেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। তাদের সার্টেন কিছু শর্ত ছিল।’
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডিপ স্টেটের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘তাদের (ডিপ স্টেট) কিছু কিছু জায়গায়
ফ্যাসিলিটেট করা এবং তারা রোডম্যাপও করে নিয়ে আসছিল যে, বিএনপির নেতাদের তো সাজা আছে, সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না। আপনারা তো জানেন সেটা কীভাবে করা যায়। আদালতের ডেট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে।’ তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের নিজের নামেও সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন নির্বাচন হলেও তিনি বাংলাদেশের নির্বাচন অংশগ্রহণ করতে পারতেন না। তারা পুরো স্ট্রাটেজি আমাদের সাজিয়ে দিয়েছিল। কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়। তাদের সঙ্গে এক ধরনের নেগোসিয়েশন সমঝোতার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু তাতে রাজি হইনি।’ এনসিপি মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা সবসময় গণতন্ত্রকে সামনে রেখে এবং সেটার প্রতি কমিটমেন্ট সরকারের ছিল বলে নির্বাচনটা হয়েছে। নির্বাচনকে নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়
সেজন্য নিজেরা আগবাড়িয়ে পদত্যাগ করে চলে এসেছি। কিন্তু আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের দুজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি সরকারের মন্ত্রী পদ মর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকার দলই আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল। নির্বাচনের লেভেল ফিল্ডের এক ধরনের যুক্তি দাড় করেছে। কিন্তু তারাই এই ধরনের কাজকর্ম এখন করল। তারাই আগের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন দায়িত্বশীলকে তাদের সরকার মন্ত্রী হিসেবে নিল।’ তিনি বলেন, ‘এটা বোঝা যায়, তারা এই নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ডকে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই মানুষগুলো যাদের তারা এখন পুরস্কৃত করে তাদের ব্যবহার করেছে। এই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ন্যারেটিভ তখন আমাদের পক্ষে উৎপাদিত হতো। ডিপ
স্টেট এজেন্সি যদি সঙ্গে থাকত, তাহলে তো সবাই বলতে পারত, সংবিধান অনুযায়ী ২৯ সালে নির্বাচন হওয়া উচিত। তাহলে সরকার থাক ২৯ সাল পর্যন্ত। তা আমরা সমঝোতা করিনি।’
ফ্যাসিলিটেট করা এবং তারা রোডম্যাপও করে নিয়ে আসছিল যে, বিএনপির নেতাদের তো সাজা আছে, সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না। আপনারা তো জানেন সেটা কীভাবে করা যায়। আদালতের ডেট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে।’ তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের নিজের নামেও সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন নির্বাচন হলেও তিনি বাংলাদেশের নির্বাচন অংশগ্রহণ করতে পারতেন না। তারা পুরো স্ট্রাটেজি আমাদের সাজিয়ে দিয়েছিল। কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়। তাদের সঙ্গে এক ধরনের নেগোসিয়েশন সমঝোতার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু তাতে রাজি হইনি।’ এনসিপি মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা সবসময় গণতন্ত্রকে সামনে রেখে এবং সেটার প্রতি কমিটমেন্ট সরকারের ছিল বলে নির্বাচনটা হয়েছে। নির্বাচনকে নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়
সেজন্য নিজেরা আগবাড়িয়ে পদত্যাগ করে চলে এসেছি। কিন্তু আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের দুজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি সরকারের মন্ত্রী পদ মর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকার দলই আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল। নির্বাচনের লেভেল ফিল্ডের এক ধরনের যুক্তি দাড় করেছে। কিন্তু তারাই এই ধরনের কাজকর্ম এখন করল। তারাই আগের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন দায়িত্বশীলকে তাদের সরকার মন্ত্রী হিসেবে নিল।’ তিনি বলেন, ‘এটা বোঝা যায়, তারা এই নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ডকে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই মানুষগুলো যাদের তারা এখন পুরস্কৃত করে তাদের ব্যবহার করেছে। এই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ন্যারেটিভ তখন আমাদের পক্ষে উৎপাদিত হতো। ডিপ
স্টেট এজেন্সি যদি সঙ্গে থাকত, তাহলে তো সবাই বলতে পারত, সংবিধান অনুযায়ী ২৯ সালে নির্বাচন হওয়া উচিত। তাহলে সরকার থাক ২৯ সাল পর্যন্ত। তা আমরা সমঝোতা করিনি।’



