ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
ভারত থেকে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া বা ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তবে জ্বালানি খাতের সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যতটুকু জানি, ভারত থেকে আমরা গ্রিন সিগন্যাল পেয়েছি। তবে এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয় বিস্তারিত জানাতে পারবে।
আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ভারতের সাথে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ও ভারতে পলাতক অন্যান্য ব্যক্তিদের ফেরত আনার বিষয়ে শামা ওবায়েদ
জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই এ বিষয়ে জোরালো তৎপরতা শুরু করেছে। তিনি বলেন, গত এক মাসে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে আমাদের একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। আপনারা দেখেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথেও বৈঠক হয়েছে। যারা ভারতে পালিয়ে আছে, তাদের সবাইকে ফেরত আনার বিষয়ে আমরা ভারত সরকারের সাথে কথা বলেছি। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার কোনো চুক্তি বাস্তবায়নের আগে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যেকোনো চুক্তি আমরা বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেই বাস্তবায়নে যাবো। কোনো চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে অবশ্যই তা নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে। সংসদ এবং সংসদের বাইরেও এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ থাকবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যদি কোনো চুক্তি আলোচনার
পর্যায়ে থাকে, তবে তাও জাতীয় স্বার্থ মাথায় রেখে উন্মুক্ত আলোচনা করা হবে। উল্লেখ্য, সরকার পরিবর্তনের পর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার ভারতের সাথে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে। তবে, সংসদে থাকা জামায়াত ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো ভারতের সাথে বিএনপি সরকারের এই সম্পর্ককে এবার কিভাবে দেখেন সেটাই দেখার বিষয়।
জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই এ বিষয়ে জোরালো তৎপরতা শুরু করেছে। তিনি বলেন, গত এক মাসে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে আমাদের একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। আপনারা দেখেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথেও বৈঠক হয়েছে। যারা ভারতে পালিয়ে আছে, তাদের সবাইকে ফেরত আনার বিষয়ে আমরা ভারত সরকারের সাথে কথা বলেছি। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার কোনো চুক্তি বাস্তবায়নের আগে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যেকোনো চুক্তি আমরা বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেই বাস্তবায়নে যাবো। কোনো চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে অবশ্যই তা নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে। সংসদ এবং সংসদের বাইরেও এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ থাকবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যদি কোনো চুক্তি আলোচনার
পর্যায়ে থাকে, তবে তাও জাতীয় স্বার্থ মাথায় রেখে উন্মুক্ত আলোচনা করা হবে। উল্লেখ্য, সরকার পরিবর্তনের পর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার ভারতের সাথে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে। তবে, সংসদে থাকা জামায়াত ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো ভারতের সাথে বিএনপি সরকারের এই সম্পর্ককে এবার কিভাবে দেখেন সেটাই দেখার বিষয়।



