ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
টানা প্রায় দুই বছর ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতির উচ্চ ঝুঁকির ‘লাল’ শ্রেণি থেকে বের হতে পারেনি বাংলাদেশ। সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্যপণ্যের দামে সাম্প্রতিক সময়ে আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করছে। সর্বশেষ বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ‘লাল’ শ্রেণিতেই রাখা হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, ৫ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি থাকা দেশগুলো এই শ্রেণিতে পড়ে। টানা প্রায় ১০ মাস ধরে এ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, যা খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা বাংলাদেশের আমদানি নির্ভর অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি ও পরিবহন খাতে ব্যয় বাড়লে
তার প্রভাব খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়ে এবং মূল্যস্ফীতি আরও উসকে দিতে পারে। এতে সামনের দিনে বাজারে চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) -এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, খাদ্য মূল্যস্ফীতির বর্তমান প্রবণতা উদ্বেগজনক। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকট দীর্ঘায়িত হলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হবে, যার নেতিবাচক প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়বে। তার মতে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অগ্রগতি সীমিত। এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে, যা গত ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। কয়েক মাস ধরে নিম্নমুখী থাকার পর সাম্প্রতিক
সময়ে এ সূচক আবার বাড়তে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি বজায় থাকায় নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, আয়ের বড় অংশ খাদ্যে ব্যয় হওয়ায় মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৩০ শতাংশ বা তার বেশি হলে ‘বেগুনি’, ৫ থেকে ৩০ শতাংশ হলে ‘লাল’, ২ থেকে ৫ শতাংশ হলে ‘হলুদ’ এবং ২ শতাংশের নিচে হলে ‘সবুজ’ শ্রেণিতে রাখা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ‘লাল’ শ্রেণিতেই অবস্থান করছে, যা মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকির সংকেত বহন করে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা, ডলারের বিনিময় হার, জ্বালানি ব্যয়
ও সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা—সব মিলিয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। নীতিগত সমন্বয় ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা না থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
তার প্রভাব খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়ে এবং মূল্যস্ফীতি আরও উসকে দিতে পারে। এতে সামনের দিনে বাজারে চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) -এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, খাদ্য মূল্যস্ফীতির বর্তমান প্রবণতা উদ্বেগজনক। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকট দীর্ঘায়িত হলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হবে, যার নেতিবাচক প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়বে। তার মতে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অগ্রগতি সীমিত। এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে, যা গত ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। কয়েক মাস ধরে নিম্নমুখী থাকার পর সাম্প্রতিক
সময়ে এ সূচক আবার বাড়তে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি বজায় থাকায় নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, আয়ের বড় অংশ খাদ্যে ব্যয় হওয়ায় মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৩০ শতাংশ বা তার বেশি হলে ‘বেগুনি’, ৫ থেকে ৩০ শতাংশ হলে ‘লাল’, ২ থেকে ৫ শতাংশ হলে ‘হলুদ’ এবং ২ শতাংশের নিচে হলে ‘সবুজ’ শ্রেণিতে রাখা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ‘লাল’ শ্রেণিতেই অবস্থান করছে, যা মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকির সংকেত বহন করে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা, ডলারের বিনিময় হার, জ্বালানি ব্যয়
ও সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা—সব মিলিয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। নীতিগত সমন্বয় ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা না থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।



