ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি: ইউনুস সরকারের একনায়কোচিত সিদ্ধান্তের ধাক্কা টেলিকমিউনিকেশন খাতেও
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নিয়ে বিতর্ক: ছাত্রদল নেতার হাতে গরিবদের অনুদানের টাকা
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে কখন কোথায় ঈদের জামাত
এনএসসিকে ‘হুমকি’ দিয়ে আরও বিপাকে বুলবুল
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজটে চরম ভোগান্তি ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের
চীনা দূতাবাসের ঈদ উপহার বিতরণে জামায়াতের “দলীয়প্রীতি”: প্রকৃত দুস্থদের বঞ্চিত করে দলীয় অবস্থাসম্পন্ন লোকজনের মাঝে বণ্টন
রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকায় (আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস। গত ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) এই অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নিজে উপস্থিত থেকে উপহারের প্যাকেট তুলে দেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অনুষ্ঠানে ১,০০০-এরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।
চীনা দূতাবাসের অফিসিয়াল বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এটি চীনা দূতাবাসের একক উদ্যোগ এবং কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যৌথ আয়োজন নয়। এই দাতব্য কর্মসূচি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি চীনের বন্ধুত্ব ও সহানুভূতির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
কিন্তু
মাঠের বাস্তব চিত্র এবং পরবর্তী ঘটনাবলী পুরো বিষয়টিকে বিতর্কিত করে তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, স্থানীয় এমপি ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশে বা সহায়তায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা (বিশেষ করে নারী-পুরুষ কর্মী) আগেভাগে বড় বড় প্যাকেট দখল করে বসে পড়েন। কেউ কেউ ইফতারের আগেই প্যাকেট নিয়ে চলে যান। প্রকৃত দুস্থ ও অভাবী মানুষের পরিবর্তে দলীয় অবস্থাসম্পন্ন লোকজনকে এসব উপহার দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে বিদেশি আয়োজকরাও হতবাক হয়ে পড়েন। অনুষ্ঠানের পর জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রথমে এটিকে চীন ও জামায়াতের যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়। ছবি ও ভিডিওসহ পোস্টে দাবি করা হয় যে, দুস্থদের মধ্যে ফুড প্যাক
বিতরণ করা হয়েছে যৌথভাবে। কিন্তু চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বিবৃতি আসার পর (যাতে বলা হয়েছে, এটি শুধু চীনের উদ্যোগ এবং কোনো যৌথ আয়োজন নয়) জামায়াতকে পোস্ট সংশোধন করতে হয়। পরে তারা দাবি করে যে, এটি চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনী এলাকা (ঢাকা-১৫) বাসিন্দাদের জন্য দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন— কেন স্থানীয় এমপি হিসেবে প্রকৃত অভাবী মানুষদের তালিকা তৈরি করে না এনে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হলো? কেন চীনের মানবিক উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য ব্যবহার করা হলো? এমনকি কিছু পোস্টে বলা হয়েছে যে, জামায়াতের লোকজন সাধারণ মানুষকে বলছিল যে
এটি জামায়াতেরই বিতরণ। চীনা দূতাবাসের এই বিব্রতকর অবস্থানের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি নেতিবাচক দিক তুলে ধরেছে। একদিকে বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের মানবিক কাজ, অন্যদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের সুযোগসন্ধানী আচরণ— এই দ্বন্দ্ব সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে। প্রকৃত দুস্থরা এই উপহার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন কি না, তা নিয়েও তদন্তের দাবি উঠেছে।
মাঠের বাস্তব চিত্র এবং পরবর্তী ঘটনাবলী পুরো বিষয়টিকে বিতর্কিত করে তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, স্থানীয় এমপি ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশে বা সহায়তায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা (বিশেষ করে নারী-পুরুষ কর্মী) আগেভাগে বড় বড় প্যাকেট দখল করে বসে পড়েন। কেউ কেউ ইফতারের আগেই প্যাকেট নিয়ে চলে যান। প্রকৃত দুস্থ ও অভাবী মানুষের পরিবর্তে দলীয় অবস্থাসম্পন্ন লোকজনকে এসব উপহার দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে বিদেশি আয়োজকরাও হতবাক হয়ে পড়েন। অনুষ্ঠানের পর জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রথমে এটিকে চীন ও জামায়াতের যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়। ছবি ও ভিডিওসহ পোস্টে দাবি করা হয় যে, দুস্থদের মধ্যে ফুড প্যাক
বিতরণ করা হয়েছে যৌথভাবে। কিন্তু চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বিবৃতি আসার পর (যাতে বলা হয়েছে, এটি শুধু চীনের উদ্যোগ এবং কোনো যৌথ আয়োজন নয়) জামায়াতকে পোস্ট সংশোধন করতে হয়। পরে তারা দাবি করে যে, এটি চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনী এলাকা (ঢাকা-১৫) বাসিন্দাদের জন্য দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন— কেন স্থানীয় এমপি হিসেবে প্রকৃত অভাবী মানুষদের তালিকা তৈরি করে না এনে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হলো? কেন চীনের মানবিক উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য ব্যবহার করা হলো? এমনকি কিছু পোস্টে বলা হয়েছে যে, জামায়াতের লোকজন সাধারণ মানুষকে বলছিল যে
এটি জামায়াতেরই বিতরণ। চীনা দূতাবাসের এই বিব্রতকর অবস্থানের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি নেতিবাচক দিক তুলে ধরেছে। একদিকে বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের মানবিক কাজ, অন্যদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের সুযোগসন্ধানী আচরণ— এই দ্বন্দ্ব সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে। প্রকৃত দুস্থরা এই উপহার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন কি না, তা নিয়েও তদন্তের দাবি উঠেছে।



