ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের
ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী
বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত
শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লানকে তারেক রহমান চালাচ্ছেন খালকাটা কর্মসূচি হিসেবে
‘ইউনূসকে ঠিকই চিনেছিলেন শেখ হাসিনা’, কারামুক্ত হয়ে আনিস আলমগীর
ইতিহাস থেকে রাষ্ট্র বিনির্মাণ: দেশবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ পোস্ট শেয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা বরখাস্ত
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের এমপি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে ফেসবুকে মানহানিকর, আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ ইউনুসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারিকৃত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি মুহাম্মদ ইউনুস তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ অন্যান্য প্রোফাইল থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করেছেন বলে পরিলক্ষিত হয়েছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আচরণবিধি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি।
এতে আরও বলা হয়, একজন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের উস্কানিমূলক বা আপত্তিকর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।
এ অবস্থায়
কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ধরনের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, কেন তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান লায়ন মুজিবুর রহমান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ছবিসহ স্ট্যাটাস আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি অ্যাকশনে গিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি।’ একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হয়ে সরকারের একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অশালীন আচরণ কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। তবে মুহাম্মদ ইউনুস তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন। পোস্টে
তিনি লেখেন, ‘ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে আমি কোনো একজনের ইভেন্ট পোস্টে যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের কুরুচিপূর্ণ একটা ছবি ছিল, সেখানে মনের ভুলে ইন্টারেস্ট বাটনে ক্লিক করে ফেলি। যা আমার ফ্রেন্ডলিস্টের টাইমলাইনে কিছুক্ষণ ছিল। আসলে আমার জানা ছিল না ইন্টারেস্ট বাটনে ক্লিক করলে এ রকম ফ্রেন্ডলিস্টের টাইমলাইনে চলে যায়। সেটা কয়েক মিনিট স্থায়ী হওয়ার পর আমি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নট ইন্টারেস্ট বা ডিলিট করে দিই। আসলে এটা ছিল আমার অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অসাবধানতার কারণে হওয়া ভুল। উনার মতো সম্মানিত ব্যক্তি, জেলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের পোস্টে ইন্টারেস্ট ক্লিক করা উচিত হয়নি। আমার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য কক্সবাজার
জেলাবাসী এবং দেশবাসীর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। এ ধরনের ভুল থেকে ভবিষ্যতে সাবধান থাকব।’
কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ধরনের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, কেন তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান লায়ন মুজিবুর রহমান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ছবিসহ স্ট্যাটাস আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি অ্যাকশনে গিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি।’ একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হয়ে সরকারের একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অশালীন আচরণ কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। তবে মুহাম্মদ ইউনুস তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন। পোস্টে
তিনি লেখেন, ‘ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে আমি কোনো একজনের ইভেন্ট পোস্টে যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের কুরুচিপূর্ণ একটা ছবি ছিল, সেখানে মনের ভুলে ইন্টারেস্ট বাটনে ক্লিক করে ফেলি। যা আমার ফ্রেন্ডলিস্টের টাইমলাইনে কিছুক্ষণ ছিল। আসলে আমার জানা ছিল না ইন্টারেস্ট বাটনে ক্লিক করলে এ রকম ফ্রেন্ডলিস্টের টাইমলাইনে চলে যায়। সেটা কয়েক মিনিট স্থায়ী হওয়ার পর আমি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নট ইন্টারেস্ট বা ডিলিট করে দিই। আসলে এটা ছিল আমার অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অসাবধানতার কারণে হওয়া ভুল। উনার মতো সম্মানিত ব্যক্তি, জেলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের পোস্টে ইন্টারেস্ট ক্লিক করা উচিত হয়নি। আমার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য কক্সবাজার
জেলাবাসী এবং দেশবাসীর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। এ ধরনের ভুল থেকে ভবিষ্যতে সাবধান থাকব।’



