ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের
ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী
বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত
শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লানকে তারেক রহমান চালাচ্ছেন খালকাটা কর্মসূচি হিসেবে
ইতিহাস থেকে রাষ্ট্র বিনির্মাণ: দেশবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু
কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে ড. ইউনূসকে ‘বিশ্ব বাটপার’ উপাধি দিতেন: আনিস আলমগীর
‘ইউনূসকে ঠিকই চিনেছিলেন শেখ হাসিনা’, কারামুক্ত হয়ে আনিস আলমগীর
তিন মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। কারামুক্তির পরপরই তিনি মন্তব্য করেছেন, “শেখ হাসিনা ইউনুসকে খারাপ বলতেন, তখন আমাদের বিশ্বাস হতো না। কিন্তু এখন দেখছি তিনি (শেখ হাসিনা) ঠিকই ইউনুসকে চিনেছিলেন।”
শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আনিস আলমগীর এমন অনেক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। কারাফটকে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তার ওপর শুধু অন্যায় নয়, রীতিমতো জুলুম করা হয়েছে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার ছিল এক-এগারো সরকারের একটি বর্ধিত রূপ। কিন্তু
এখন ড. ইউনূস যে ‘আইনের জুলুম’ চালু করে দিয়ে গেছেন, তা যদি অব্যাহত থাকে তবে সাধারণ মানুষ তা কোনোভাবেই ভালোভাবে নেবে না।” গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ধানমন্ডি থেকে আটকের পর আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগ করা কতটা হাস্যকর, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু গত দেড় বছরে এই একই কায়দায় হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে পুরে রাখা হয়েছে।” কারাগারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জানান, ভেতরে কোনো বড় নেতা নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট দলের (আওয়ামী লীগ) অসংখ্য সাধারণ ও পদ-পদবিহীন কর্মীকে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেকোনো একটা জেলে
গিয়ে দেখবেন, শুধু একটা দলের রাজনৈতিক কর্মীরা জেল খাটছে। এদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবাদের। রাজনৈতিক বিরোধিতা করলেই কি এখন সবাই সন্ত্রাসী? সন্ত্রাসের সংজ্ঞা কি বদলে গেছে?” গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আনিস আলমগীরের এই মুক্তিকে অনেকেই রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। তবে পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির আমলেও সাংবাদিক নির্যাতন ও মামলা-হামলার সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল। ফলে বর্তমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো না বদলালে পরিস্থিতির প্রকৃত পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে। আনিস আলমগীর আরও যোগ করেন, তিনি পরিচিত মুখ হওয়ায় মিডিয়া কভারেজ পাচ্ছেন। কিন্তু কাশিমপুরসহ বিভিন্ন কারাগারে এখনো নামহীন হাজারো মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিনা বিচারে
আটকে আছেন। ড. ইউনূসের আমলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক মহলে বা জেনেভায় কেন আলোচিত হয়নি, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
এখন ড. ইউনূস যে ‘আইনের জুলুম’ চালু করে দিয়ে গেছেন, তা যদি অব্যাহত থাকে তবে সাধারণ মানুষ তা কোনোভাবেই ভালোভাবে নেবে না।” গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ধানমন্ডি থেকে আটকের পর আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগ করা কতটা হাস্যকর, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু গত দেড় বছরে এই একই কায়দায় হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে পুরে রাখা হয়েছে।” কারাগারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জানান, ভেতরে কোনো বড় নেতা নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট দলের (আওয়ামী লীগ) অসংখ্য সাধারণ ও পদ-পদবিহীন কর্মীকে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেকোনো একটা জেলে
গিয়ে দেখবেন, শুধু একটা দলের রাজনৈতিক কর্মীরা জেল খাটছে। এদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবাদের। রাজনৈতিক বিরোধিতা করলেই কি এখন সবাই সন্ত্রাসী? সন্ত্রাসের সংজ্ঞা কি বদলে গেছে?” গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আনিস আলমগীরের এই মুক্তিকে অনেকেই রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। তবে পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির আমলেও সাংবাদিক নির্যাতন ও মামলা-হামলার সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল। ফলে বর্তমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো না বদলালে পরিস্থিতির প্রকৃত পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে। আনিস আলমগীর আরও যোগ করেন, তিনি পরিচিত মুখ হওয়ায় মিডিয়া কভারেজ পাচ্ছেন। কিন্তু কাশিমপুরসহ বিভিন্ন কারাগারে এখনো নামহীন হাজারো মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিনা বিচারে
আটকে আছেন। ড. ইউনূসের আমলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক মহলে বা জেনেভায় কেন আলোচিত হয়নি, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।



