ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
দেশের জন্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি ক্রয় নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী
উপদেষ্টার শিশুকন্যার ‘ছাগল চোর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’ বনাম মির্জা আব্বাস: রাজনীতির বাকবাঁদল
৭৪ কারাগারে ২৩ অ্যাম্বুলেন্স: সংকটের অজুহাতে পথেই রাজনৈতিক বন্দিদের মৃত্যু
আসিফ মাহমুদসহ ৪২ জনকে পুলিশ হত্যার আসামি করার আবেদন আদালতে নাকচ
গুরুতর অসুস্থ মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবিরের মুক্তির জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বৈশ্বিক নাগরিক সমাজের জরুরি আহ্বান
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও দণ্ডপ্রাপ্ত রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ৪১ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
আজ ১৩ই মার্চ, শুক্রবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে নাগরিকরা এই প্রস্তাবকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অবমাননা এবং শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন- কবি নির্মলেন্দু গুণ, অধ্যাপক আবু ইউসুফ, কবি হেনরী স্বপন, কবি শাহেদ কায়েস, গবেষক ও সাংবাদিক এনায়েত কবীরসহ মোট ৪১ জন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রথম সংসদ স্বাধীনতার পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখার শপথ নিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সংসদে সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত রাজাকার ও জামায়াতে ইসলামী নেতাদের জন্য
শোক প্রস্তাব উত্থাপন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল এবং জাতীয় ইতিহাসকে মুছে ফেলার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নাগরিকরা অভিযোগ করেছেন, “একজন রাজাকার বা আল-বদর কখনো রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়ার যোগ্য নয়। এ ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দেবে।” তারা জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী থেকে শোক প্রস্তাবের অংশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংসদ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে সংসদ ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা–বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
শোক প্রস্তাব উত্থাপন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল এবং জাতীয় ইতিহাসকে মুছে ফেলার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নাগরিকরা অভিযোগ করেছেন, “একজন রাজাকার বা আল-বদর কখনো রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়ার যোগ্য নয়। এ ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দেবে।” তারা জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী থেকে শোক প্রস্তাবের অংশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংসদ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে সংসদ ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা–বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।



