বিএনপি-জামায়াতের সম্মতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে করা ইউনূস সরকারের চুক্তিতে দেশের ক্ষতি বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৬

আরও খবর

মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে

ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে

৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের

পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের

তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’

প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ

বিএনপি-জামায়াতের সম্মতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে করা ইউনূস সরকারের চুক্তিতে দেশের ক্ষতি বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৬ |
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটিয়ে বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রক্যক্ষ সমর্থনে ক্ষমতায় আসা ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যেসকল চুক্তি করেছে, তাতে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণন্ন হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রস্তাবিত চুক্তিগুলো কার্যকর হলে সরকারের রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক পণ্যে শুল্ক কমানো বা শূন্য করার ফলে বাংলাদেশ সরকারের শুল্ক আয়ের একটি অংশ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বাংলাদেশ প্রায় ১০৮.৩ মিলিয়ন ডলার বা

প্রায় ১ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা শুল্ক আদায় করেছে।দলীয় কার্যক্রম আমদানির ধরন একই থাকলে ভবিষ্যতে কমপক্ষে এই পরিমাণ রাজস্ব হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সিপিডি। প্রসঙ্গত, চুক্তি সম্পাদন নিয়ে শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং দেশের সচেতন মহল তীব্র বিরোধিতা করে এলেও ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অংশীজন হিসেবে পরিচিত বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ সমমনা কোনো দলই এসব প্রতিবাদকে গ্রাহ্য করেনি। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ দেশটির বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক চলেছে নির্বিঘ্নে। চুক্তিটি নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (প্রকাশযোগ্য নয়) হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চিহ্নিত করা হয়। সেসময় সচিবালয়ের এক সিনিয়র সচিব চুক্তির কপি দেশের স্বার্থ

বিবেচনায় প্রকাশ করে দিলে জনমনে চুক্তির বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদ দেখা দেয়। এরই প্রেক্ষিতে সেই সরকারি কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। অথচ এর পরেও বিএনপি-জামায়াতসহ আওয়ামীবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ড. ইউনূসের চুক্তি সাক্ষরকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সমর্থন যুগিয়ে গেছেন। গতকাল ১০ই মার্চ, মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সুপারিশ’ শীর্ষক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চুক্তির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ। ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, বাংলাদেশ সম্প্রতি (ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করেছে।

এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হবে। পাশাপাশি আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আরও ২ হাজার ২১০ ধরনের পণ্যে শুল্ক ছাড় দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে একতরফাভাবে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা ডব্লিউটিওর নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এর ফলে ডব্লিউটিওর আওতাভুক্ত অন্যান্য দেশকেও একই সুবিধা দিতে বাধ্য হতে পারে বাংলাদেশ। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ১২.৯ শতাংশ, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪.৫ শতাংশ হারে। বাকি সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ৫৯.৪ হারে রাজস্ব আদায় করতে হবে। যা

অসম্ভব। কারণ এখন পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। বাকি সময়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ চ্যালেঞ্জিং বিষয়। বক্তব্যে ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জনগণ যে পরিমাণ কর দেন তার বড় একটি অংশ নানা লিকেজের কারণে সরকারের কোষাগারে পৌঁছায় না। কর ফাঁকি রোধ, প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কর ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করা গেলে রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, ভ্যাটসহ বিভিন্ন উৎস থেকে কর আদায়ে যে ঘাটতি রয়েছে, তা দূর করতে পারলে নতুন করে করের হার বাড়ানোর প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে। তাই কর বাড়ানোর আগে রাজস্ব ব্যবস্থার ফাঁক বন্ধ জরুরি।বাংলাদেশি সংস্কৃতি উল্লেখ্য, ড. ইউনূসের সময় করা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী এই চুক্তির সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততা

আড়াল করতে জামায়াতে ইসলামীর উঠেপড়ে লেগেছে। যুদ্ধাপরাধী দলটির আমির শফিকুর রহমান সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে দাবি করেন, চুক্তির বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নির্বাচনের আগপর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে দফায় দফায় বৈঠক প্রসঙ্গে শফিকুর রহমানের দাবি, তাদের সাথে নির্বাচন নিয়ে আলাপ হয়েছিল শুধু, চুক্তির বিষয়ে তিনি জানতেন না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত। ঢাকায় পুরোহিতের ওপর নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুভাষ দেউরী মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার তদন্ত দাবি পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের রণক্ষেত্র সাতকানিয়া: সশস্ত্র জামায়াত-শিবির কর্মীদের গুলিতে রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ কর্মী, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রিপেইড মিটারে ভৌতিক বিল কর্তনের অভিযোগ, মধ্যরাতে বিদ্যুতহীনতার ভোগান্তিতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও) ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায় মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে বিদ্যুতের লোডশেডিং অতিষ্ট যুবকের প্রধানমন্ত্রী ও জায়মাকে কটুক্তি, ফেনীতে যুবক গ্রেফতার হাসপাতাল চালুর দাবিতে সড়ক অবরোধ, নবম দিনে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বিশ্বজুড়ে ৯১টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে শেখ হাসিনা: “এ বছরই দেশে ফিরব” কোটচাঁদপুরের ডেপুটি রেঞ্জার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ ঢাবি স্থাপনার নাম পরিবর্তন: সিনেট অধিবেশন থেকে শিবিরের ওয়াকআউট; পছন্দের নাম ‘শহিদ ওসমান হাদি’ পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট