১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অচল হয়েছিল পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৬

১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অচল হয়েছিল পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৬ |
১৯৭১ সালের মার্চ মাস ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অগ্নিঝরা অধ্যায়। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ঘোষণা করেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”, তখন থেকেই পুরো জাতি এক অদৃশ্য সুতোয় গেঁথে গিয়েছিল। আজ ১১ মার্চ; ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন এক চূড়ান্ত রূপ পরিগ্রহ করেছিল। ১১ মার্চ ছিল অসহযোগ আন্দোলনের দশম দিন। সেদিন গোটা পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) চলত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর থেকে আসা নির্দেশে। বঙ্গবন্ধু তখন কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন সাত কোটি বাঙালির অবিসংবাদিত রাষ্ট্রনায়ক। সেদিন সরকারি ও আধা-সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে

কাজ বর্জন করেছিলেন। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছিল যে, কামানের গোলা বা বুলেটের চেয়েও একটি জাতির ঐক্য অনেক বেশি শক্তিশালী। ১৯৭১ সালের ১১ মার্চ সকালে ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী—সবাই রাজপথে নেমে এসেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তখন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি আদায় না হবে, ততক্ষণ কর দেবেন না।” এই একটি বাক্যেই পাকিস্তান সরকারের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড নড়ে গিয়েছিল। সেদিন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি বি.এ সিদ্দিকী নবনিযুক্ত গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানকে শপথ করাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, যা ছিল বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে সরাসরি অবাধ্যতার এক অনন্য নজির। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি

সেদিন একীভূত হয়ে গিয়েছিল। ১১ মার্চের সেই উত্তাল সময়ে সারা দেশে উড়ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল-সবুজ পতাকা। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছিলেন কীভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। তিনি বলেছিলেন, “আমরা যখন মরতে শিখেছি, কেউ আমাদের দমাতে পারবে না।” ১১ মার্চের সেই দিনটিই ছিল চূড়ান্ত বিজয়ের অন্যতম সোপান। আজ ২০২৬ সালের এই ১১ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন উন্নয়নশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে তাকাই, তখন আমাদের হৃদয়ে সেই মহান নেতার স্মৃতি অম্লান হয়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর সেই ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আজ আমরা প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বমঞ্চে সমাসীন। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির এই মিলনমেলা চিরন্তন। ১১ মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নেতার সঠিক

দিকনির্দেশনা এবং জাতির ইস্পাতকঠিন ঐক্য থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত! চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৪ কর্মী গ্রেপ্তার, ‘পুলিশের বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট’ বদলের দাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তিন জেলায় তুলকালাম: সড়ক অবরোধ, ককটেল নিক্ষেপ ও ১৪৪ ধারা মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে দেশান্তরি ঢাকা পোস্ট সম্পাদকের স্মৃতিচারণ: শফিক ও তার প্রেশারগ্রুপ থেকে সন্তানদের রক্ষায় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যে দড়ি বেঁধে চলছে প্রশাসনের মেলা, শুকানো হচ্ছে লুঙ্গিও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আরও চার ব্যাংকের, ১০ ব্যাংক এক কাতারে উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে লভ্যাংশ দিতে পারবে না ১৭ ব্যাংক, বিধিনিষেধ আরোপ ফিফার তহবিলে উন্নয়নের জন্য তিনটি স্টেডিয়াম পাচ্ছে বাফুফে নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী ১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ হাম থেকে বেঁচে ফিরলেও শিশুদের মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর ঝুঁকি, আসছে বছরগুলোয় এসএসপিই’র শঙ্কা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: হাম-রুবেলার হাত ধরে ফিরে এলো চার দশক আগে বিলুপ্ত গুটি বসন্ত, শিক্ষকের মৃত্যু দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে সর্বোচ্চ শিশু মৃত্যু বিধানসভা নির্বাচনে তারকাদের হাল যেমন আমিরাতের পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা ১০০টিরও বেশি আসন লুট করে নিয়েছে বিজেপি: মমতা শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা দেশের জন্য সতর্কবার্তা বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৬ কেরালায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে বেছে নেবে কংগ্রেস?