ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. ইউনূসের পাকিস্তানপ্রেমের খেসারত, নিরাপত্তা সংকটে দক্ষিণ এশিয়া: স্পেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা
চার মামলায় জামিন হলেও মুক্তি মিলছে না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের
সার্কাসে পরিণত হয়েছে ইউনূসের বানানো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যে প্রকল্পকে বলা হয়েছিল ‘দেশ বিক্রি’, সেই পাইপলাইনই আজ জ্বালানির শক্ত ভিত্তি
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দানবীয় হয়ে ওঠে পুলিশ
১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অচল হয়েছিল পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র
১৯৭১ সালের মার্চ মাস ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অগ্নিঝরা অধ্যায়। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ঘোষণা করেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”, তখন থেকেই পুরো জাতি এক অদৃশ্য সুতোয় গেঁথে গিয়েছিল। আজ ১১ মার্চ; ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন এক চূড়ান্ত রূপ পরিগ্রহ করেছিল।
১১ মার্চ ছিল অসহযোগ আন্দোলনের দশম দিন। সেদিন গোটা পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) চলত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর থেকে আসা নির্দেশে। বঙ্গবন্ধু তখন কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন সাত কোটি বাঙালির অবিসংবাদিত রাষ্ট্রনায়ক। সেদিন সরকারি ও আধা-সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে
কাজ বর্জন করেছিলেন। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছিল যে, কামানের গোলা বা বুলেটের চেয়েও একটি জাতির ঐক্য অনেক বেশি শক্তিশালী। ১৯৭১ সালের ১১ মার্চ সকালে ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী—সবাই রাজপথে নেমে এসেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তখন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি আদায় না হবে, ততক্ষণ কর দেবেন না।” এই একটি বাক্যেই পাকিস্তান সরকারের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড নড়ে গিয়েছিল। সেদিন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি বি.এ সিদ্দিকী নবনিযুক্ত গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানকে শপথ করাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, যা ছিল বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে সরাসরি অবাধ্যতার এক অনন্য নজির। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি
সেদিন একীভূত হয়ে গিয়েছিল। ১১ মার্চের সেই উত্তাল সময়ে সারা দেশে উড়ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল-সবুজ পতাকা। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছিলেন কীভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। তিনি বলেছিলেন, “আমরা যখন মরতে শিখেছি, কেউ আমাদের দমাতে পারবে না।” ১১ মার্চের সেই দিনটিই ছিল চূড়ান্ত বিজয়ের অন্যতম সোপান। আজ ২০২৬ সালের এই ১১ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন উন্নয়নশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে তাকাই, তখন আমাদের হৃদয়ে সেই মহান নেতার স্মৃতি অম্লান হয়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর সেই ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আজ আমরা প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বমঞ্চে সমাসীন। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির এই মিলনমেলা চিরন্তন। ১১ মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নেতার সঠিক
দিকনির্দেশনা এবং জাতির ইস্পাতকঠিন ঐক্য থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।
কাজ বর্জন করেছিলেন। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছিল যে, কামানের গোলা বা বুলেটের চেয়েও একটি জাতির ঐক্য অনেক বেশি শক্তিশালী। ১৯৭১ সালের ১১ মার্চ সকালে ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী—সবাই রাজপথে নেমে এসেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তখন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি আদায় না হবে, ততক্ষণ কর দেবেন না।” এই একটি বাক্যেই পাকিস্তান সরকারের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড নড়ে গিয়েছিল। সেদিন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি বি.এ সিদ্দিকী নবনিযুক্ত গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানকে শপথ করাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, যা ছিল বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে সরাসরি অবাধ্যতার এক অনন্য নজির। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি
সেদিন একীভূত হয়ে গিয়েছিল। ১১ মার্চের সেই উত্তাল সময়ে সারা দেশে উড়ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল-সবুজ পতাকা। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছিলেন কীভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। তিনি বলেছিলেন, “আমরা যখন মরতে শিখেছি, কেউ আমাদের দমাতে পারবে না।” ১১ মার্চের সেই দিনটিই ছিল চূড়ান্ত বিজয়ের অন্যতম সোপান। আজ ২০২৬ সালের এই ১১ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন উন্নয়নশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে তাকাই, তখন আমাদের হৃদয়ে সেই মহান নেতার স্মৃতি অম্লান হয়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর সেই ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আজ আমরা প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বমঞ্চে সমাসীন। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির এই মিলনমেলা চিরন্তন। ১১ মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নেতার সঠিক
দিকনির্দেশনা এবং জাতির ইস্পাতকঠিন ঐক্য থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।



