ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
অগ্নিঝরা ৮ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর দর্শনে নারী-সমতা ও সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছেন। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস যখন বিশ্বব্যাপী পালিত হয়, তখন বঙ্গবন্ধুর সেই দর্শনের কথা মনে পড়ে যেখানে তিনি বলেছিলেন, “নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা ও সুযোগের সমতা অপরিহার্য।”
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে তিনি নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করেছিলেন এবং যুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করে তাদের মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি বুঝতে শিখেছিল যে, অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে মুক্তি সম্ভব নয়।
১৯৭১ সালের ৮ মার্চ ছিল এক অবিস্মরণীয় দিন। আগের দিনই অর্থাৎ ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। ৮ মার্চ
থেকে পুরো বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে শুরু করে। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ সব বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিকামী বাঙালি জাতি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর একটি ভাষণই একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেছিল। আজ ২০২৬ সালের এই ৮ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন পেছনে ফিরে তাকাই, তখন দেখি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ আজ গড়ার পথে। বাঙালি জাতি আজ বিশ্বের বুকে এক উন্নয়ন ও মর্যাদার নাম। নারী শিক্ষা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি—সবক্ষেত্রেই বাঙালির পদচারণা এখন ঈর্ষণীয়। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি অবিচ্ছেদ্য। ৮ মার্চ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অধিকার আদায়ের লড়াই কখনো শেষ হয় না। বঙ্গবন্ধুর
আদর্শকে ধারণ করে একটি লিঙ্গবৈষম্যহীন, আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।
থেকে পুরো বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে শুরু করে। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ সব বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিকামী বাঙালি জাতি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর একটি ভাষণই একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেছিল। আজ ২০২৬ সালের এই ৮ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন পেছনে ফিরে তাকাই, তখন দেখি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ আজ গড়ার পথে। বাঙালি জাতি আজ বিশ্বের বুকে এক উন্নয়ন ও মর্যাদার নাম। নারী শিক্ষা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি—সবক্ষেত্রেই বাঙালির পদচারণা এখন ঈর্ষণীয়। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি অবিচ্ছেদ্য। ৮ মার্চ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অধিকার আদায়ের লড়াই কখনো শেষ হয় না। বঙ্গবন্ধুর
আদর্শকে ধারণ করে একটি লিঙ্গবৈষম্যহীন, আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।



