ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক
আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’
৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর
জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয় মাসের ব্যয় মেটাতে সক্ষম?
সকল সংকটে ঐতিহাসিক বন্ধু ভারতই শেষ ভরসা: জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারতের শরণাপন্ন বিএনপি সরকার
৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেল (২০২০-২১ সেশন, বাড়ি ময়মনসিংহ) কে পবিত্র রমজান মাসে সেহেরির সময় নির্মমভাবে মারধর করেছে ছাত্র শিবির ও ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসী গ্রুপ।
পাভেলের একমাত্র ‘অপরাধ’ ছিল—ফেসবুকে ৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া। এই পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ (যাকে অনেকে জঙ্গি সাইফুল্লাহ হিসেবে চিহ্নিত করেন) এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ধরে লাঠি, রড ও হাতের কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। আহত অবস্থায় তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।History
জড়িতদের পরিচয়:
সর্দার নাদিম মাহমুদ শুভ
২০২১-২২ সেশন।
ফিলোসফি ডিপার্টমেন্ট।
হাসিব আল ইসলাম
২০২০-২১ সেশন।
সোশিওলোজি ডিপার্টমেন্ট।
মোঃ সাইফুল্লাহ
২০২০-২১ সেশন।
মুহসিন হল। ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (বিবিএ) ও আরও অনেকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহেরির খেতে গেলে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়। দুই আড়াই ঘন্টা ধরে সাইফুল্লাহ, আবরার সহ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সদস্যারা পাভেলকে মারধর করে, সেই সময় তারা চিৎকার করে বলছিলেন যে, “৭ই মার্চের পোস্ট দেওয়ার সাহস কোথায় পেলি? আজকের সেহেরি করবো ছাত্রলীগ দিয়ে” জুলাই আন্দোলনের নামে যে বৈষম্য দূর করার দাবি উঠেছিল, সেই আন্দোলন কি আসলে নতুন বৈষম্য ও সন্ত্রাসের জন্ম দিয়েছে? যারা জুলাইয়ে ছাত্রদের অধিকার হরনের বিরোধীতা করে সরকার পতন ঘটিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, তারা কি বাংলাদেশ গড়ার নামে রক্তের নদী বইয়েছিল, তারা আজ রমজানে সেহরির সময় একজন
শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে প্রমাণ করছে—তাদের লড়াই কখনোই ন্যায়ের জন্য ছিল না, ছিল ক্ষমতা দখল ও বিরোধী দমনের জন্য।বাংলাদেশি সংস্কৃতি এই ঘটনা জুলাই আন্দোলনের আসল চেহারাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে: একটি নৃশংস, অসহিষ্ণু ও সন্ত্রাসী মানসিকতা যা কোনো মতভেদ সহ্য করতে পারে না। এই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
মুহসিন হল। ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (বিবিএ) ও আরও অনেকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহেরির খেতে গেলে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়। দুই আড়াই ঘন্টা ধরে সাইফুল্লাহ, আবরার সহ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সদস্যারা পাভেলকে মারধর করে, সেই সময় তারা চিৎকার করে বলছিলেন যে, “৭ই মার্চের পোস্ট দেওয়ার সাহস কোথায় পেলি? আজকের সেহেরি করবো ছাত্রলীগ দিয়ে” জুলাই আন্দোলনের নামে যে বৈষম্য দূর করার দাবি উঠেছিল, সেই আন্দোলন কি আসলে নতুন বৈষম্য ও সন্ত্রাসের জন্ম দিয়েছে? যারা জুলাইয়ে ছাত্রদের অধিকার হরনের বিরোধীতা করে সরকার পতন ঘটিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, তারা কি বাংলাদেশ গড়ার নামে রক্তের নদী বইয়েছিল, তারা আজ রমজানে সেহরির সময় একজন
শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে প্রমাণ করছে—তাদের লড়াই কখনোই ন্যায়ের জন্য ছিল না, ছিল ক্ষমতা দখল ও বিরোধী দমনের জন্য।বাংলাদেশি সংস্কৃতি এই ঘটনা জুলাই আন্দোলনের আসল চেহারাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে: একটি নৃশংস, অসহিষ্ণু ও সন্ত্রাসী মানসিকতা যা কোনো মতভেদ সহ্য করতে পারে না। এই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।



